মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১১, ৭ ফাল্গুন ১৪১৭
সীমান্ত বাণিজ্যে জটিলতায় মিয়ানমার থেকে আড়াই লাখ টন চাল আনা সম্ভব হচ্ছে না
এইচ এম এরশাদ, কক্সবাজার ॥ বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্যের জটিলতার কারণে আড়াই লাখ টন চাল আনা সম্ভব হচ্ছে না মিয়ানমার থেকে। দু'দেশের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্যের নীতিমালার এলসি সুবিধা না থাকায় আমদানি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যিকভাবে অনেকটা বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। মিয়ানমারের বৈষম্যমূলক আচরণের কারণে এদেশীয় আমদানি-রফতানিকারকরা যাচাই-বাচাই করে পণ্য আমদানি করতে পারছেন না। টেকনাফ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার চলমান সীমান্ত বাণিজ্য সমপ্রসারণ ও বেগবান করতে দ্বি-পাক্ষিক সীমান্ত পর্যালোচনার এক প্রস্তুতি সভায় বাণিজ্য সচিব মোঃ গোলাম হোসেন এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ মিয়ানমারের ট্রেড প্রটেনশিয়াল সম্পর্কে খুব আশাবাদী। বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে বছরে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসাবাণিজ্য হয়। এজন্য মিয়ানমারকে বাংলাদেশী বাণিজ্যের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে। সীমান্ত বাণিজ্য সমপ্রসারণের লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বন্ধে প্রশাসনকে আনত্মরিক হতে হবে। মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনায় এনে সিদ্ধানত্ম এবং ফলপ্রসূ পদক্ষেপ নিতে হবে।
বাণিজ্য সচিব মোঃ গোলাম হোসেন বলেন, বাংলাদেশের জাহাজগুলোকে মিয়ানমার অভ্যনত্মরে গিয়ে ১০/১৫ দিন বসে থাকতে হয়। অল্পক্ষণ সময়ের মধ্যে যেসব পণ্য নামানো সম্ভব হয়, সেখানে ওপারের শ্রমিকরা অহেতুক দেরি করে থাকে ঘণ্টার ঘণ্টা। ফলে পণ্য আমদানিতে ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যিকভাবে ক্ষতিগ্রসত্ম হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। বিষয়টি নিয়ে সকলকে সজাগ হওয়ার আহ্বান জানান বাণিজ্য সচিব।
সভায় দু'দেশের বর্ডার ট্রেড বেগবান ও সমপ্রসারণে প্রতিবন্ধকতাসমূহ চিহ্নিত করা হয়। ওইসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পরবর্তীতে মিয়ানমারের সঙ্গে বৈঠকে বসার বিষয়টিও জানানো হয়।