মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০১১, ৭ মাঘ ১৪১৭
বিএসসির ৬৩ কোটি টাকার শেয়ার শীঘ্রই পুঁজিবাজারে ছাড়া হবে
চট্টগ্রামে বার্ষিক সাধারণসভায় নৌপরিবহনমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) প্রায় ৬৩ কোটি টাকার শেয়ার শীঘ্রই পুঁজিবাজারে ছাড়া হবে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই আইসিবিকে ইস্যু ম্যানেজার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি ১শ' টাকার শেয়ার প্রিমিয়ামে এক হাজার টাকায় ছাড়া হবে। এছাড়া বিএসসিকে লাভজনক পর্যায়ে উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার। বুধবার চট্টগ্রামে শিপিং কর্পোরেশনের বার্ষিক সাধারণ সভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান। একই সভায় নৌপরিবহনমন্ত্রী জানান, সমাপ্ত ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠান নিট মুনাফা অর্জন করায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণার সুপারিশ করা হয়েছে।
নগরীর হোটেল আগ্রাবাদে বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসসির বোর্ড অব ডিরেক্টসের চেয়ারম্যান নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান। সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মান্নান হাওলাদার, বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাকসুমুল কাদের, অর্থমন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলের মহাপরিচালক ড. চৌধুরী সালেহ আহমেদ, বিএসসির নির্বাহী পরিচালক (অর্থ) গোলাম মাওলা, নির্বাহী পরিচালক (বাণিজ্য) মোসত্মফা কামাল উদ্দিন, এম শহীদুল আলম, মোঃ সাঈদ উলস্নাহসহ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডাররা। সভা পরিচালনা করেন বিএসসির সচিব গোলাম হোসেন।
নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার মুখ্য উদ্দেশ্য আনত্মর্জাতিক নৌপথে নিরাপদ ও দক্ষ শিপিং সেবা প্রদান করা এবং বাংলাদেশের আমদানি ও রফতানি পণ্য নিজস্ব জাহাজ দ্বারা পরিবহন করা। স্বাধীন বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী নৌবাণিজ্যের সহায়ক পরিবহন নেটওয়ার্কের ভিত গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে সরাসরি তাঁর অধীনে রাখেন। বঙ্গবন্ধুর সুচিনত্মিত নির্দেশনায় একটি শক্তিশালী নৌবহর গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল। বিএসসির উন্নয়নের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ৬টি জাহাজ ক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরমধ্যে দুটি বাল্ক ক্যারিয়ার, একটি কন্টেনার জাহাজ, একটি মাদার ট্যাঙ্কার ও দুটি প্রোডাক্ট ক্যারিয়ার সংগ্রহের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি মাদার ট্যাঙ্কার সংগ্রহের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া ঢাকায় নিজস্ব জমিতে ৪৫ কোটি ৮২ লাখ টাকায় একটি ২৫ তলা ভবন নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলেছে।