মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ১৭ মে ২০১৩, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০
একটি বৃদ্ধাশ্রম গড়ার খুব ইচ্ছে
মোহাম্মদ সোহাগ
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ক্লোজআপ ওয়ান গ্র্যান্ড ফিনালে প্রথম রানার আপ হয়েছেন মোহাম্মদ সোহাগ। তার সঙ্গে টেলিফোনে আলাপন বিভাগে কথা বলে আলাপচারিতার চুম্বক অংশ তুলে ধরেছেন সৈয়দ নূর-ই-আলম

স্বপ্ন পূরণের একধাপ এগিয়ে গেলেন। অনুভূতি কেমন?
সোহাগ: অবশ্যই বেশ ভাল লাগছিল। তবে আরও ভাল লাগত যদি সেরা হতে পারতাম। আমার গ্রামের মানুষের এ ফলাফলের অপেক্ষায় টিভি সেটের সামনে বসে ছিল। যখন প্রথম রানার আপ হিসেবে আমার নামটি ঘোষণা করা হয়, তখন গ্রামের সবাই আনন্দে উল্লাস করছিল। ক্লোজআপ ওয়ান গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠানে আমার বাবা-মা উপস্থিত ছিলেন।
গানের হাতেখড়ি?
সোহাগ: দারিদ্র্যের কারণে আমি তেমনভাবে গান শিখতে পারিনি। প্রায় ৬ বছর যাবত আমি দুবাই ছিলাম। ওখান থেকেই ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করি। এর আগে আমি ওস্তাদ আলিমের কাছে প্রায় দেড় বছর গান শিখেছি।
শৈশবের কথা বলুন...
সোহাগ: আমরা দুই ভাই ছিলাম। এই তো কয়েকদিন আগে আমার ছোট ভাইটি মারা গেছে। আমার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার কাচিনা গ্রামে। সেখানেই কেটেছে আমার শৈশব। পড়াশোন খুব বেশি করা হয়নি। বছর ছয় আগে কফিশপে চাকরি নিয়ে দুবাইয়ে চলে যাই।
বড় হয়ে কী হতে চেয়েছিলেন?
সোহাগ: গান করার নেশা আমার ছোটবেলা থেকেই। বড় হয়ে শিল্পী হওয়ার বেশ ইচ্ছে ছিল। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকা-ের সঙ্গেও নিজেকে জড়ানোর ইচ্ছেও আমার রয়েছে। গরিব দুখী মানুষের পাশে দাঁড়াব। এই ইচ্ছেটি এখনও মনের মধ্যে রয়েছে। আর তা পূরণের একটা পথও পেয়ে গেছি। এখন সর্বত্র চেষ্টা করব আমার এ ইচ্ছে পূরণের।
আগামী স্বপ্ন কী? সোহাগ: ভাল মাপের একজন শিল্পী আর দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াব। একটি বৃদ্ধাশ্রম গড়ারও খুব ইচ্ছে রয়েছে।