মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৭ অগ্রহায়ন ১৪২১
পাঁচ বীমা কোম্পানিকে এক কোটি ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আইন লঙ্ঘনের কারণে পাঁচ বীমা কোম্পানি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এক কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
জরিমানার শিকার হওয়া কোম্পানির মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ৩৯ লাখ টাকা, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ২৪ লাখ টাকা, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ১৪ লাখ টাকা এবং ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ১৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বাকিতে বীমা ব্যবসা বন্ধে আইডিআরএ’র জারি করা প্রজ্ঞাপনের (প্রজ্ঞাপন নং: জেন-২৯/২০১১) শর্ত লঙ্ঘন করায় বীমা আইন ২০১০’র ১৩০ এবং ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোম্পানি পাঁচটিকে জরিমানা করা হয়েছে। ২০১১ সালের ২৪ নবেম্বরে জারি করা প্রজ্ঞাপনটিতে বলা হয়, বীমা পলিসির প্রিমিয়াম ৫ হাজার টাকার বেশি হলে কোম্পানিকে অবশ্যই ডিডি, পে-অর্ডার, ক্রেডিট এ্যাডভাইজ, ইলেক্ট্রিনক ফান্ড ট্রান্সফার অথবা এ্যাকাউন্টপেয়ী চেকের মাধ্যমে নিতে হবে।
আর বীমা দলিলাদি অবশ্যই চেকের অর্থ পাওয়ার পরে ইস্যু করতে হবে। প্রিমিয়ামের সম্পূর্ণ অংশ কোম্পানিকে কভার নোট, পলিসি, এনডোর্সমেন্ট অথবা অন্য যে কোন বীমা বিষয়ক অংশ জুড়ে দেয়ার আগে নিতে হবে।
এছাড়া ডিডি, পে-অর্ডার অথবা চেক নম্বর এবং তারিখ মানি রিসিটে উল্লেখ করতে হবে। যে কোন ধরনের প্রিমিয়াম ফেরত দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই গ্রাহককে জানিয়ে এ্যাকাউন্টপেয়ী চেকে দিতে হবে।
আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান এম শেফাক আহমেদ বলেন, বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেয়া ও কোম্পানিগুলোকে বার বার সতর্ক করার পরও বাকিতে বীমা ব্যবসা ও অতিরিক্ত কমিশন দেয়া বন্ধ হচ্ছে না। এ জন্য অনিয়মে জড়িত কোম্পানিকে একবারে মোটা অঙ্কের জরিমানা করার মতো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এর পরও যদি কোন কোম্পানি আইন লঙ্ঘন করে তবে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।
মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের উপদেষ্টা নুরুল হক বলেন, একবারে এত বড় অঙ্কের জরিমানার কারণে কোম্পানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাছাড়া মেঘনা ইন্স্যুরেন্সকে যে জরিমানা করা হয়েছে তার অধিকাংশই ২০১২ ও ২০১৩ সালের। আইডিআরএ’র উচিত ছিল আরও সতর্ক করে এমন জরিমানার সিদ্ধান্ত নেয়া।