মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০১০, ২৩ চৈত্র ১৪১৬
রাবি নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগের ১০ বছরপূর্তি উৎসব শুরু
রাবি সংবাদদাতা ॥ প্যারেড মার্চ করে দ্রম্নতগতিতে এগিয়ে চলছে সাতজন। তাদের সঙ্গে হেঁটে চলছে ১২টি জীবন্ত কাকতাড়ুয়া। একটি ময়ূর পেখম মেলে হাঁটছে কাকতাড়ুয়াগুলোর ঠিক পিছু পিছু। উচ্চ শব্দের গানের সঙ্গে চলছে মনোমুগ্ধকর নাচ। আর একটু পেছনে চলছে লাঠিখেলা। আর সকলের পেছনে একটি চলমান মূর্তি। এছাড়া রংবেরঙের বেলুন, ফেস্টুন, নানা রঙের নানা ঢঙের মুখোশ, বর্ণিল রং আর নজরকাড়া সাজে সাজানো মিছিল; রঙের যেন কোন কমতি নেই- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গতকালের শোভাযাত্রার চিত্র ছিল এটি। ছড়িয়ে আলো আলোয় যাবো- স্লোগান সামনে রেখে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগের দশ বছরপূর্তিতে তিন দিনব্যাপী উৎসব। প্রথম দিন সকাল দশটায় বিভাগের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি বের হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান। এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ নুরুলাহ মুখোশ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। এর আগে শিক্ষার্থীরা আদিবাসী নাচে অতিথিদের বরণ করে নেয়। নাট্যকলা ও সঙ্গীত বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মলয় ভৌমিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ছাড়াও স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎসব কমিটির আহ্বায়ক এসএম ফারম্নক হোসাইন। পরে আগত সকল অতিথি এবং দর্শনার্থীদের নেচেগেয়ে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বরণ করে নেয়ার পরেই সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শুরু হয় শায়লা তাসমীনের পরিচালনায় ধ্রম্নপদ অঙ্গের গান।
এছাড়া সন্ধ্যা সাতটায় মঞ্চস্থ হয় নাটক 'অল মাই সনস্'। আজ মঙ্গলবার উৎসবের দ্বিতীয় দিনে সন্ধ্যায় লোকসঙ্গীত ও নাটক চন্ডালিকা এবং আগামীকাল বুধবার উৎসবের শেষ দিনে পুরনো দিনের বাঙলা গান ছাড়াও নাটক 'এ ডলস' পরিবেশিত হবে। উৎসবের সমাপনী বক্তব্য রাখবেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক।