মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ৪ আগষ্ট ২০১১, ২০ শ্রাবণ ১৪১৮
তুমি রবে নীরবে...
আব্দুল্লাহ রায়হান
ক্লোজ-আপ ওয়ানখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আবিদ শাহরিয়ার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে মর্মানত্মিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন। তার সঙ্গে থাকা আরও দুই তরুণের মধ্যে মোক্তাকিমের মৃতদেহ আবিদের সঙ্গেই উদ্ধার করা হয়। অপর তরুণ আশিকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় রাত ১০টায়। তারা তিনজনই বিজ্ঞাপনী সংস্থা মাত্রার কর্মী। আবিদ কয়েক মাস আগে মাত্রায় যোগ দিয়েছিলেন। বিজ্ঞাপনী সংস্থা মাত্রার ৩৫ জনের একটি দল বিজ্ঞাপন নির্মাণের কাজে ২৮ জুলাই বৃহস্পতিবার কঙ্বাজার আসে। সুপরিচিত কণ্ঠশিল্পী আবিদ শাহরিয়ারসহ অপর দুই তরুণও ছিলেন এই দলের সদস্য। ২৯ জুলাই সন্ধ্যায় তার গোসল করতে যান কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী পয়েন্টে। এ সময় প্রবল স্রোতে তাদের তিন জনই ভেসে যান। স্থানীয় লোকজন ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা এ সময় আবিদ ও মোক্তাকিমকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে। তাদের দ্রম্নত কঙ্বাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার দু'জনকেই মৃত ঘোষণা করে। আশিকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় রাত ১০টায়।
সঙ্গীতশিল্পী আবিদ শাহরিয়ার ক্লোজ আপওয়ানের প্রথম আয়োজনের অন্যতম সেরা তারকা। রবীন্দ্র সঙ্গীতের জন্য তিনি সুপরিচিতি পেয়েছিলেন। আবিদ গানের পাশাপাশি ২০০৯ সালের ক্লোজ আপ ওয়ান ইভেন্ট উপস্থাপনায় ছিলেন। এছাড়াও দিগনত্ম টিলিভিশনের ফেনোলাইভ অনুষ্ঠানটিও তিনি উপস্থাপনা করেছেন।
আবিদ শাহরিয়ার জন্মগ্রহণ করেন খুলনায় ১৯৮৬ সালের ১৮ জুলাই। পাগলা হাওয়ার বাদল দিনে এই রবীন্দ্রসঙ্গীতটি গেয়ে ২০০৫-এ দর্শক- শ্রোতার মন ছুঁয়েছিলেন। হয়েছিলেন ক্লোজআপ তারকার ১০ জনের একজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গত বছর মার্কেটিংয়ে আবিদ এমবিএ সম্পন্ন করেন। চলতি বছর জানুয়ারিতে তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞাপনী সংস্থা মাত্রায় সিনিয়র এঙ্িিকউটিভ ক্লায়েন্ট সার্ভিস পদে যোগদান করেছিলেন।
আবিদের করা শেষ একক অ্যালবাম 'নব আনন্দে জাগো' প্রকাশ হবে আসছে রোজার ঈদে। এটি সাজানো হয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে। গত চার বছর ধরে অ্যালবামটি যত্ন নিয়ে তৈরি করেছেন প্রয়াত এই সঙ্গীতশিল্পী। এর সঙ্গীতায়োজন করেছেন মোসত্মাফা শাওন। নতুন এ অ্যালবামের একটি গানে আবিদকে নিয়ে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবী। তিনি বলেন, 'আবিদ আজ আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু গানের মাঝে বেঁচে থাকবে ও।' এটি বাজারে আনছে জি-সিরিজ। ২০০৯ সালে বসুধা আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট থেকে প্রকাশ হয় তার গাওয়া আধুনিক গানের একক অ্যালবাম 'ভালোবাসার প্রহর'। এর আগে ২০০৭ সালে প্রকাশ হয় তার কণ্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রথম একক অ্যালবাম এতো ভালোবাসি।
ভক্তদের ভালবাসায় আবিদ
সবার আগে আবিদের পরিচায় ছিল একজন মানুষ হিসেবে। এরপর তিনি হলেন শিল্পী। শিল্পী হয়ে তিনি জয় করেছেন লৰ লৰ সঙ্গীতপ্রেমীর হৃদয়। তাই তো তার মৃতু্যতে সারাদেশের মানুষ আজ শোকে মূহ্যমান। অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তার মৃতু্যর কথা শুনে। শুধু তার কণ্ঠের গান শুনে তাকে ভালবেসেছেন এমন অনেকেই রাতভর তার জন্য করেছেন প্রার্থনা। মানুষ যে মানুষকে কতটা ভালবাসতে পারে তা বোঝা যায় এসব মানুষের করা উক্তি থেকে। শিল্পী আবিদের সলিল সমাধির পর ফেসবুকে হাজারো মানুষ তাঁদের শোকের কথা জানিয়েছেন। জানিয়েছেন ভালবাসার কথা। এসব দেখে বোঝা যায় আবিদ মানুষের হৃদয়ে কতটা স্থান দখল করেছিল এত অল্প সময়ে।
ফেসবুকে সুনিয়া সানি্ন লিখেছেন হায় আবিদ, কেন তুমি এমন করলে? তুমি একবারও ভাবলে না তোমার পরিবারের কথা? আমাদের কথা? তুমি আমার অনেক প্রিয় একজন শিল্পী ছিলে। তোমার কি এখন খুব ভাল লাগছে?
সন্দিপন সানু_ আবিদ! আবিদ! আবিদ!... আবিদ তুমি আমাদের ছেড়ে কোথায় চলে গেলে? আমরা তোমাকে কি করে ভুলে থাকব?
মার্শিয়া রহমান_ দিবস ও রজনী আমি যেন কার আশায় বসে থাকি। রবীন্দ্রনাথের গান তোমার কণ্ঠে শুনে শুনে আমার সকাল হতো। এখন তুমি নেই আমি কি সেই গান শুনতে পারব। তুমি কোথায় চলে গেলে?
সাইফ আহমেদ_এ রকম খবর আমাদেরকে মর্মাহত করে সব সময়। আমরা আমাদের আকাশ থেকে আরও একটি নৰত্র হারিয়ে ফেলেছি। আলস্নাহ তাঁকে বেহেশত দান করম্নক।
সোহেল আরিফ_সমুদ্রের নোনা জলে তুমি ভেসে গেলে আমাদের থেকে অনেক দূরে। কিন্তু তোমার হাসি, গান, সুর, চঞ্চলতা, মৌনতা আজীবন থাকবে আমাদের হৃদয়ে। আলস্নাহ তোমায় স্বর্গ সুখে রাখুক।
মৃন্ময়ী হোসেন_ যদি কখনো আমায় মনে পড়ে যায়, খোলো দুয়ার আকাশে আমি তারাময়। যদি কখনো ছুঁতে ইচ্ছে হয় সাগর হয়ে আজ জড়াবো তোমায়। আবিদ আমরা তোমাকে খুব খুব মিস করছি।
আশিষ সেনগুপ্ত_আবিদ এভাবে চলে যাওয়া দুঃখজনক। সত্যি খুবই কষ্টদায়ক। তোমার সুন্দর হাসি যে আর আমরা কেউ দেখতে পাব না। আমি আর তোমার এ্যালবামের ফটোশূট করতে পারব না। স্টুডিওর আলোর নিচে দাঁড়িয়ে তুমি বিনয়ের সঙ্গে বলবে না_ 'দাদা চশমাটায় কি প্রবলেম হবে? তুমি আর কোনদিন আমার কাছে ছবি চাইবে না।
ফারিয়া খানম নাতাশা_সত্যি আমার এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে প্রিয় আবিদ ভাই আর আমাদের মাঝে নেই। সত্যিই বড় বেদনাদায়ক। কি করে ভুলব তাকে?
অনন্যা রম্নমা_তোমরা সবাই আবিদ ভাইয়ের জন্য অনেক দোয়া কর। আমরা ওর জন্য এর চেয়ে বেশি আর কি করতে পারি? মৃতু্যর পরের জীবনটা যেন ওর জন্য শানত্মিময় হয়।
অভি মঈনুদ্দীন_আবিদ আমাকে ডিরেক্টর সাহেব বলে ডাকত। আমি নাটক নির্মাণ করলে ও অভিনয় করবে। সেটাই বলা কত বেশি। কখনও কখনও বলত সাংবাদিক সাহেব_কবে থেকে শুরম্ন করবেন আপনার নাটক। আমি বলতাম_ ওয়েট আবিদ, ওয়েট। গত বৃহস্পতিবারই ওর সঙ্গে শেষ কথা। বড় বিনয় নিয়ে কথা বলত সে। এমন একটা মানুষ এভাবে চলে গেল ভাবতে পারি না। যেখানেই থাকুক সে সুখে থাকুক। ওয়াহিদুর রহমান_নৰত্র ঝরে গেল। বিধাতা এমন কেন কর? যারা তোমার পৃথিবীকে বেশি আলোকিত করবে তাদের কেন নিয়ে যাও?
আশিক রহমান_সত্যি অনেক বেশি খারাপ লাগছে। কেন তা বলতে পারছি না। মনে হচ্ছে খুব কাছের কেউ নেই। কখন যে তার কথা মনে করে চোখে পানি চলে আসে বুঝতেও পারি না।
শ্রাবণী আফরিন_কেন যে মানুষ এভাবে চলে যায়? তাহলে কেনই বা পৃথিবীতে আসে? আমরা এভাবে কাউকে হারাতে চাই না।
লিন্ডা দাশ_ব্রেকিং নিউজ দেখার পর থেকে সারারাত ঘুমাতে পারিনি আমি। বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। আমি শুধু ভাবছি কিভাবে এটা হলো। কি দোষ ছিল তার? আমি তার পরিবারের কথা ভেবে আরও কষ্ট পাচ্ছি। কি হচ্ছে পরিবারের সবার মনে তা বুঝতে বাকি নেই আমার। আমি তার গাওয়া রবীন্দ্রসঙ্গীত খুব পছন্দ করতাম। আবিদ খুব মিস করছি তোমাকে।
রফিকুল ইসলাম_তুমি আমার মনে আছ কিন্তু আমাদের সঙ্গে নেই এটা ভাবতে ভীষণ কষ্ট হয়। কেন এমন হলো ভাবতেই পারি না।
সায়েম আরভিজে_সিঙ্গার আবিদ আর নেই। কখনো সে আর অচেনা নম্বর থেকে ফোন করে দুষ্টুমি করবে না। বলবে না সায়েম ভাই আমি আপনার একজন ভক্ত। মিডিয়াতে আপনার ছোট ভাই, আমার নাম আবিদ। আমিও তাকে আর কোনদিন বলতে পারব না মিডিয়াতে আমিও অনেক ছোট আর তুই-ই আমার ছোট ভাই! লাভ ইউ আবিদ। যেখানেই থাকিস ভাল থাকিস।
সাদিয়া প্রিয়া_সকাল বেলা যে নিউজটা শুনে ঘুম ভাঙল সেটা হচ্ছে_আবিদ আর নেই। প্রথমে ভাবলাম ভুল শুনছি বা পত্রিকায় ভুল দেখছি। পরে যখন জানলাম যে নিউজটা সত্যি তখন আর নিজের চোখের পানি আটকাতে পারলাম না। কেননা প্রতিদিন সকালে তার গান শুনেই ঘুম ভাঙত আমার। সেই আবিদ আর নেই_এটা মানতে পারি না কোন মতেই। আমি প্রতিদিন আশা করি নিউজটা যেন মিথ্যে হয়। জানি এটা কোনদিন সম্ভব না।
টপ মডেল হাসিন
রওশন জাহান হাসিন রাজশাহীর লক্ষ্মীপুরের মেয়ে। ইতিহাস নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে পড়ছেন তিনি। ভিট-চ্যানেল আই সেরা টপ মডেল প্রতিযোগিতার খেতাব বিজয়ী হাসিন ধাঁপের পর ধাঁপ ডিঙিয়ে বিচারক আর দর্শকদের মন রাঙিয়ে মাথায় পরেছেন সেরা টপ মডেলের মুকুট। পেয়েছেন পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার। নিজেকে তৈরি করছেন শোবিজের রঙিন দুনিয়ার জন্য।
প্রায় সহাস্রাধিক প্রতিযোগী অংশ নেয় এ প্রতিযোগীতায়। তাদের মধ্য থেকে তিনি উঠে আসেন গ্রা- ফিনালেতে। অবশ্য এটিকে হাসিন তার জীবনের বড় সাফল্যই মনে করেন। তিনি ভেবেছিলেন গ্রান্ড ফিনালেই শেষ। তবে এরপর যে তিনি শিরোপা জয় করবেন এবং হবেন সেরা মডেল তা ভাবেন নি মোটেও।
সেরা টপ মডেলের খেতাব বিজয়ের অনুভূতির কথা জানাতে তিনি বলেন, কোনোদিন এতো ভালোবাসা, এতো সম্মান পাবো স্বপ্নেও ভাবি নি। আমার কাছে ব্যাপারটা এখনো রূপকথার গল্পের মতো মনে হচ্ছে। দেশের মানুষ, বিচারক, দর্শক আর অনুষ্ঠান সংশিস্নষ্ট সবাইকে এর জন্য জানাই অশেষ কৃতজ্ঞতা।
হাসিন রওশন জাহান এবারই প্রথম এ ধরণের কোন প্রতিযোগিতায অংশ নিয়েছেন। এর আগে কিছু ম্যাগাজিনের স্টিল ফটোগ্রাফির মডেল হয়েছেন।
এ ছাড়া শোবিজে কাজ করার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না তার। তিনি বলেন, ভিট-চ্যানেল আই সেরা টপ মডেল প্রতিযোগিতায় এসে আমি শিখেছি একজন মডেল কীভাবে নিজেকে প্রেজেন্ট করতে হয়, কীভাবে কথা বলতে হয় বা কীভাবে হাঁটতে হয়।
পুরস্কার পাওয়া ৫ লাখ টাকা দিয়ে কী করবেন? প্রশ্নটির উত্তরে হাসিন বলেন, এই টাকার কিছু অংশ দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত মেয়েদের জন্য কিছু করতে চাই। আমাদের দেশে অনেক মেয়েই রয়েছেন যারা স্বাবলম্বী হতে চায়। কিন্তু মূলধন আর সুযোগের অভাবে তারা স্বাবলম্বী হতে পারছে না। আমি তাদের নিজের পায়ে দাঁডাতে সহযোগিতা করতে চাই। ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে হাসিন বলেন, মনে হচ্ছে সেরা টপ মডেল খেতাব পাওয়ায় নতুন আরেক জীবন আমি শুরম্ন করলাম। এখনো নিজের ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে ভাবার সময় করে উঠতে পারি নি। তবে যেহেতু আমি টপ মডেল খেতাব অর্জন করেছি তাই সবার আগে মডেলিংয়েই জোর দিতে চাই। মডেল হিসেবে একটা পর্যায়ে পৌছে যাবার পর অভিনয় নিয়ে ভাববো।
মঞ্চ নাটকে অনুদান রবীন্দ্রনাট্যের সূত্রসন্ধান
রবীন্দ্র সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলৰে ১৪ দিনে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে একযোগে মঞ্চস্থ হয় ১৪টি নাটক। এ সব নাটক কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের চিন্তা-চেতনাকে নিয়ে। মঞ্চ নাটকে বেসরকারী পৃষ্ঠপোষকতা কালেভদ্রে মিললেও তা আলোচনার পর্যায়ে নয়। অন্যদিকে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতাও উলেস্নখযোগ্য পর্যায়ে কোনদিনই ছিল না। এই নিয়ে গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন কম চেষ্টা করেনি। অবশেষে সরকারের সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় দেরিতে হলেও মঞ্চের পৃষ্ঠপোষকতার দিকে নজর দিয়েছে। চালু করেছে অনুদান প্রথা। এই প্রথা মঞ্চের ইতিহাসে প্রথম না হলেও এবারের অনুদানের অঙ্কটি ছিল মঞ্চকর্মীদের জন্য উৎসাহজনক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশততম জন্মবার্ষিকী উপলৰে কবিগুরম্নর ১৪টি নাটকে দেয়া হয়েছে এ অনুদান। এই নিয়ে প্রশ্নও রয়েছে। কেন শুধু রবীন্দ্রনাথের নাটকেই এ অনুদান দেয়া হলো? অনুদান কমিটির অন্যতম সদস্য ঝুনা চৌধুরী বলেন, গত মে মাসে অনুদান প্রদান করা হয়েছিল। তখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশততম জন্মবার্ষিকী ছিল। যে কারণে রবীন্দ্রনাথের নাটকগুলোর মাঝেই অনুদানের অর্থ ভাগবাটোয়ারা করে দিয়েছি। এরপর সরকারী সহযোগিতা আবারও যখন পাওয়া যাবে তখন পর্যায়ক্রমে অন্যদের মাঝে বণ্টন করা হবে। এবারের অনুদান কমিটিতে ছিলেন ঝুনা চৌধুরী, রামেন্দু মজুমদার, লিয়াকত আলী লাকি, মামুনুর রশীদ ও আতাউর রহমান।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৪টি নাটক পরিবেশন করে বিভিন্ন নাট্যদল। তারা হলো_পালাকার, নাট্যধারা, স্বপ্নদল, মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়, মণিপুরী থিয়েটার, নাগরিক নাট্যাঙ্গন, মুক্তধারা থিয়েটার, ঢাকা থিয়েটার, দ্যাশ বাঙলা থিয়েটার, তির্ষক থিয়েটার, গণায়ন নাট্য সম্প্রদায়, লোকনাট্যদল (বনানী) পদাতিক নাট্যসংসদ (টিএসসি) ঢাকা পদাতিক।
নাটক 'বৈকুণ্ঠের খাতা'। ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির লৰ্যে দুষ্টলোকের তোষামোদ এবং এর ফলে সামাজিক বা পারিবারিক যে বিপর্যয় তাই হচ্ছে নাটকের মূল উপজীব্য। 'কালের যাত্রা'য় নিচু জাতের লোকদের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। তারা সব সময় অবহেলিত। সবাই তাদের অবহেলা করে। এই অবহেলিত লোকদের দ্বারাই একদিন আলোচিত সেই রথযাত্রা হয়। 'আপদ' একটি জমিদার বাড়ির হাসিকান্না আনন্দকে কেন্দ্র করেই রচিত। 'মুক্তধারা' হচ্ছে ঝরনার জলস্রোত। মুক্তধারার দ্বন্দ্ব মূলত যন্ত্রের সঙ্গে মানবিকতা। যন্ত্র স্বাধীন শক্তি নয়, মানুষের কর্মের সহায়ক মাত্র। মুক্তধারার জলপ্রবাহ গতিমান জীবনের প্রতীক। 'রাজা' নাটকের ভাববস্তু রূপের সাধনা ও অরূপের আরাধনা নিয়ে গড়ে উঠেছে। অন্ধকার ঘরে অদৃশ্য রাজা আসীম অননত্মের প্রতীক। তিনিই এ নাটকের কেন্দ্রবিন্দু। 'নষ্টনীড়' নাটকে ভূপতি সারাদিন সংবাদপত্রের কাজ নিয়ে ব্যসত্ম। ইত্যবসরে অমলের সঙ্গে চারম্নলতার সখ্য গড়ে ওঠে। প্রেমে ভালবাসার আর্তনাদ ও অভাব অনটনের মূল উপজীব্য নষ্টনীড়। 'মুক্তির উপায়' নাটকে মুক্তির উন্মাদনা মানুষের মাঝে প্রবল। ঘরে মুক্তি নাকি বাইরে মুক্তি-এ নিয়ে মানুষ হতাশায় ভোগে। মুক্তির জন্য মানুষ দূর-দূরানত্মে ছুটে বেড়ায়। পাহাড়, জঙ্গল, নদী পার হয়ে যায় নিঝুম অরণ্যে আসল মুক্তির লৰ্যে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে মুক্তির উপায় কিসে? কি করলে মুক্তি পাওয়া যায়।
রবীন্দ্রনাথ তার নিপুণ হাতে চমৎকার এ সৃষ্টি উপহার দিয়েছেন আমাদের। নাটক-'রথের রশি' রাজ্যে সে দিন রথযাত্রার উৎসব। সকাল থেকেই লোক জমতে শুরম্ন করেছে। দূর-দূরানত্ম থেকে তারা আসছে। কিন্তু রথ এগোচ্ছে না। রথের দড়ি টানা তাদের কাজ, তারা দড়ি টেনেও রথ নাড়াতে পারেনি। পুরোহিতদের মন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে রথের কাজে। রাজ্যে আশঙ্কায় চাপা-আর্তনাদ দেশের অমঙ্গল আশঙ্কায় সবাই উদ্বিগ্ন। অবশেষে শ্রমিকরা এলো, পুরোহিত, সৈনিক ও ধনিকদের নিষেধ সত্ত্বেও রশি টানা আরম্ভ করল। সবাইকে বিস্মিত করে রথ যেন সাড়া দিল। কিন্তু রথ রাজপথে চলছে না। পুরোহিতের কথা সঠিক না হলেও অবশেষে কবির কথাই সত্যি হলো। নাটক-'চিত্রাঙ্গদা' বীর অর্জন সত্য পালনের জন্য এক যুগ ব্রহ্মচার্যব্রত গ্রহণ করে মণিপুর বনে এসেছেন। চিত্রাঙ্গদা অর্জুনের প্রেমে অন্ধ হলে রূপহীন চিত্রাঙ্গদাকে অর্জুন প্রত্যাখ্যান করেন। চিত্রাঙ্গদা প্রেমের দেবতা মদন এবং যৌবনের দেবতা বসনত্মের সহায়তায় এক বছরের জন্য অপরূপ সুন্দরীতে রূপানত্মরিত হয়। এবার অজর্ুন ঠিকই তার প্রেমে অনুরক্ত হয়ে পড়েন। অর্জুনকে লাভ করেও চিত্রাঙ্গদা দ্বন্দ্বে ৰত-বিৰত হতে থাকেন। অর্জুন প্রকৃতপৰে কী ভালবাসে, চিত্রাঙ্গদার বাহ্যিক রূপ নাকি প্রকৃত অসত্মিত্বকে। চিত্রাঙ্গদা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যনাটক। নাটক 'দেবতার গ্রাস' ধর্ম ও সংস্কারের অন্ধত্ব থেকে মানুষের আত্মমুক্তি ঘোষণা করে চিরনত্মন স্বরে। স্বামীহারা মা সনত্মানকে কাছে না পাওয়ার বেদনা বুকে নিয়ে সংসারে মুক্তি খোঁজে। পাড়ার পুরোহিত তীর্থে যাচ্ছেন। সমুদ্রচারী সেই ঠাকুরের সঙ্গে তীর্থে যেতে চান এক মা, সনত্মান ছোট বলে তাতে রাজি নন পুরোহিত। শুরম্ন হয় নতুন সঙ্কট। 'নিশিমন বিসর্জন' নাটকে রবীন্দ্রনাথ ধর্মের নামে প্রাণ হত্যার বিরম্নদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ রচনা করেছেন। রবীন্দ্রনাথ তার সময়কার কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধর্মচিত্র তুলে ধরে পাশাপাশি হয়ত বা সম্মুখ বাসত্মবতা কবিচোখে দেখেছিলেন। তাইতো ধর্মের নামে প্রাণ হত্যার বিরোধিতা করেছেন। সব মিলিয়ে নাটকগুলো এ সময়ের বহুল আলোচিত।
খ. এনামুল হক মুকুল
চলে গেলেন কিংবদন্তি নায়ক
ঢাকার উত্তরার ক্রিসেন্ট হসপিটালে ইনত্মেকাল করেছেন দেশীয় চলচ্চিত্রের একুশে পদকপ্রাপ্ত কিংবদন্তি নায়ক আমিনুল হক। গত ১ জুলাই তিনি ৯২ বছরে পা দিয়েছিলেন। বিগত বেশ কিছুদিন যাবত তিনি হৃদরোগে ভুগছিলেন। গত তিন দিন আগে ফুসফুসে সমস্যাজনিত কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনিত ঘটলে তাঁকে আর বাসায় নেয়া হয়নি। তাঁকে যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালেই তিনি তাঁর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। আমিনুল হক স্ত্রী পিয়ারী বেগম এবং একমাত্র সনত্মান রবিউল আলমকে রেখে গেছেন। রবিউল আলম বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। কিংবদনত্মি এই নায়কের মৃতু্যতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রাঙ্গনসহ গোটা সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া। তবে আমিনুল হকের লাশ এফডিসিতে আনা হয়নি। এ প্রসঙ্গে আমিনুল হকের ছেলে রবিউল আলম বলেন, 'ইচ্ছে ছিল বাবার লাশ তাঁর দীর্ঘদিনের কর্মস্থল এফডিসিতে নেবার। কিন্তু ঢাকা শহরে যানজটের যা অবস্থা তাতে লাশ দাফন করতে অনেক দেরি হয়ে যাবে। তাই পরিবারের সবার সম্মতিতেই বাবার লাশ এফডিসিতে নেয়া হয়নি। ' গতকাল উত্তরার তিন নম্বর সেক্টরের ১২ নং রোডের বাসারটেক জামে মসজিদে অর্থাৎ যে মসজিদে আমিনুল হক সবসময় নামাজ পড়তেন সেই মসজিদে বাদ আছর জানাজা নামাজ শেষে ১২ নং সেক্টরের সিটি করপোরেশন কবরস্থানেই আমিনুল হককে দাফন করা হয়। আমিনুল হকের জন্ম ১৯২১ সালের ১ জুলাই, কলকাতায়। ১৯৪৪ সালে শিশির কুমার ভাদুড়ির নির্দেশনায় তাঁর অভিনয়ে হাতেখড়ি। কলকাতার শ্রীরঙ্গন থিয়েটারেই তাঁর অভিনয় জীবন শুরম্ন। ১৯৪৫ সালে বাবু প্রণব রায় রচিত ও বাবু ফনী বর্মন পরিচালিত মন্দিও ছবিতে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। ১৯৪৪-৪৬ সাল পর্যনত্ম তিনি কলকাতা মেহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে প্রথম ডিভিশনে ফুটবল খেলতেন। এরপর তিনি ঢাকায় চলে আসেন। বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ ছবিতে তিনি এদেশে প্রথম অভিনয় করেন। এফডিসির প্রথম ছবি 'আকাশ আর মাটি' তে তিনি নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন। এরপর পরপর পাঁচটি ছবিতে নায়কের ভূমিকায় এবং পরবর্তীতে আরও প্রায় ত্রিশটি ছবিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৬১সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যনত্ম বুলবুল একাডেমী অব ফাইনি আর্টস (বাফা) এর নাটক বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকে তিনি অভিনেতা, নাট্যকার এবং নির্দেশক হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৯১ সালে আমিনুল হক নাটকে একুশে পদক লাভ করেন।
অভি মঈনুদ্দীন
বলিউডজুড়ে বাপ-বেটার শাসন
বলিউডের জীবন্ত কিংবদনত্মি 'বিগ-বি'খ্যাত মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন। ১৯৬৯-এ 'সাত হিন্দুসত্মানি' ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিনয় শুরম্ন করেন তিনি। তার অভিনীত জাদুগর, দোসত্মানা, কালিয়া, শোলে, তুফান ইত্যাদি ছবি একের পর এক হিট হয়। ছেলে অভিষেক বচ্চনও বাবার পথ ধরেই ফিল্মী দুনিয়ার পথে হাঁটছেন। যদিও বাবার মতো সফলতা এখনও পায়নি অভিষেক। তবে বাবা-ছেলে মিলে বেশ কয়টি ছবি করেছেন। যার মধ্যে পা, ফালতু, শূটআউট, কাভি আলভিদা না কেহনা উলেস্নখযোগ্য।
এবার বলি রাকেশ রোশনের কথা। রাকেশ রোশন একাধারে প্রযোজক, পরিচালক ও অভিনেতা। ছেলে ঋতি্বক রোশন সফল অভিনেতা। বাবা রাকেশ রোশনের নির্মিত 'কাহো না পেয়ার হে' ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় ঋতি্বক রোশনের। প্রথম ছবি দিয়েই হিট হন এবং নতুন প্রজন্মের কাছে অসাধারণ অভিনয় ও নাচে পারদশর্ী এই হিরো সহজেই জায়গা করে নেন।

এরপর বাপ-বেটার ম্যাজিক শুরু হয় বলিউডে এবং পর পর বাবার কিছু ছবিতে অভিনয় করেন। যার মধ্যে সুপারহিট ছবি হলো কই মিল গ্যায়া, কৃষ, ক্রেজী-৪ ইত্যাদি।
প্রায় ৬ দশক ধরে ঐতিহ্যবাহী কাপুর পরিবার বলিউডে রাজত্ব করে চলছে। ঋষি কাপুর ছিলেন তার সময়কার সুদর্শন ও হার্টথ্রব হিরো। এই নীল চোখ ও গোলাপী ঠোঁটের হিরোর জন্য মেয়ে দর্শকরা পাগলপ্রায় ছিল। আর এখন ছেলে রণবীর কাপুর বলিউডের হার্টথ্রব হিরো। বলিউডের সবাই বলেন তরম্নণ বয়সের ঋষি কাপুরের কার্বন কপি হচ্ছে রণবীর কাপুর। সাভারিয়া ছবির মাধ্যমে রণবীর কাপুর বলিইডে পা রাখেন আর এ ছবিতে তার সঙ্গে ছিল অনীল কাপুরের মেয়ে সোনম কাপুর।
বলিউড ইন্ডাস্ট্রির বিখ্যাত লেখক, গীতিকার, সুরকার জাভেদ আখতার যার লেখা মানেই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এবং তার ছেলে ফারহান আখতারও অভিনয় জগতে ভালই জায়গা করে নিয়েছেন।
ইয়াশ চোপড়া ও আদিত্য চোপড়া বাপ-বেটা দুজনেই বলিউডের নামকরা ও প্রতিষ্ঠিত ছবি নির্মাতা। বলিউডে কথিত আছে এ দুজন যা কিছুই নির্মাণ করেন তা স্বর্ণে পরিণত হয়। তাদের ডর, দিল তো পাগল হ্যায়, ভির-যারা ইত্যাদি ছবির ব্যবসায়িক সাফল্য তারই প্রমাণ। ইয়াশরাজ প্রযোজনা সংস্থা ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বড় ও সফল ছবি নির্মাণের কোম্পানি।
ধর্মেন্দ্র সত্তরের দশকে তিনি ছিলেন হার্টথ্রব অভিনেতা আর বর্তমানে তার দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল বলিউডের প্রতিষ্ঠিত আভিনেতা। তবে বড় ছেলে সানি দেওল বলিউডে বেশ সফল অভিনয় করেছেন।
কুনাল কাপুর হচ্ছেন বলিউডের আরেক অভিনেতা শশী কাপুরের ছেলে। কুনাল কাপুর ১৯৭২ সালে ইংরেজী ভাষায় নির্মিত ছবি 'সিদ্ধার্থ' দিয়ে অভিনয়ে আসেন। জিতেন্দ্র একশটির বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন আর ছেলে তুষার কাপুরও এখন অভিনয় করছেন। তার উলেস্নখযোগ্য ছবি হলো মুঝে কুচ কেহনা হে, গোলমাল ইত্যাদি।
বিনোদ খান্না একাধারে অভিনেতা, প্রযোজক, রাজনীতিবিদ। তিনি তার ক্যারিয়ার শুরম্ন করেন ভিলেন চরিত্র দিয়ে এবং এখনও তিনি অভিনয় করে যাচ্ছেন। তার দুই ছেলে অক্ষয় খান্না, রাহুল খান্নাও অভিনয়ের সঙ্গে জড়িত। অক্ষয় খান্নার কিছু হিট ছবি হলো বর্ডার, দিল চাহতা হে, তাল ইত্যাদি।
প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতা সঞ্জয় খান অনেক ব্যবসাসফল ছবিতে একসময় অভিনয় করেছেন। যার মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হলো হাকিকত, এক ফুল দো মালি, নাগিন উলেস্নখ্য। তিনি টেলিভিশনের 'দি সোর্ড অব টিপু সুলতান' নির্মাণ করেছিলেন। তার ছেলে জায়েদ খান এখন বলিউডের সফল হিরো।
আরেক সুদর্শন অভিনেতা ফারদিন খান হচ্ছেন বলিউডের এক সময়কার বিখ্যাত অভিনেতা ও পরিচালক ফিরোজ খানের ছেলে। ফারদিন খান 'প্রেম আগান' ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে আসেন। তার সুপারহিট ছবির মধ্যে রয়েছে খুশি, শাদি নাম্বার ওয়ান, কিতনে দূর কিতনে পাস, নো এন্ট্রি, হেই বেবি ইত্যাদি।
প্রস্তুত কারিশমা কাপুর
বিয়ের পর দীর্ঘ বিরতি দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন কারিশমা কাপুর বলিউড থেকে হারিয়ে গেছেন। তবে তিনি যে হারান নি তা জেনে কারিশমা ভক্তদের প্রাণে স্বসত্মি এসেছে নিশ্চয়ই। ইতোমধ্যেই তিনি বিক্রম ভাটের থ্রিডি হরর ছবি 'ডেঞ্জারাস ইশক'-এ কেন্দ্রীয় চরিত্রের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। পাশাপাশি সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার পরবর্তী ছবি 'হাউসফুল ২'-এর একটি আইটেম গানের মডেল হওয়ারও প্রসত্মাব পেয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে বলা যায় কারিশমার সুদিন ফিরে আসছে। এ চলচ্চিত্রে আইটেম গানের জন্য রানী মুখার্জীকে নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু রানী ইতিবাচক সাড়া না দেয়ায় কারিশমাকে নেয়ার কথা জানান ছবির প্রযোজক সাজিদ।
উলেস্নখ্য, কারিশমা এবং সাজিদ খুবই ভাল বন্ধু। 'জিত' এবং 'জুড়ুয়া'র মতো হিট ছবিতে তারা এক সঙ্গে কাজ করেছিলেন। সমপ্রতি রানীর কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে কারিশমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন সাজিদ। কারণ তিনি মনে করেন, কারিশমা এখনও আগের মতোই আবেদনময়ী রয়েছেন। কারিশমার মত দীর্ঘ বিরতি দিয়ে 'বুড্ঢা হোগা তেরা বাপ' ছবির একটি আইটেম গান দিয়েই সমপ্রতি বলিউডে সফল প্রত্যাবর্তন ঘটেছে আরেক অভিনেত্রী রাভিনা ট্যান্ডনের। গানটির জন্য তিনি ভক্তদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। এখন দেখার বিষয় হলো, রাভিনার মতো জাদু দেখিয়ে কারিশমাও তার ভক্তদের বিমোহিত করতে পারেন কিনা!
সবকিছু ঠিক থাকলে রিমেকে হেমামালিনী অভিনীত চরিত্রটিতে এবার অভিনয় করবেন কারিশমা। ছবির প্রযোজক সঞ্জয় দত্ত এবং পরিচালক সোহম শাহ ইতোমধ্যেই ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য কারিশমা কাপুরকে অনুরোধ করেছেন। জানা গেছে, এই মুহূর্তে ছবিটির স্ক্রিপ্ট পড়ছেন কারিশমা। ছবিটি করার ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আগ্রহী বলেও জানা গেছে। যদিও 'সাত্তে পে সাত্তা' ছবির রিমেকে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং বিদ্যা বালানকে নেয়ার কথা ছিল। তাদের কাউকে নিতে না পেরে এবারে কারিশমা কাপুরকে নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেই জানা গেছে। ছবিটির জন্য আদর্শ ভারতীয় একটি মুখ খুঁজছিলেন সঞ্জয়। এক্ষেত্রে তার প্রথম পছন্দ ছিল ঐশ্বরিয়া। তাকে প্রসত্মাবও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি রাজি না হওয়ায় সঞ্জু 'লাগে রাহো মুন্নাভাই' ছবিতে তার সহ-অভিনেত্রী বিদ্যা বালানের দ্বারস্থ হন। কিন্তু বিদ্যাও হতাশ করেন তাকে। এদিকে জানা গেছে, বিদ্যাকে প্রসত্মাব দেয়ার কয়েকদিন আগে কারিশমাকে প্রসত্মাব দিয়েছিলেন সঞ্জয়। বলিউডে প্রত্যাবর্তনের কোনরকম ইচ্ছে নেই_ এমন অজুহাতে প্রসত্মাবটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু এর পরপরই নিজের সিদ্ধানত্ম পরিবর্তন করেন কারিশমা। তিনি বিক্রম ভাটের 'ডেঞ্জারাস ইশক' ছবিতে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বলিউড ফেরার সিদ্ধানত্ম নেন। এরপর আবারও সঞ্জুবাবা কারিশমার দরজায় কড়া নাড়েন এবং শেষ পর্যনত্ম সফল হন। ছবিটিতে কাজ করার ব্যাপারে সঞ্জয়কে সবুজ সংকেত দিয়েছেন কারিশমা। জানা গেছে, আগামী সপ্তাহেই নিজের চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্মের কথা জানিয়ে দেবেন লোলো।
সব মিলিয়ে বরা চলে কারিশমা কাপুর একটু সচেতন হলেই বলিউডে নিজের জায়গা দখল করে নিতে পারবে অনায়াসেই।
২৫ বছরে অবসকিউর
১৯৮৬ সালে খুলনায় যাত্রা শুরু করেছিল অবসকিউর। সেই মিউজিক্যাল ব্যান্ডের বয়স এখন ২৫।
টিপু'র ছেলেবেলাটা আর দশজনের মতোই কেটেছে। নিজের মনে গান করতেন। গলা খুলে ইংরেজি গানই বেশি করতেন তিনি। স্কুল কলেজে গানের জন্য বিখ্যাতই ছিলেন টিপু। বন্ধুরা টিপুকে পেলেই জেঁকে ধরত গান গাওয়ার জন্য। বন্ধুদের হতাশ না করে তিনি একটার পর একটা গান গেয়েই চলতেন। যখন কলেজে পড়তেন তখন প্রায়ই ক্লাসমেটদের সঙ্গে রিকশায় ঘুরে বেড়াতেন শহরের রাসত্মায়। তখন এটাই ছিল তাদের এক ধরনের আনন্দ করার মাধ্যম। রিকশা যেমন চলতে থাকত, তেমনি চলত পালা করে গান গাওয়া। মানাম আহমেদ ছিলেন টিপুর সহপাঠী। তিনিও গান করতেন। তখন ১৯৮৪ সাল। একদিন মানাম আহমেদ টিপুকে প্রসত্মাব দেন ব্যান্ডে যোগ দিতে। ব্যান্ড সঙ্গীতের স্বর্ণযুগে নিজেকে যুক্ত করতে দ্বিধা করলেন না টিপু। তিনি যোগ দিলেন চাইমে। এর জন্য টিএসসিতে অডিশন হয়। সিলেক্ট হওয়ার পর থেকে চাইমে ইংরেজি গান গাইতে শুরম্ন করেন টিপু।'
তবে তিনি খুব বেশি দিন ছিলেন না চাইমে। বছরখানেক পর তিনি উপলব্ধি করলেন, তার বাংলা গান করা উচিত। নিজের একটি ব্যান্ড গড়ে তুলবেন বলেও সিদ্ধানত্ম নিলেন। অনেক ভেবে-চিনত্মে তিনি জন্মস্থান খুলনায় চলে গেলেন। সেখানেই কয়েকজন মিলে তৈরি করলেন একটি ব্যান্ড। নাম দিলেন অবসকিউর। এমন নামকরণের কারণ সম্পর্কে টিপু বললেন, 'অবসকিউর মানে অস্বচ্ছ বা অস্পষ্ট। আমরা লুকিয়ে থাকা জনপ্রিয়তা অর্থে নামটি ব্যবহার করি। তখন একটি হারমোনিয়াম এবং গিটার নিয়ে ব্যান্ড তৈরি করেছিলাম। বাড়ির নিচের একটি পরিত্যক্ত ঘরে আমরা প্র্যাকটিস করতাম।'
ব্যান্ড গঠনের পর তারা ৩০টি গান তৈরি করে ফেলেন। এরপর সারগাম স্টুডিওর রেকর্ডারের সঙ্গে পরিচয় হয় টিপুর। অবসকিউরের গান শুনে মুগ্ধ হয়ে যান তিনি। গান রেকর্ডিং করে ক্যাসেট বের করার কথা বলেন তিনি। এমন অসাধারণ সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি টিপু।
টিপু জানালেন, 'গান আমি কখনোই পেশা হিসেবে নিইনি। তবে সেই সময় শ্রোতাদের কাছে পৌঁছনোর এমন সুযোগ আমরা কাজে লাগিয়েছিলাম। আমরা দুই রাতেই এ্যালবামটির কাজ শেষ করি। প্রথম দিনে মিউজিক করে দ্বিতীয় রাতে বারোটি গানে কণ্ঠ দিই আমি। আমাদেরও প্রথম এ্যালবাম বের হলো এবং একইসঙ্গে যাত্রা শুরম্ন করল সারগাম।'
অবসকিউর তাদের প্রথম এ্যালবামেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। দ্বিতীয় এ্যালবামের পর লম্বা বিরতি নেয়। ১৯৮৬ সালে যাত্রা শুরম্ন করে ১৯৯১ সালে এসে ব্যান্ড সদস্যের অভাবে বন্ধ হয়ে যায় অবসকিউরের কার্যক্রম। ব্যান্ডের অধিকাংশ সদস্য দেশের বাইরে চলে যাওয়ায় ব্যান্ডে নতুন কাউকে না নিয়ে বরং তাদের জন্য দু'বছর অপেক্ষা করতে চেয়েছিলেন টিপু। দু'বছর দু'বছর করে দশ বছর পেরিয়ে গেল। কিন্তু কেউ ফিরে এলেন না। তারপর ২০০১ সালে আবারও নতুন কিছু সদস্য নিয়ে ফিরে এলো অবসকিউর।
একটা এ্যালবামও বের করেন সে সময়। কিন্তু ছাড়া ছাড়া ভাবে চলছিল ব্যান্ডটা। এ নাই, ও নাই করে তো ব্যান্ড চালানো যায় না। তাই আবারও বন্ধ হয়ে গেল ব্যান্ডের কার্যক্রম। তবে স্বপ্নটা ছিল যে অবসকিউর আবারও ঠিকই দাঁড়াবে। তাই ২০০৭ সালে রীতিমতো যুদ্ধ করে আবারও ফেরানো হলো অবসকিউর এবং এবারের যাত্রাটা বেশ মসৃণ। সবাই মিলেমিশে ব্যান্ড করছেন। সবাই গান নিয়ে ভাবছেন। সুর বসিয়ে এ্যালবামও করছেন। এ কয় বছরে তাদের দুটি এ্যালবাম এসেছে। ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন শ্রোতা মহল থেকে।
আলোচিত সেলিনা গোমেজ
বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী জাস্টিন বিবারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে একের পর এক জন্ম দিচ্ছেন নানা আলোচনা সমালোচনার। জাস্টিন বিবার সম্পর্কের শুরু থেকেই বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে আসছেন সেলিনাকে। কিন্তু সেলিনা এখনই বিয়েতে রাজি নন। একটি সংবাদ মাধ্যমের বরাতে জানা যায়, হলিউডের টিনেজ সেলিব্রিটি সেলিনা গোমেজ তাঁর বয়ফ্রেন্ড জাস্টিন বিবারের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে জড়াতে এখনই রাজি নন। যদিও তাদের দুজনের মধ্যে চলছে জমজমাট রোমান্স। এই সম্পর্কের বিষয়টি তারা কেউই গোপন করেননি। হলিউডের সব পত্রপত্রিকায় নিয়মিত রসাল খবর হিসেবেই মানুষ এটি পড়ছেন। সেলিনা গোমেজের বর্তমান বয়স ১৯ বছর । বিয়ে নিয়ে আমেরিকান এই সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেত্রী বলেন, বিয়ের বাঁধনে নিজেকে বাঁধার মতো বয়স এখনও আমার হয়নি। বয়ফ্রেন্ড জাস্টিন বিবারকে ভবিষ্যতে বিয়ে করবেন কিনা, এই বিষয়টি তার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, 'না। আমি এখনও মাত্র ১৯! এটি কখনও বিয়ে করার বয়স হতে পারে না।'
অন্যদিকে ১৭ বছর বয়সী পপতারকা নিক জোনসের সঙ্গেও গোমেজের ডেটিংয়ের কথা শোনা গেছে। আবার 'ট্রান্সফরমার' ছবিটির অভিনেতা সিয়া লাবিউফকে নিজের আইডল হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাঁকে দেখে গোমেজ তাঁর স্টারস্ট্রাক পরিত্যাগ করতেও দ্বিধাবোধ করেননি। এ নিয়ে বিবার সন্দেহ পোষন করলেও তিনি কোনও মনত্মব্য করেন নি বলে জানান হলিউড সংবাদ সংস্থা।
ইন্টারনেটের মাধ্যমেই মাত্র অল্প কিছুদিন আগে গায়িকা-অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজ আর পপ সেনসেশন জাস্টিন বিবার দুজনের প্রেমের বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন। তাঁদের ঘনিষ্ঠতার ছবি আর গল্পে ইন্টারনেট মিডিয়া রয়েছে সরগরম। কিন্তু ইন্টারনেটে সেলেনা ও বিবারের সম্পর্কে বিরূপ মন্ব্য করছেন বিবার ভক্তরা। নানা রকম কটু মনত্মব্য ছুড়ছেন সেলনাকে। ভক্তদের জ্বালায় বিরক্ত সেলেনা গোমেজ সমপ্রতি ইন্টারনেট ব্যবহার করাই ছেড়ে দিয়েছেন। বিবার-সেলেনা প্রেমে ঈর্ষান্বিত বিবার ভক্তদের অনলাইনে করা নোংরা মনত্মব্যের জ্বালাতেই ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছেন বলেও জানা যায়।
বিবার ভক্তদের অশালীন মনত্মব্যে কষ্ট পেয়ে সেলেনা বলেন, 'এটি খুবই বাজে প্রাকটিস। যা আমার কাছে অদ্ভূত ও কুরম্নচিপূর্ণ মনে হয়েছে! এসবে আমি একেবারেই গা লাগাইনি, আমি আমার মতো স্বাভাবিক থাকারই চেষ্টা করেছি।' অন্যদিকে ম্যাগাজিনগুলোও ছাপছেন নানা ধরনের গসিপ। এ নিয়ে সেলেনা আরও বলেছেন, 'আমি চেষ্টা করছি ম্যাগাজিন না পড়ে আর অনলাইন ব্যবহার না করে থাকার!
পাঁচমিশালী
জুলিয়ার সুগন্ধির বিজ্ঞাপনটি নিষিদ্ধ
হলিউডি অভিনেত্রী জুলিয়া রবার্টস সমপ্রতি একটি প্রসাধনী পণ্যের বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছিলেন । জানা যায় এই বিজ্ঞাপনে ডিজিটাল কারসাজি করা হয়েছে। আর সেটি হচ্ছে ডিজিটাল সফটওয়ারের মাধ্যমে তাঁকে অতিরিক্ত সুন্দরী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিক্তিতে ব্রিটেনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিজ্ঞাপনটিকে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ল'রেলের এই বিজ্ঞাপনে জুলিয়ার ছবিতে ফটোশপ ব্যবহার করে এতটাই পরিবর্তন করা হয়েছে যে, যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞাপন রীতির বাইরে চলে গেছে সেটি। ছবিতে তাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিজ্ঞাপনে যেমনটা দেখানো হয়েছে এমন কোন সাক্ষ্যপ্রমাণ ল'রেল দেখাতে পারবে না। জানা গেছে, এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের এ্যাডভার্টাইজিং স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সির সিইও গাই পার্কার বলেছেন, জুলিয়া রবার্টস এমনিতেই দেখতে সুন্দর। কিন্তু বিজ্ঞাপনটির ছবিতে ফটোশপ ব্যবহার করে মাত্রাতিরিক্ত সুন্দর দেখানো হয়েছে তাঁকে। বিজ্ঞাপনটিতে দাবি করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির পণ্য ব্যবহার করলে এমনই অনিন্দ্য সুন্দর হওয়া যাবে। ব্যাপারটি ক্রেতাদেরকে বিভ্রানত্ম করতে পারে। এ কারণেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিজ্ঞাপনটি।' তবে লরেল এই নিয়ে এখনও কোন মনত্মব্য করেন নি।

অলিম্পিক আসরের উদ্বোধনী গান গাইবেন ম্যাকার্টনি
বিশ্ব জুড়ে এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন সঙ্গীত শিল্পী বিটলস লিজেন্ড স্যার পল ম্যাকার্টনি। জানা গেছে 'অলিম্পিক-২০১২'-এর উদ্বোধনী সঙ্গীত াআসরে গাইবেন স্যার পল ম্যাকার্টনি। তবে ওই আসরে ঠিক কোন গান গাইবেন তা এখনও ঠিক করেননি এই বিটলস লিজেন্ড। আগামি বছরের ২৭ জুলাই বসছে পরবর্তী অলিম্পিক আসর।
ম্যাকার্টনির সাবেক সহ-শিল্পী বিটলস ব্যান্ডের রিঙ্গো স্টারকেও এই আসরে অংশ নিতে বলা হয়েছিলো। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে টুর থাকায় অপারগতা জানিয়েছেন তিনি। এই আসরে রোলিং স্টোনস এবং লেড জেপলিনের অংশ নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও তারা নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন।
জানা গেছে, তরম্নণ কয়েকজন বৃটিশ শিল্পী নিয়েই আসরে অংশ নেবেন স্যার পল। ধারনা করা হচ্ছে এই আসরে আরও নামি দামি শিল্পীদের অংশগ্রহণ থাকবে। তবে অনেকেরই নাম এখনও চূড়ানত্ম হয়নি।