মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৩, ১৩ কার্তিক ১৪২০
হরতালে ফের পেছাল মজুরি বোর্ডের সভা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ হরতালের কারণে আবার পেছালো মজুরি বোর্ডের সভা। রবিবার সভায় পোশাক কারখানার মালিকপক্ষের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। তাই আগামী ৩১ অক্টোবর বেলা ১১টায় পরবর্তী সভার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
রবিবার পোশাক কারখানার মালিকপক্ষের একটা গ্রহণযোগ্য খসড়া প্রস্তাব দেয়ার কথা ছিল। মালিকপক্ষ প্রতিনিধি আশরাফুজ্জামান দিপু সভায় উপস্থিত ছিলেন না। গত সভায় বিজিএমইএর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন আজকের বৈঠকে উপস্থিত থাকার অনুমতি নিয়েছিলেন। হরতালের কারণে মালিকপক্ষের কেউই উপস্থিত থাকতে পারেননি।
সভায় মালিকপক্ষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিম্নতম মজুরি বোর্ড চেয়ারম্যান একে রায়, শ্রমিক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি, নিম্নতম মজুরি বোর্ডের স্থায়ী কমিটির সদস্য ফজলুল হক মন্টু। আগামী ৩১ অক্টোবর বেলা ১১ টায় পরবর্তী সভা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গত রবিবার মজুরি বোর্ডের পরবর্তী সভায় বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য পাল্টা প্রস্তাব দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিজিএমইএর এই পরিচালক। উল্লেখ্য, এর আগে বিজিএমইএ একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছিল। তাতে ন্যূনতম মজুরি চার হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। শ্রমিক সংগঠনগুলো এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এ বাস্তবতায় সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিতে সম্মত হয়েছে পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠনটি। আগামী প্রস্তাবে খাবার ও যোগাযোগ ভাতা যোগ করে নতুন প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সভায়। তবে শ্রমিকপক্ষ বলছে ন্যূনতম বেতন ছয় হাজার টাকার নিচে হলে তা শ্রমিকদের জন্য গ্রহণযোগ্য হবে না।
নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করার পর পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার ১১৪ টাকা করার প্রস্তাব দেয় শ্রমিকপক্ষ। ইতোমধ্যে নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সদস্যরা ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডে ঘুরে এসেছেন। পর্যবেক্ষণ করেছেন সেখানকার শ্রমিকদের বেতন-কাঠামো। জীবনযাপনের ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন দিচ্ছে সেসব দেশ। তাই বিজিএমইএ খাবার ও যোগাযোগ ভাতা সমন্বয় করে দেবে নতুন প্রস্তাব।