মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর ২০১১, ১০ কার্তিক ১৪১৮
ব্যাংক মালিকদের সঙ্গে এসইসির বৈঠক আজ
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পরিচালকদের সংগঠন ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বিএবি) সঙ্গে আজ (মঙ্গলবার) বৈঠকে বসছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বিকেল তিনটায় এসইসি কার্যালয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে ৫ হাজার কোটি টাকার পুঁজিবাজার স্থিতিশীলকরণ তহবিল ছাড়াও বাজারে গতিশীলতা ফেরাতে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গত প্রায় দু'মাস ধরে বিভিন্ন পৰ থেকে একের পর এক পদক্ষেপ নেয়ার পরও শেয়ারবাজারের মন্দা কাটানো যাচ্ছে না। এ অবস্থায় বাজারে তারল্য বাড়াতে গত ১২ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে এসইসি। ওই বৈঠকের আলোকে ইতোমধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পৰ থেকে ব্যাংকগুলোকে তিনটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী আইনী সীমার মধ্যে থেকে ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে নতুন করে বিনিয়োগ করতে পারবে। এছাড়া যেসব ব্যাংকের বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ধারিত সীমার (আমানতের ১০ শতাংশ) উপরে রয়েছে সেসব ব্যাংকের বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য নির্ধারিত সময় ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যনত্ম বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি কোন ব্যাংকের সহযোগী মার্চেন্ট ব্যাংক তাদের গ্রাহকের মার্জিন ঋণের সুদ মওকুফ করতে চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
শেয়ারবাজারে নতুন করে বিনিয়োগ করার বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সংগঠন এ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর আতিউর রহমান। এর প্রেৰিতে গত ২০ অক্টোবর এবিবির পৰ থেকে শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ শুরুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়। এর পাশাপাশি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবি গত রবিবার শেয়ারবাজারের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদী মিউচু্যয়াল ফান্ড গঠনের ঘোষণা দিয়েছে।
জানা গেছে, শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ এবং প্রসত্মাবিত মিউচু্যয়াল ফান্ড নিয়ে এসইসি ও বিএবির মধ্যে আজকের বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে বিএবির পৰ থেকে প্রসত্মাবিত ফান্ডটি দ্রম্নততম সময়ের মধ্যে অনুমোদনের জন্য এসইসির সহযোগিতা চাওয়া হবে।
বিএবিএর প্রসত্মাবিত ৫ হাজার কোটি টাকার মিউচু্যয়াল ফান্ডের মধ্যে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলো ১ হাজার কোটি টাকার যোগান দেবে। প্রাইভেট পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে ২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। বাকি ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের থেকে সংগ্রহ করা হবে। ইতোমধ্যেই বিএবির সদস্য ২৯টি ব্যাংক প্রাথমিকভাবে ২০ কোটি টাকা করে মোট ৫৮০ কোটি টাকার যোগান দিতে সম্মত হয়েছে। এছাড়া বীমা কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অন্যান্য কোম্পানিও এই ফান্ডে অর্থ যোগান দিতে পারবে।