মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ১৬ মে ২০১১, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৮
'রবীন্দ্রনাথের হাত ধরে বাংলা কবিতা বিশ্ব সভায় উপস্থাপিত হয়েছে'
রবীন্দ্রনাথের জন্ম না হলে বাংলা কবিতার বৈশ্বিক উচ্চারণ সম্ভব হতো না। মূলত তাঁর হাত ধরেই বাংলা কবিতা বিশ্বসভায় উপস্থাপিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ বাংলাভাষাকে বাংলাসাহিত্যকে যে প্রাণ দান করে গেছেন_ সেই প্রাণের আলোয় আজও আমরা আলোকিত-উদ্ভাসিত। বিশ্ব কবির ১৫০তম জয়ন্তীতে আয়োজিত 'নিবেদিত কবিতা পাঠ' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরেণ্য কবি ফজল শাহাবুদ্দীন এভাবেই মূল্যায়ন করলেন তাঁর।
শনিবার বিকলে সার্ক ইয়াং রাইটার্স ফোরাম ও তারম্নণ্যের কাগজ বৈচিত্র্য আয়োজিত এ কবিতা পাঠ আসরে সভাপতিত্ব করেন ফোরামের সভাপতি ও বৈচিত্র্য সম্পাদক কবি শাহীন রেজা। বৈচিত্র্যের সভাকৰে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি আল মুজাহিদী, মাহবুব হাসান, জাহাঙ্গীর ফিরোজ এবং রেজাউদ্দিন স্টালিন।
রবীন্দ্রনাথকে নিবেদিত কবিতা পাঠ করেন_ কবি সুজাউদ্দিন কায়সার, কামার ফরিদ, বদরুল হায়দার, রেজা ফারম্নক, শামীমা চৌধুরী, ফেরদৌস সালাম, মহিউদ্দিন আকবর, ফেরদৌসি মাহমুদ, পুলক হাসান, জামসেদ ওয়াজেদ, মীরা মেহেরম্নন, মালেক মাহমুদ, রম্ননু আঞ্জুমান, সাবিত সারওয়ার, মুহম্মদ ইউসুফ, জিয়া হক, অদৃতি চৌধুরী, সাঈদা নাঈম, এনামূল হক রম্নবেল, জাকির আহমেদ খান, পথিক সবুজ, নীলুফা ফারহানা, হারম্নন স্বপ্ন, শাহী সবুরসহ অর্ধশতাধিক কবি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কবি কামরম্নজ্জামান।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ফজল শাহাবুদ্দীন রবীন্দ্রনাথকে বাঙালীর গর্ব হিসেবে উলেস্নখ করে বলেন, বাংলাদেশের হাত ধরে রবীন্দ্রনাথ তাঁর ১৫০তম জয়নত্মীতে আজ বিশ্বব্যাপী উচ্চারিত হচ্ছেন, এ গর্ব আমাদের গর্ব, বাংলাদেশের গর্ব। তিনি বলেন, আজ এ কথা প্রমাণিত যে_কবিতার রাজধানী যেমন ঢাকা, তেমনি রবীন্দ্রনাথের আত্মভূমি বাংলাদেশ। আমরা নজরম্নলকে যেভাবে আত্মস্থ করেছি ঠিক সেভাবে রবীন্দ্রনাথকেও। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথকে ছাড়া বাংলা কবিতার ইতিহাস রচনা করা অসম্ভব। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন এ বিশ্বে বাংলা ভাষাভাষি জনগোষ্ঠীর বিচরণ থাকবে_ রবীন্দ্রনাথ ততদিন বেঁচে থাকবেন, স্বমহিমায়-স্বগৌরবে। _বিজ্ঞপ্তি।