মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ২১ অক্টোবর ২০১১, ৬ কার্তিক ১৪১৮
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রতীকী অনশনে যোগ দেয়ার আহ্বান ইলিয়াস কাঞ্চনের
স্টাফ রিপোর্টার ॥ সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ১৪ দফা দাবি বাসত্মবায়নে আগামী ২২ অক্টোবর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আহূত প্রতীকী গণঅনশন কর্মসূচীতে সকল সত্মরের মানুষদের যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ও চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন।
বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (নিচসা) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, 'নিরাপদ সড়ক চাইয়ের আন্দোলন নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ নেই। আমাদের আন্দোলন কারও বিরম্নদ্ধে নয়। এ আন্দোলন সড়ক দুর্ঘটনার বিরম্নদ্ধে।'
সকাল ১০ টা থেকে বিকেল চারটা পর্যনত্ম ছয় ঘন্টার গণঅনশন কর্মসূচীতে অংশ নিতে দেশের সুশীল সমাজ, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠন, এনজিও, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ১৪ দফা দাবি বাসত্মবায়ন করা হলে তা হবে সবচেয়ে আনন্দের। এসব দাবি বাসত্মবায়ন করা হলে প্রায় ৭০ ভাগ দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে বলে জানান তিনি। সরকারের পৰ থেকে ২১ অক্টোবরের মধ্যে দাবি মেনে নেয়া হলে অনশন কর্মসূচী বাতিল করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে ইলিয়াস কাঞ্চন এ কর্মসূচীতে অংশ নিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবারের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, 'যাঁরা ছয় ঘণ্টার গণঅনশনে নিতে অপারগ, তাঁরা দিনের যে কোন সময় অনত্মত একবারের জন্য হলেও আমাদের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে যাবেন।' অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আন্দোলন করায় আমাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কারা হুমকি দিচ্ছে এ ব্যাপারে মুখ খুলতে চাননি তিনি। তবে বলেছেন, জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করবেন। তিনি বলেন, 'কোন দুর্ঘটনায় আমার মৃতু্য হলে ধরে নেবেন যারা আমাকে হুমকি দিয়েছিল তারাই এজন্য দায়ী। আমার রক্ত দিয়ে যদি সড়ক নিরাপদ হয় তাহলে মৃতু্যতে কোন কষ্ট থাকবে না। দাবি পূরণ না হলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচী ঘোষনা দেয়ার কথা জানান সংবাদ সম্মেলনে'।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব শামীম আলম দীপেন, যুগ্ম মহাসচিব উম্মে আরা মিতা, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মোঃ গনি মিয়া বাবুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকরা জাতির বিবেক ॥ আরেফিন সিদ্দিক
স্টামফোর্ডে প্রকাশনা অনুষ্ঠান
সাংবাদিকরা হচ্ছে জাতির বিবেক। কোন কিছু গবেষণার মাধ্যমে সহজতর ভাষায় প্রকাশ করাই সাংবাদিকদের কাজ। যাতে করে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে। তবে অবশ্যই লৰ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক রেখে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা করতে হবে। সম্প্রতি স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের জার্নালিজম এ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগে স্টামফোর্ড জার্নাল অব মিডিয়া, কমিউনিকেশন এ্যান্ড কালচারের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক একথা বলেন।
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. এম মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্য একেএম এনামুল হক শামীম। প্রকাশনা উৎসবে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের প্রফেসর এমেরিটাস ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড বোর্ড অব ট্রাস্টির সদস্য জাকির হোসেন। এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. কে মউদুদ ইলাহী। _বিজ্ঞপ্তি।

বাংলাদেশী গ্রাহকদের জন্য এয়ারটেলের আনত্মর্জাতিক রোমিং
স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভারতী এয়ারটেল ভারত, শ্রীলঙ্কা, কাতার ও পাকিসত্মানে ভ্রমণকারী বাংলাদেশী গ্রাহকদের জন্য আনত্মর্জাতিক রোমিং সেবায় বিশেষ ট্যারিফ ঘোষণা করেছে। এই বিশেষ অফারে উলিস্নখিত দেশগুলোতে ভ্রমণকারী এয়ারটেল বাংলাদেশের গ্রাহকেরা উপভোগ করতে পারবেন। আকর্ষণীয় স্থানীয় ট্যারিফ, বাংলাদেশে আউটগোয়িং কলে বিশেষ রেট এবং ফ্রি ইনকামিং কল। এ ছাড়াও পোস্টপেইড গ্রাহকেরা উপভোগ করতে পারবেন আনত্মর্জাতিক জিপিআরএস রোমিং সুবিধা। এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ক্রিস টবিট রোমিং ট্যারিফ সম্পর্কে বলেন, এয়ারটেলের সর্বৰণিক প্রচেষ্টা থাকবে যেন গ্রাহকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নকারী, ভিন্নধমর্ী এবং সাশ্রয়ী সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়। বাংলাদেশের ৫০ লৰাধিক গ্রাহকের জন্য ভারত, শ্রীলঙ্কা, কাতার এবং পাকিসত্মানে ভ্রমণকালে আকর্ষণীয় ট্যারিফ ঘোষণা করতে পেরে আমরা অত্যনত্ম আনন্দিত।
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রতীকী অনশনে যোগ দেয়ার আহ্বান ইলিয়াস কাঞ্চনের
স্টাফ রিপোর্টার ॥ সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ১৪ দফা দাবি বাসত্মবায়নে আগামী ২২ অক্টোবর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আহূত প্রতীকী গণঅনশন কর্মসূচীতে সকল সত্মরের মানুষদের যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ও চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন।
বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (নিচসা) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, 'নিরাপদ সড়ক চাইয়ের আন্দোলন নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ নেই। আমাদের আন্দোলন কারও বিরম্নদ্ধে নয়। এ আন্দোলন সড়ক দুর্ঘটনার বিরম্নদ্ধে।'
সকাল ১০ টা থেকে বিকেল চারটা পর্যনত্ম ছয় ঘন্টার গণঅনশন কর্মসূচীতে অংশ নিতে দেশের সুশীল সমাজ, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠন, এনজিও, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ১৪ দফা দাবি বাসত্মবায়ন করা হলে তা হবে সবচেয়ে আনন্দের। এসব দাবি বাসত্মবায়ন করা হলে প্রায় ৭০ ভাগ দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে বলে জানান তিনি। সরকারের পৰ থেকে ২১ অক্টোবরের মধ্যে দাবি মেনে নেয়া হলে অনশন কর্মসূচী বাতিল করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে ইলিয়াস কাঞ্চন এ কর্মসূচীতে অংশ নিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবারের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, 'যাঁরা ছয় ঘণ্টার গণঅনশনে নিতে অপারগ, তাঁরা দিনের যে কোন সময় অনত্মত একবারের জন্য হলেও আমাদের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে যাবেন।' অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আন্দোলন করায় আমাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কারা হুমকি দিচ্ছে এ ব্যাপারে মুখ খুলতে চাননি তিনি। তবে বলেছেন, জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করবেন। তিনি বলেন, 'কোন দুর্ঘটনায় আমার মৃতু্য হলে ধরে নেবেন যারা আমাকে হুমকি দিয়েছিল তারাই এজন্য দায়ী। আমার রক্ত দিয়ে যদি সড়ক নিরাপদ হয় তাহলে মৃতু্যতে কোন কষ্ট থাকবে না। দাবি পূরণ না হলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচী ঘোষনা দেয়ার কথা জানান সংবাদ সম্মেলনে'।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব শামীম আলম দীপেন, যুগ্ম মহাসচিব উম্মে আরা মিতা, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মোঃ গনি মিয়া বাবুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আইজি প্রিজন অফিস এলাকা থেকে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার
স্টাফ রিপোর্টার ॥ বখশীবাজার এলাকায় কারা মহাপরিদর্শক সেনাবাহিনীর সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশরাফুল ইসলামের কার্যালয়ের পেছনের সীমানা দেয়ালের ভেতর থেকে দুটি ককটেল সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করেছে চকবাজার থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে ককটেলের মতো এ দুটি বস্তু উদ্ধার করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও সামাজিক সেবা শাখার অতিরিক্ত উপকমিশনার মাসুদুর রহমান জানান, কারা অধিদফতরের কর্মচারীরা মহাপরিদর্শকের কার্যালয়ের পেছনে একটি ইটের ওপর সাদা টেপে মোড়ানো দুটি ককটেল দেখতে পান। তাঁরা বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ তা উদ্ধার করে পানিতে ডুবিয়ে সীমানা দেয়ালের বাইরে নিয়ে যায়। ওগুলো পরীক্ষা করার জন্য পুলিশের সংশিস্নষ্ট শাখাকে খবর দেয়া হয়েছে। কারা এবং কি কারণে এগুলো রেখেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

গ্রামীণকে দেয়া বিটিআরসির চিঠির ওপর আট সপ্তাহের স্থিতাবস্থা
স্টাফ রিপোর্টার ॥ গ্রামীণফোনকে দেয়া টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (বিটিআরসি) চিঠির কার্যকারিতার ওপর আট সপ্তাহের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরম্নল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি কে এম কামরম্নল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক আপীল আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
গ্রামীণফোন লিমিটেডের পক্ষ থেকে গত বুধবার এ আবেদন করা হয়। ১৭ অক্টোবর বিটিআরসির রাজস্ব দাবির চিঠির ওপর অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রামীণফোনকে ৩ হাজার ৩৪ কোটি টাকা দিতে হবে_ বিটিআরসির চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদের এ বক্তব্য দেয়ার পরদিনই হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা এলো।

বিমানবাহিনী প্রধানের যুক্তরাষ্ট্র গমন
বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল শাহ মোঃ জিয়াউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী প্রধানের আমন্ত্রণে বৃহস্পতিবার একজন সফরসঙ্গীসহ আট দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
অবস্থানকালে তিনি সে দেশে অনুষ্ঠিতব্য "প্যাসিফিক এয়ার চীফ্স কনফারেন্স ২০১১"-এ যোগ দিবেন। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী প্রধানসহ অনুষ্ঠানে আগত অন্য দেশের বিমান বাহিনী প্রধানদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশিস্নষ্ট বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করবেন। _আইএসপিআর।
হাইকোর্টের দশ বিচারপতির শপথ
স্টাফ রিপোর্টার ॥ সুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে শপথ নিয়েছেন নতুন নিয়োগ পাওয়া ১০ বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি মোঃ মোজাম্মেল হোসেন বৃহস্পতিবার সুপ্রীমকোর্টের জাজেস লাউঞ্জে এই নতুন বিচারকদের শপথ পড়ান। চলতি মাসে দুই দফায় এই দশ জনকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মোঃ জিলস্নুর রহমান।
নতুন নিয়োগ পাওয়া বিচারপতিরা বৃহস্পতিবার শপথের পরপরই এজলাসে বসেন। এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি জগলুল হায়দার আফ্রিক বেঞ্চে বেঞ্চে গিয়ে তাঁদের সংবর্ধনা দেন। এ সময় সরকারী আইন কর্মকর্তা এবং সরকার সমর্থক আইনজীবীরা তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। তবে সমিতির সভাপতি-সম্পাদকসহ একাংশ নতুন বিচারপতিদের অভিনন্দন জানানো থেকে বিরত থাকেন।
শপথ নেয়া অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে আগামী দুই বছর তাঁদের নিয়োগ কার্যকর থাকবে। যাঁরা শপথ নিয়েছেন তাঁরা হলেন বিচারপতি এসএইচ মোঃ নুরম্নল হুদা জায়গীরদার, বিচারপতি কে এম কামরম্নল কাদের, বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া, বিচারপতি মোসত্মফা জামাল ইসলাম, বিচারপতি মোহাম্মদ উলস্নাহ, বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকার, বিচারপতি একেএম শহিদুল হক, বিচারপতি শহিদুল করিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বিচারপতি আবু তাহের মোঃ মুজিবুর রহমান। এঁদের মধ্যে ৬ জনকে ৪ অক্টোবর এবং ৪ জনকে বুধবার নিয়োগ দেয়া হয়। এ দশ জন বিচারপতি নিয়ে বর্তমান হাইকোর্ট বিভাগকে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়াল ৯৮-তে।
এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, সাংবিধানিক পদের নিয়োগ নীতিমালা দিয়ে ঘেরাটোপে আবদ্ধ করা ঠিক হবে না। সর্বোচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ রম্নল ফ্রেম করে কন্ট্রোল করা যায় না। বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতির নীতিমালা প্রণয়নের দাবি প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ্যাটর্নর্ি জেনারেল এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, 'সুপী্রমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং সম্পাদক একটি দলের সমর্থক। ওই দলের সমর্থনেই তারা এসব বক্তব্য দিচ্ছেন। বিচারপতিদের চাকরি ক্যাডার সার্ভিসের কোন চাকরি নয়। অনেক জুনিয়র বিচারপতি দক্ষতার সঙ্গে বিচারকাজ করতে পারেন।' তিনি বলেন, 'যাঁদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাঁরা অবশ্যই দক্ষ এবং যোগ্য। সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, সরকার বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন নীতিমালা মানছে না। কোন ধরনের নীতিমালা ছাড়াই এ দশ জন বিচারপতিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্টের দক্ষিণ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেছেন।
আনন্দ র্যালি নাচগান আতশবাজির বর্ণিল অনুষ্ঠান
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
জবি রিপোর্টার ॥ শত বছরের পুরানো শিৰা প্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বৃহস্পতিবার উদ্যাপিত হয়েছে। কেক কাটা, আনন্দ র্যালি, নাচ গানসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্যাপন করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।
২০০৫ সালে ২০ অক্টোবর জাতীয় সংসদে আইন পাসের মধ্যেমে জগন্নাথ কলেজ পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে প্রতিবছর জাকজমকপূর্ণভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়ে আসছে। প্রতিবছরের তুলনায় এ বছরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন একটু ভিন্ন রকমের ছিল। ডা. মোসত্মফা জালাল মহিউদ্দিন এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ আকাশে বেলুন ও শানত্মির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে সকাল ১০টায় বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিৰাথর্ীরা রংবেরংয়ের পোশাক পরে র্যালিতে অংশগ্রহণ করে। এ সময় শিৰাথর্ীরা বাঁশি বাজিয়ে, নেচে গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পৰ থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলৰে মাথার টুপি সরবরাহ করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার হতে ক্যাম্পাস ঘুরে রায়সাহেব বাজার এবং ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ শেষে আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়েছে। র্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মোঃ সেলিম ভঁূইয়া, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ ওহিদুজ্জামান, গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমেদ, পরিচালক (ছাত্র-কল্যাণ) ড. অরম্নণ কুমার গোস্বামী, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সারফুদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. অশোক কুমার সাহা, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, শিক্ষক-ছাত্রছাত্রী-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়াও র্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা অংশগ্রহণ করেন। শিৰাথর্ীরা স্ব-স্ব বিভাগের ব্যানারে শিক্ষক-ছাত্রছাত্রী-কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন। র্যালিতে অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, '২৭(৪) ধারা নামে একটি কালোআইন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে অশানত্মির কারণ হয়ে দেখা দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর তা বাতিলের ঘোষণায় নিজেকে শিৰানুরাগী বলে প্রমাণ করেন। এখন আমরা শুধু সামনে এগিয়ে যেতে চাই'। এর পর বিভিন্ন বিভাগে কেক কেটে শিৰাথর্ীরা আনন্দের সূচনা করে। র্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিৰাথর্ীরা বিভিন্ন ভাগে ভাগ হয়ে আনন্দ করতে শুরম্ন করে। এ সময় তারা রং ছিটিয়ে আনন্দ করতে থাকে। তাদের এ আনন্দের সঙ্গে নতুন মাত্রা যোগ করেছে আতসবাজি। কিছু সময় পর পর হৃদয় কাপিয়ে শব্দ করতে থাকে আতসবাজি। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনও সাজানো হয় বর্ণিল সাজে। নানা রংয়ের কাগজের ফুল দিয়ে সাজানো হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনগুলো। এ সময় শিৰাথর্ীরা গাড়ির ভেতরে সাউন্ডবঙ্ দিয়ে গান বাজাতে থাকে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলৰে বিভিন্ন বিভাগের আয়োজনে দুপুরের খাবার সরবরাহ করা হয়। শিৰাথর্ীদের বাড়তি আনন্দ দেয়ার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রম্নপর্যালি ও স্কাউটিং কার্যক্রমের প্রদর্শনীর আয়োজন করে। উদীচী বাঙালীর প্রাচীন খেলা লাঠি খেলার আয়োজন করেন। বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার শিৰাথর্ীদের বিনামূল্যে রক্তের গ্রম্নপ নির্ণয় কর্মসূচী পালন করেন।