মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ৮ মার্চ ২০১৩, ২৪ ফাল্গুন ১৪১৯
ফ্যাশন সংবাদ
অঞ্জন’স
স্বাধীনতার মাসে ফ্যাশন হান্টারদের কেনার অবাধ সুযোগ করে দিচ্ছে লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড অঞ্জন’স। সর্বোচ্চ ৭০% ছাড়ে কেনা যাবে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, শার্ট, পাঞ্জাবিসহ বিবিধ ফ্যাশন অনুষঙ্গ। তবে নির্ধারিত ডিজাইনের পোশাকেই কেবল এ মূল্যছাড় সুবিধা পাবেন ক্রেতারা। আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত শুধুমাত্র মিরপুর, বেইলি রোড, সোবহানবাগ, অরচার্ড পয়েন্ট, বনানী, ওয়ারী ও বসুন্ধরা সিটি (লেভেল-২) এর শোরুমেই এ বিশেষ ছাড়ে কেনাকাটার সুযোগ থাকবে। ফোন : ৯৮৭২৩৪১

কুলিং ফেসিয়াল

স্বাধীনতার মাসে সেনসেটিভ (স্পর্শকাতর) ত্বকের যতেœ ক্ল্যাসিক কুলিং ফেসিয়াল নামে নতুন এক ফেসিয়াল নিয়ে এল আকাক্সক্ষা’স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড। এই ফেসিয়াল ত্বকের অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার করে ত্বকের স্পর্শকাতর দূর করবে। এর ফলে ত্বকের কালচে ভাব কেটে গিয়ে ত্বক হয়ে উঠবে নরম মসৃণ ও লাবণ্যময়। এ ছাড়াও ৩-৪টি সেশনে এই ফেসিয়াল ব্রণ নিরাময় করবে। প্রতিটি ফেসিয়ালের সঙ্গে থাকছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্কিন পলিশ এবং হাতের যতœ করার সুযোগ। যোগাযোগ : প্রধান কার্যালয়Ñ ৩৭৫ ডি আই টি রোড, পূর্ব রামপুরা (টিভি সেন্টারে দক্ষিণ পাশে), এবং ২৫৫ ডি আই টি রোড, পশ্চিম রামপুরা (রামপুরা বাজারের পাশে), ঢাকা, ফোন : ০১৯৩৭ ৫১৩০০৬।
মুমু মারিয়া

বসন্তবরণের আয়োজনে ফ্যাশন হাউস মুমু মারিয়া নিয়ে এসেছে বাসন্তী রঙের প্রাধান্য পাওয়া সালোয়ার, কামিজ, টপস, কাফ্ান ও বিভিন্ন রকমের শাড়ি। নিয়মিত এবং পার্টিতে ব্যবহার যোগ্য, সুতি, লিলেন, মাসলিন, এ-ি সিল্ক, জর্জেট কাপড়ে মনোরম রঙের সমাবেশ ঘটানো হয়েছে প্রতিটি পোশাকে। ঠিকানা : রোড-২৭, বাড়ি-৯, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা
ইজি

ইজি এক্সকু¬সিভ ফ্যাশন ওয়্যার এনেছে নতুন কালেকশন। এবারের বিশেষ আয়োজন হিসেবে রয়েছে টি-শার্ট, পলো টি-শার্ট, ক্যাজুয়াল শার্ট, ফরমাল শার্ট, প্যান্ট ও পাঞ্জাবি ইত্যাদি। সাধারণ ক্রেতাদের কথা চিন্তা পোশাক তৈরি করে থাকে ফ্যাশন হাউস ইজি। তরুণদের পোশাককে ফ্যাশনেবল করার জন্য আকর্ষণীয় নতুন ডিজাইন ও বাহারী রং নিয়ে কাজ করেন। ইজির পোশাকের ডিজাইনার তৌহিদ চৌধুরী। পোশাকের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যেই। খুচরা ও পাইকারি বিক্রয় করা হয়। ঢাকাসহ সারাদেশে ইজির ১২টি শোরুম। এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ, আজিজ সুপার মার্কেট, শান্তিনগর, সিলেট, যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, উত্তরা।
আকাক্সক্ষা’স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে নতুন সংযোজন ক্লাসিক
রণজিত

টাঙ্গাইলের তরুণ ডিজাইনার রণজিৎ কুমার সরকার এই সময়ের জন্য তৈরি করেছে নানা ধরনের আকর্ষণীয় ডিজাইনের শাড়ি। প্রতিটি শাড়িতে করা হয়েছে ছয়টি উজ্জ্বল রঙের আধুনিক ধারার মোটিফ। এই সময়ের জন্য সময় উপযোগী শাড়ির ডিজাইন। ঢাকার মমতাজ প্লাজার ঊষার শোরুমে পাওয়া যাবে রণজিতের শাড়ি আর পাইকারি বিক্রয় কেন্দ্র : সরকার এন্ড কোং, চন্ডি, পাথরাইল, টাঙ্গাইল। ফোন : ০১৮৩৩৪০৭৭৬৩

পিজা ইন

আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সামনে রেখে ২ মার্চ বিকেল ৫.৩০ মিনিটে গুলশানে আউটলেটে নতুন তিনটি মেন্যু চালু করা হচ্ছে। নতুন আইটেমের মধ্যে থাকছে সসেজ ক্রাস্ট পিজা, ক্রিপসি চিকেন স্টাইপস এবং স্পেশাল বার্গার।
পিজা ইনের গুলশান ও উত্তরা দুটি আউটলেটেই এই নতুন আইটেমগুলো পাওয়া যাবে। উল্লেখ্য, পিজায় ব্যবহৃত চিজ আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত এবং গুণগত দিক দিয়ে তাদের মানদ- অনুসৃত। আর মাসজুড়েই থাকছে বিশাল ছাড়।
আর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে থাকছে সকল নারী অতিথির জন্য ২০% ডিসকাউন্ট এবং স্বাধীনতা দিবসে (২৬ মার্চ) অ্যা-লা-কারট্ এ থাকছে সব ক্রেতার জন্য ২৬% মূল্য ছাড়।
বার্গার উইথ ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এন্ড সফট ড্রিংকস ২৯৫ টাকা, ক্রিপসি চিকেন উইথ ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এন্ড সফট ড্রিংকস ২৭৫ টাকা, পিজা (মিডিয়াম) ২৯৫ টাকা (বিগ সাইজ) ৩১৫ টাকা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মজিবর রহমান, ডিরেক্টর (সেলস এন্ড মার্কেটিং), মো : কামাল হোসেন, এজিএম, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, এজিএম (প্রোকিউরমেন্ট)সহ পিজা ইনের উর্ধতন কর্মকর্তারা।এগিয়ে যাওয়া গুচি


চ লচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও জমকালো পুরস্কারটি নিঃসন্দেহে অস্কার। প্রতিবছর সিনেমা প্রেমিকরা যেমন অপেক্ষায় থাকেন কার হাতে এবার সেরা অভিনেতা বা অভিনেত্রীর অস্কারটি ওঠে তা দেখার জন্য। তেমনি পর্দা কাঁপানো তারকাদেরও প্রতীক্ষা থাকে অস্কার এ্যাওয়ার্ডের রাতের জন্য। যত বড় তারকাই হোক না কেন সে, বিশ্বব্যাপী থাকুক তার বিপুল জনপ্রিয়তা, অফুরন্ত উপার্জন-তারপরও সে তারকার স্বপ্ন থাকে অস্কারের সেই অতি পরিচিত স্মারকটি নিজের মুঠোয় নেবার। আর অস্কারের কথা ভাবলেই মনের অজান্তেই ভেসে আসে একের পর এক স্বপ্নের তারকাদের লালগালিচা দিয়ে মিলনায়তনে প্রবেশের দৃশ্য। লালগালিচার এই পথটুকু পাড়ি দিতে গিয়ে হাজারো ফ্ল্যাশ লাইটের ঝলকানি এবং মিডিয়াকর্মীদের প্রশ্নের উত্তর হাসি মুখেই দিয়ে যেতে হয়। প্রতিবছর অস্কারের রাতে যে প্রশ্নটির উত্তর কম বেশি সবাইকেই দিতে হয় সেটা হচ্ছে কোন ডিজাইনার বা ফ্যাশন হাউসের পোশাক পরে এসেছেন। এর উত্তরে তারকাদের বেশিরভাগই একটি ফ্যাশন হাউসের নামই ঘুরে ফিরে বলে থাকেন। তারকাদের পছন্দের সেই ব্র্যান্ডটির নাম আজ বাংলাদেশের পাঠকদেরও অজানা নয়। তারকাদের পছন্দের তালিকায় ঠাঁই পাওয়া সেই ফ্যাশন হাউসটির নাম হচ্ছে গুচি। ক্লিন স্টুড থেকে হালের টম ক্রুজ বা জনি ডেপ কিংবা জুলিয়া রবার্ট, জেনিফার লোপেজ, কেট উইন্সলেট বা হালের সুপারহিট মুভি ‘দ্য হাঙ্গার গেইমস’-এর নায়িকা জেনিফার লরেন্স সবারই পছন্দের তালিকার শীর্ষ স্থানটি গুচির দখলে। আভিজাত্য মুভি স্টার, ফ্যাশনের লেটেস্ট স্টাইল ও গুচি আজ একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছে।
দ্য হাউস অব গুচি যা সর্বসাধারণের কাছে শুধুই গুচি নামে পরিচিত। ইতালিয়ান ফ্যাশন ও চামড়াজাত পণ্যের ব্র্যান্ড হিসেবে গুচি বিশ্বব্যাপী পরিচিত হলেও এটি ফরাসী কোম্পানি পিপিআর মালিকানাধীন। ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে গুসিও গুচির হাতে ১৯২১ সালে যাত্রা শুরু হয় গুচি নামের প্রতিষ্ঠানটির। বিক্রির দিক থেকে গুচি ইতালিয়ান ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে প্রথম স্থানটি দীর্ঘদিন ধরে নিজের দখলে রেখেছে। ২০০৯ সালের হিসাবে বিশ্বব্যাপী গুচির ২৭৮টি স্টোর চালু রয়েছে। এছাড়াও বিশ্বব্যাপী অভিজাত ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে গুচি তাদের পণ্য বিক্রি করে থাকে। ১৯২১ সালে যাত্রা শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই গুচি তার পণ্য দিয়ে ক্রেতাদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়। বিশেষ করে অভিজাত শ্রেণীর। বর্তমানে গুচিকে বিশ্বের সবচেয়ে সফল একটি ফ্যাশন প্রোডাক্ট তৈরিকারক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গুচির এই স্বপ্নযাত্রা ঘটেছিল কিছুটা অদ্ভুতভাবে। তরুণ গুসিও গুচি একজন অভিবাসী হিসেবে লন্ডন ও প্যারিসের বিভিন্ন অভিজাত হোটেলে কাজ করতেন। হোটেলে অভিজাত শ্রেণীর যে অতিথিরা আসতেন তাদের লাক্সারিয়াস লাগেজগুলোয় চোখ আটকে যেত গুচির। অতিথিদের লাগেজ বহন করতে করতেই মনের ভেতর তৈরি হতে থাকে একটি স্বপ্ন। স্বপ্নের বীজ নিয়ে নিজের জন্মভূমিতে ফিরে আসেন গুচি। ফ্লোরেন্স শহরের দক্ষ কর্মীবাহিনীকে প্রথমে বাছাই করে শুরু করেন কাঁচামাল সংগ্রহ। ১৯২০ সালে গুচি স্বপ্নের দোকানটির যাত্রা শুরু করেন ফ্লোরেন্স শহরে। মূলত চামড়াজাত পণ্য বিক্রি হতো সেখানে।
তিন পুত্রকে নিয়ে গুচি তার স্বপ্নের পরিধি বাড়াবার কাজ শুরু করেন। ফ্লোরেন্সের পর মিলান এবং রোমে দেখা মেলে গুচির স্টোর। পণ্য তালিকায় যোগ হয় বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ, জুতা ও অল্প কিছু পোশাক। মহিলাদের হ্যান্ডব্যাগ ডিজাইনের উপকরণ নিয়ে তখন শুরু হয় গুচির নিরীক্ষা। মূলত এই হ্যান্ড ব্যাগের মাধ্যমেই গুচি তার নিজস্বতা একটি শ্রেণীর কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হন। এরপর শুধুই এগিয়ে যাবার ও সাফল্যের গল্প। তিন সুযোগ্য পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি একটি নতুন যুগের সূচনা ঘটায়। ১৯৫০ থেকে ১৯৬০ সালের মধ্যেই গুচি পণ্য আন্তর্জাতিকমানের সিম্বল হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে।
ফ্যাশন ডেস্ক