মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০১১, ৯ পৌষ ১৪১৮
জারদারির বিদায় চাচ্ছে সেনাবাহিনী
ষড়যন্ত্রের অভিযোগ জিলানির
জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ পাকিস্তানের শক্তিশালী সেনাবাহিনী ও জিলানি সরকারের মধ্যে বিরাজমান দ্বন্দ্ব এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার পর থেকে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। সর্বশেষ সেনাবাহিনীর ভেতরে বর্তমান সরকারের বিরম্নদ্ধে সমালোচনা করা হচ্ছে কোন রকম রাখঢাক না করেই। শেষ পর্যনত্ম এর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। তিনি নির্বাচিত সরকার উৎখাতে নানামুখী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন। বিশ্লেষকদের অভিমত, জিলানি জনসম্মুখে দেয়া বক্তব্যে সেনাবাহিনীর নাম উচ্চারণ না করলেও তিনি যে সেনাবাহিনীকেই ইঙ্গিত করেছেন তা সহজেই অনুমেয়। সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী এখন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারিকে আর ৰমতায় দেখতে চান না। সেনাবাহিনীর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিসত্মানের সেনাবাহিনী প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারিকে নিয়ে হতাশ। তারা এখন তাঁর বিদায় চায়। তবে কোন সামরিক অভ্যুত্থান নয়, আইনী প্রক্রিয়াতেই ক্ষমতা থেকে তাঁর বিদায় চাচ্ছে বলে কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে।
চলতি বছর মে মাসে মার্কিন বাহিনীর অভিযানে আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর পর পাকিস্তানী সেনাবাহিনী অভু্যানের ষড়যন্ত্র করছে- এ মর্মে যুক্তরাষ্ট্রে একটি স্মারকলিপি পাঠানো নিয়ে সেনাবাহিনী ও বেসামরিক সরকারের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেনাবাহিনীর একটি সূত্র বলেছে, জারদারির ওপর কে না বিরক্ত? শুধু বিরোধীরা নয়, রাসত্মার লোক থেকে শুরু করে সরকারের লোক পর্যনত্ম সবাই তাঁর ওপর নাখোশ।
ওই সূত্র বলেছে, কিন্তু যা হওয়ার তা সঠিক পন্থায়ই হতে হবে। সেনাবাহিনী কোন কিছু ঘটানোর পরিকল্পনা করছে না। এমন চেষ্টা করা হলেও তা ভাল কিছু হবে না। লোকজন তা পছন্দ করবে না। শুধু সরকার বা বিরোধীরা নয়, বেশির ভাগ পাকিসত্মানীই তা পছন্দ করবে না। তবে পাকিসত্মান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র এ বিষয়ে মনত্মব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।