মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ৪ আগষ্ট ২০১৪, ২০ শ্রাবণ ১৪২১
কুলখানিতে বক্তারা ডাঃ মোশারফ ছিলেন শ্রমিক-কৃষক মেহনতী মানুষের বন্ধু
স্টাফ রিপোর্টার ॥ ডাঃ মোশারফ হোসেন ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক এবং মিরপুর, মোহাম্মদপুর এলাকার মাটি ও মানুষের নেতা। তিনি ছিলেন নির্লোভ, নিরহঙ্কার শ্রমিক-কৃষক মেহনতী মানুষের বন্ধু। তার আর্দশকে ধারণ করতে পারলে বাংলাদেশ হবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সোনার বাংলা। শনিবার বিকেলে মিরপুরে অনুষ্ঠিত মরহুম ডাঃ মোশারফের কুলখানিতে স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী একথা বলেন। গত ৩০ জুলাই বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহচর, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা সাবেক সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মোশারফ হোসেন মৃত্যুবরণ করেন।
কুলখানি ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ফরিদুন নাহার লাইলী, সাবেক মন্ত্রী. ডাঃ দীপুমনি, সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদার, আসলামুল হক আসলাম, পঙ্কজ দেবনাথ, সাবেক এমপি শাহিদা তারেক দীপ্তি, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এমএ জলিল প্রমুখ।


পথহারা জননী!

৭৫ বছরের বৃদ্ধা রোকেয়া বেগম। গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী। বয়সের ভারে ন্যুব্জ রোকেয়া আগের মতো চলাফেরা করতে পারেন না। স্বামী নেই, আছে পাঁচ ছেলে। ছেলে কোবাজ মিয়া ঢাকায় থাকেন। সরকারী প্রতিষ্ঠানের গাড়ি চালান। ঈদ উপলক্ষে মা রোকেয়া বেগমকে গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় নিজের বাসায় নিয়ে আসেন কোবাজ। উদ্দেশ্য, ঈদের পর নিজের তত্ত্বাবধানে মায়ের সুচিকিৎসা করাবেন তিনি। রবিবার বাসায় ভাল লাগছিল না। কোবাজের অনুপস্থিতিতে তাই বাসার বাইরে পা বাড়ান রোকেয়া। কিন্তু মিরপুর-৩ নম্বর এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর বাসায় ফিরে যেতে পারেননি তিনি। রাজধানীর অলিগলি, সারিসারি ভবন রোকেয়াকে দেখাতে পারেনি কোবাজের বাসার ঠিকানা। পথ হারিয়ে অবশেষে পল্টন থানার শরণাপন্ন হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পল্টন থানা পুলিশ বৃদ্ধার দায়িত্ব না নিয়ে কৌশলে এড়িয়ে যান। পরে তাঁর ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জানা যায়নি। রবিবার পল্টন থানার সামনে থেকে আশ্রয় সন্ধানী এই বৃদ্ধা রোকেয়ার ছবিটি তুলেছেন জনকণ্ঠের নিজস্ব আলোকচিত্রী কে এইচ জসিম।