মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৭ অগ্রহায়ন ১৪২১
পুঁজিবাজারে আড়াই শ’ কোটি টাকার নিচে লেনদেন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ শুরুর মতো পতন দিয়েই লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের পুঁজিবাজারের। সব ধরনের বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তায় উভয় বাজারেই ক্রমেই লেনদেনে খরা দেখা দিচ্ছে। আগের তুলনায় শেয়ারের বিক্রির আদেশ যেভাবে কমছে, ঠিক উল্টোভাবে সেখানে শেয়ারের ক্রেতাও কমছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি পর্যায়ের কিছুটা ধীরে চলো নীতির কারণেই বাজারে লেনদেন আড়াই শ’ কোটি টাকার নিচে চলে গেছে। তবে লেনদেন কমলেও রবিবারে বিক্রির চাপ কিছুটা কম থাকায় সূচকের সামান্য পতন ঘটেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সকালে সূচকের উর্ধগতি দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু শেয়ারের ক্রয়াদেশ না বাড়ার কারণে সূচকের উর্ধগতি শেষ পর্যন্ত টেকেনি। উল্টো দিনশেষে সেখানকার সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১০৬ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক দশমিক ৮৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৬০ পয়েন্টে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে টানা পতন থাকলেও লেনদেন খুব বাড়ছে না। এটি বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য ভাল। কারণ এতে বুঝতে হবে বাজারে শেয়ারের বিক্রেতা কম। যে কোন সময় ক্রেতা বাড়লেও বাজার উর্ধগতির ধারায় ফিরতে পারে। কারণ বাজার এখন বটম লাইনে অবস্থান করছে।
সারাদিনে ডিএসইতে ২৩২ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের দিন এ বাজারে লেনদেন হয়েছিল ২৬৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার। যা আগের দিনের তুলনায় ৩১ কোটি ৪২ লাখ টাকা বা ১২ শতাংশ কম।
গত এক মাসে ডিএসইতে সূচকের সঙ্গে লেনদেন কমেছে উল্লেখযোগ্যহারে। এ সময়ে ডিএসই প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ৩৫৫ পয়েন্ট। আর লেনদেন কমেছে ৫০০ কোটি ১৯ লাখ টাকার বা ৬৮ শতাংশ। গত ২ নবেম্বর ডিএসই এক্স সূচকের অবস্থান ছিল ৫ হাজার ১০৫ পয়েন্টে। আর ডিএসইতে ৭৩২ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।
ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩০২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৯টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১২৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টির।
এছাড়া ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের শেয়ার। এরপরে রয়েছে- কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, বেক্সিমকো ফার্মা, এবি ব্যাংক, বেক্সিমকো, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, যমুনা অয়েল, এমজেএলবিডি এবং অগ্নি সিস্টেমস।
দর বৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : অগ্নি সিস্টেম, ফু-ওয়াং সিরামিক, কোহিনূর কেমিক্যাল, আইসিবি ১ম এনআরবি, বিডি কম, আইসিবি, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, দেশবন্ধু, সাইফ পাওয়ার টেক ও আমরা টেক।
দর হারানোর কোম্পানিগুলো হলো : অলিম্পিক, সোনালী আঁশ, জেমিনী সী ফুড, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, মুন্নু স্টাফলারস, এ্যাটলাস বাংলাদেশ, শাহজিবাজার পাওয়ার, স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, ফার্মা এইড ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স।
অপরদিকে রবিবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ১৮ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসই সার্বিক সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৬৬২ পয়েন্টে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৯৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির।
সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, অলিম্পিক, বেক্সিমকো, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, সাইফ পাওয়ার টেক, কেয়া কসমেটিকস, এবি ব্যাংক, গ্রামীণফোন, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ও মবিল যমুনা বিডি।
আইসিবির মুনাফা বেড়েছে ৯৬ শতাংশ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে ৯৬ শতাংশ। কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই, ১৪-সেপ্টেম্বর, ১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী কনসুলেটেড মুনাফা হয়েছে ৯৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা আর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২৩ টাকা ৫৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ৫০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা আর ইপিএস ছিল ১২ টাকা ৪ পয়সা।
প্রথম প্রান্তিকের প্রতিবেদন প্রকাশের দিনে ডিএসইতে রবিবারে এ শেয়ারের দর বেড়েছে ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ বা ৬৪ টাকা। সারাদিনে দর ১ হাজার ৪৩৮ দশমিক ২৫ টাকা থেকে ১ হাজার ৪৭০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১ হাজার ৪৫৮ টাকা, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ৮ হাজার ৩০০ টাকা ২৫ পয়সায়। সারাদিনে কোম্পানিটির মোট লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার।
কোম্পানিটি ঋণমানে দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কোম্পানিটির ২০১৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ২০১৩ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে আরগাস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড। ঋণমান প্রতিবেদন অনুসারে, কোম্পানিটি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। ফলে ঋণ পরিশোধে আইসিবির সক্ষমতা সর্বোচ্চ।
১৯৭৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৪২১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ১৪২ কোটি ১০ লাখ টাকা। বাজারে শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ২১ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০; যার মধ্যে সরকার ২৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৭০ দশমিক ৮২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে ২ দশমিক ১৮ শতাংশ। এর প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত দর ১০ টাকা ও ৫০টিতে মার্কেট লট। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এর দর আয় অনুপাত ১৬ দশমিক ৬৫।
অনুমোদিত মূলধন বাড়াবে ফু-ওয়াং সিরামিক
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিরামিক খাতের কোম্পানি ফু-ওয়াং সিরামিকের পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি ১০০ কোটি টাকা থেকে ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন বাড়াবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, এ কারণে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ অতিরিক্ত সাধারণ সভা (ইজিএম) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৮টায় স্পেক্ট্রা কনভেশন সেন্টার, হাউস ১৯, রোড ৭, গুলশান ১-এ ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে ঋণমানে ফু-ওয়াং সিরামিক ‘বিবিবি২’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে কোম্পানিটি নেতিবাচক অবস্থায় রয়েছে। কোম্পানিটির ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ৩৯ শতাংশ। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৯৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১১ পয়সা। তবে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এর মুনাফা ছিল ১ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১৯ পয়সা।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে বৃহস্পতিবার এ শেয়ারের দর বাড়ে ৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ বা ৪০ পয়সা। দিনভর এর দর ১৩ টাকা থেকে ১৩ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৩ টাকা ৪০ পয়সায়; যা সমন্বয় শেষে ১৩ টাকা ৪০ পয়সা ছিল। এদিন ১৩২ বারে এর ১ লাখ ৬৯ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল টাকা ১৩ টাকা ও সর্বোচ্চ দর ১৬ টাকা ১০ পয়সা। গত ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ১৩ টাকা ও সর্বোচ্চ দর ছিল ১৮ টাকা ২০ পয়সা।
জানা গেছে, কোম্পানিটি ডিজিটাল প্রিন্টিং মেশিন আমদানি করবে। সম্প্রতি এ নিয়ে কোম্পানিটি স্পেনের কোম্পানি ইএফআই ক্রিটাপ্রিন্ট এসএলইউয়ের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। কোম্পানিটির এ প্রিন্টিং মেশিন আমদানিতে ব্যয় হবে ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো, যা প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সম্প্রতি এজন্য কোম্পানিটি ঋণপত্রও খুলেছে।
২০১৪ সালের ৩০ জুন সামাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। এ হিসাব বছরে এর ইপিএস হয়েছে ৪৯ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ৪ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে এর এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।
২০১৩ সালের জন্য কোম্পানিটির ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেয়া হয়েছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে এ হিসাব বছরে নেট মুনাফা ৫ কোটি ৫০ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৭২ পয়সা। কোম্পানিটি ১৯৯৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এর ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন ও ৮৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন রয়েছে। এর মোট শেয়ার ৮ কোটি ৪৬ লাখ ১২ হাজার ৩৮৮টি; যার প্রতিটির অভিহিত দর ১০ টাকা ও মার্কেট লট ৫০০টি শেয়ারে। কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ১৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৫২ শতাংশ। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এর দর আয় অনুপাত ২০ দশমিক ৬২।
নর্থওয়েস্ট সিকিউরিটিজ পরিদর্শন করবে বিএসইসি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পরিপালন করছেন কিনা, তা নিশ্চিত করতেই চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সদস্য ব্রোকারেজ হাউস নর্থওয়েস্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেড পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। রবিবার থেকে আগামী ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার পর্যন্ত এ হাউসে পরিদর্শন কার্যক্রম চালাবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত ২৫ নবেম্বর বিএসইসি পরিদর্শন সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, বিএসইসির পরিদর্শক দলটি সংশ্লিষ্ট স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার বা অনুমোদিত প্রতিনিধির সকল হিসাব বহি, রেজিস্টার এবং অন্যান্য দলিলপত্র ও সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি যাচাই-বাছাই করবে। তবে প্রয়োজনে পরিদর্শনের সময়সীমা কমিশন বাড়াতে পারবে।
নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে, পরিদর্শক দলটি বিধি ১৫ ও ১৬ এর সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা-২০০০ ও প্রবিধান-৩৬ এর ডিপোজিটরি (ব্যবহারিক) প্রবিধানমালা অনুযায়ী স্টক ডিলার এবং সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ-১৯৬৯ এর ধারা ৬(১) অনুসারে স্টক ব্রোকার বা অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হিসাব এবং জমাকৃত তথ্য যাচাই-বাছাই করবে।