মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৩, ৩০ অগ্রহায়ন ১৪২০
হেঁটে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ
শতভাগ শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট অব বাংলাদেশ (টঝঅই)-এর আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া একদল তরুণ তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে টেকনাফ পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু করেছে। ‘আসুন আমরা সবাই একজন শিক্ষাবঞ্চিত শিশুর দায়িত্ব নিয়ে একটি মেধাবী জাতি গড়ি’- এই স্লোগান নিয়ে সোমবার সকেলে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনিরুজ্জামান পদযাত্রার উদ্বোধন করেন। এর আগে গত শুক্রবার বাংলাবান্ধার উদ্দেশে আগত শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক অপরাজেয় বাংলা থেকে তাদের বিদায় জানান।
পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, আব্দুল হালিম, তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী জিয়াউর রহমান, ঢাকা সিটি কলেজের রুহুল আমিন তাজ, ঢাকা কলেজের রাজিব ডালি ও কবি নজরুল ইসলাম কলেজের আওলাদ হোসেন। তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা থেকে হেঁটে টেকনাফ যাত্রায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, ’৫২-র ভাষা আন্দোলন ও ’৭১-এর স্বাধীনতাযুদ্ধের পরবর্তী প্রজন্মের নাগরিক আমরা। তাই ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তথা জাতীয় উন্নয়নে শিক্ষা অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। সুশিক্ষা অর্জনে মানুষের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, মানুষ স্বচেতন হয়, দেশ স্বনির্ভর হয় ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটে। পৃথিবীতে একটি সুখী-সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সোনার বাংলা বিনির্মাণে শিক্ষার বিকল্প নেই। যারা শিক্ষার সমান সুযোগ এখনও পায়নি তাদের পাশে যদি আমরা সবাই দাঁড়াই তবে অবশ্যই জীবনে অন্ধকার কাটিয়ে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। -এ রহমান মুকুল, পঞ্চগড়

কপি চাষে স্বাবলম্বী কৃষক
ঠাকুরগাঁওয়ে চাষীরা এবার আগাম জাতের বারি ফুলকপি-১ ও প্রভাতী বাঁধাকপি-১ চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। জামালপুর ইউনিয়নের শিবগঞ্জের সবজি চাষী আব্দুল লতিফ লিটু ৫ বছর ধরে ধান ও পাটের চাষ বাদ দিয়ে জেলা কৃষি বিভাগ থেকে কপি চাষের ওপর ট্রেনিং গ্রহণ করে কপি চাষে ঝুঁকে পড়েন। বর্তমানে তিনি ২ একর জমিতে আগাম বারি ফুলকপি-১ ও প্রভাতী বাঁধা কপি-১ চাষ করেছেন। ওই জমিতের কপি চাষ করে খরচ বাবদ প্রায় ১ লাখ টাকা এবং কপি বিক্রি করে আয় করেছেন প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তাঁর অভিযোগ, সুষ্ঠু বাজারজাত ও সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি থাকতে হচ্ছে। পূর্বে আমাদের এসব জমিতে ধান ছাড়া তেমন কোন চাষাবাদ হতো না এবং ধানের ফলনও ভালো হতো না। সে সময় আমার সংসার চালানো দুষ্কর হয়ে পড়েছিল। কিন্তু এখন আর সেদিন নেই। কপি চাষে আমার ভাগ্য ফিরেছে। সরকারীভাবে সহজ উপায়ে ঋণ সহায়তা পেলে এ অঞ্চলের অনাবাদি জমিগুলো কপি চাষের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
-এসএম জসিম উদ্দিন, ঠাকুরগাঁও থেকে