মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০১১, ১১ অগ্রহায়ন ১৪১৮
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা ॥ অনুপস্থিতি গতবারের চেয়ে কম
স্টাফ রিপোর্টার ॥ উৎসাহের আমেজেই প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন অতিক্রম করল পঞ্চম শ্রেণীর শিশুরা। কেবল তাই নয়, পরীৰার জন্য নিবন্ধন করে প্রথম দিন কেন্দ্রে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৮৯৩ জন দ্বিতীয় দিন পরীৰায় অংশ নিয়েছে। বুধবার প্রথম দিন গনিত পরীক্ষায় সারাদেশে অনুপস্থিত ছিল এক লাখ ৭৫ হাজার ২৯ শিক্ষার্থী। কিন্তু বৃহস্পতিবার বাংলা পরীৰার সময় দেখা গেল, অনুপস্থিতির সংখ্যা এক লাখ ৭৪ হাজার ১৩৬ জন। দুই দিনে বহিষ্কার হয়েছে মাত্র ৮ জন। এদিকে এবার অনুপস্থিতির সংখ্যা কমেছে বহুগুণে। গত বছর প্রথম দিন অনুপস্থিত ছিল দুই লাখ ৬৩ হাজার ২৬ জন শিশু। ঝরে পড়ার হার কমে যাওয়ার বিষয়টিকে শিৰার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করছেন সংশ্লষ্টরা। এর আগে ব্যাপক প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে বুধবার সকাল ১১টায় শুরু হয় দেশের সর্ববৃহৎ এই পরীৰা। দ্বিতীয় দিন রাজধানীর বাইরের বিভিন্ন পরীৰা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীসহ শিৰা অধিদফতরের কর্মকর্তারা। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, পরিদর্শনকালে মন্ত্রী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন। কেন্দ্রে তিনি পরীৰার্থীদের প্রশ্নপত্র ভালভাবে পড়ে ও বুঝে উত্তরপত্র লেখার জন্য পরামর্শ দেন। মন্ত্রী বলেন, যে সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে তাতে পরীৰা সফলভাবে ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি এ পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য পরীৰার সঙ্গে সংশিস্নষ্টদের পাশাপাশি অভিভাবক, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক ভাইদের সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানান। এদিকে রাজধানীসহ সারাদেশের পরীক্ষা কেন্দ্র ও কেন্দ্রের বাইরে বৃহস্পতিবারেও ছিল একই আমেজ। রাতে অধিদফতরের কন্ট্রোল রুম থেকে জানা গেছে, সারাদেশের ছয় হাজার ১৬৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষার জন্য এবার নিবন্ধন করেছিল ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ২৩৫ জন শিক্ষার্থী। যার মধ্যে চার হাজার তিনজন শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং রিচিং আউট অব চিলড্রেন (রস্ক) প্রকল্পের আওতায় সাধারণ শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া পরীক্ষার্থী রয়েছে ৪৫ হাজার ৬৬৫ জন। প্রথমবারের মতো এবার পঞ্চম শ্রেণীর এই পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে গ্রেডিং পদ্ধতিতে। প্রথমিক শিৰায় দ্বিতীয় দিন শেষে সকল বিভাগে মোট অনুপস্থিত শিৰার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ৫৩৭ জনে। প্রথম দিন অনুপস্থিত ছিল এক লাখ ২৪ হাজার ৭৩০ জন। অন্যদিকে সকল বিভাগে ইবতেদায়ী শিৰা সমাপনীতে অনুপস্থিতির সংখ্যা কমেছে। প্রথম দিন যেখানে নিবন্ধন করেও পরীৰা কেন্দ্রে আসেনি ৫০ হাজার ২৯৯ জন সেখানে দ্বিতীয় দিন বাংলা পরীৰার সময় দেখা গেল অনুপস্থিত শিৰার্থীর সংখ্যা ৪৮ হাজার ৫৯৯ জন।