মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১০, ১৩ ফাল্গুন ১৪১৬
মাঠের পর মাঠ শুধুই লবণ
জোবাইর চৌধুরী, বাঁশখালী ॥ চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এবার লবণের বাম্পার উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। মাঠে মাঠে শুধুই লবণ আর লবণ। বাঁশখালীর ছনুয়া, শেখেরখীল, গন্ডামারা, সরল, বড়ঘোনা ও চাম্বলসহ বিভিন্ন এলাকায় লবণমাঠে এখন চাষীরা ব্যস্ত সময় পার করছে। মাঠে মাঠে সাদা লবণ চোখে পড়ছে। লবণ চাষীদের চোখে মুখে এখন হাসির ঝিলিক লেগে আছে। লবণের দামও আগের চেয়ে বড়তে শুরম্ন করেছে। বাঁশখালীর লবণচাষীদের মাঝে এখন আনন্দনের বন্যা বইছে। বাঁশখালীর ১০ হাজার লবণচাষীর পাশাপাশি এঅঞ্চলের অর্ধ লাধিক চাষী এখন নতুন লবণ ঘরে তোলতে শুরম্ন করেছে। দামও পাচ্ছে বেশ ভাল।
সূত্র জানায়, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বাঁশখালী উপজেলায় লবণ উৎপাদন শুরম্ন হয়েছে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় চাষীদের মাঝে এখনো আগ্রহ উৎসাহ উদ্দীপনা ল করা যাচ্ছে। চাষী ও লবণ শিল্পের সাথে সংশিস্নষ্ট লোকজন জানান, বাঁশখালীসহ পাশর্্ববতর্ী উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদন করে প্রায় লাধিক চাষী। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার একমাত্র লবণ উৎপাদনকারী এলাকা বাঁশখালীতেই ২০ হাজার মানুষ লবণ উৎপাদন করে জীবিকা নির্বাহ করে।
এদিকে প্রতিবছরের মত এবারও এলাকার কতিপয় লবণ চোরাকারবারী চক্র পাশর্্ববর্তী মায়ানমারের বোল্ডার লবণ এনে দেশীয় লবণের সাথে বাজারজাত করে বিক্রির পাঁয়তারা করছে বলে জানা গেছে। বাঁশখালীর খাটখালী চ্যানেল দিয়ে স্থানীয় বিট পুলিশের সহায়তায় প্রভাবশালী চোরাচালানী সিন্ডিকেটটি দেশে মিয়ানমার থেকে বোল্ডার লবণ আমদানী করে। নিম্মমানের ঐ লবণ দেশীয় লবণের সঙ্গে মিশিয়ে বাজারজাত করায় দেশীয় লবণের সুনাম ুন্ন হচ্ছে। ঐ অসাধু চক্রটির মিয়ানমারের বোল্ডার লবণ আমদানীর অব্যাহত রাখলে দেশীয় লবণ বাজারের চরম তি হওয়ার পাশাপাশি এলাকার লবণ শিল্প চরম বির্পযয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।