মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০১১, ৯ অগ্রহায়ন ১৪১৮
একটিও বড় বিদ‍ু্যত কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি
বেশিরভাগের দরপত্র প্রক্রিয়াই শেষ হয়নি
রশিদ মামুন ॥ এখন একটিও বড় বিদ্যুত কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। বেসরকারী বিদ্যুত কেন্দ্রের ভূমি উন্নয়ন এবং অর্থায়নের চেষ্টা চলছে। সরকারী কেন্দ্রের কোন কোনটির চুক্তি হয়েছে আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দরপত্র পক্রিয়াই শেষ করতে পারেনি পিডিবি। এতে করে সঠিক সময়ে সরকারের মধ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদী বিদ্যুত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
সংশিস্নষ্টরা বলছেন, ক্রমবর্ধমান হারে দেশের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বড় বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ করা জরুরী। বিদ্যুতখাতে অতীতের দুটি সরকারের ধারাবাহিক ব্যর্থতার পর বর্তমান সরকারও পরিস্থিতি বুঝতে এক বছর সময় নিয়েছে। বিশেষ আইন করার পরেও সরকার পরিকল্পনা এবং দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করতে দুই থেকে আড়াই বছর সময় নেয়, যা দেশের বড় বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনকে পিছিয়ে দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় বিদু্যত কেন্দ্র নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ভাড়াভিত্তিক এবং দ্রুত ভাড়াভিত্তিক কেন্দ্র থেকে সরকারকে বিদ্যুত কিনতে হবে। এ ক্ষেত্রে হয় সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে, না হলে বিদ্যুত বাবদ ভোক্তার ব্যয় বাড়বে।
চলতি মাসের ১০ তারিখে পিডিবির সচিব আজিজুল ইসলাম বিদ্যুত বিভাগের সচিব আবুল কালাম আজাদের কাছে প্রেরিত অগ্রগতি প্রতিবেদনে সরকারী বিভিন্ন বিদ্যুত কেন্দ্রের যে চিত্র তুলে ধরেছেন তাতে দেখা যায়, বড় বিদু্যত কেন্দ্র (২০০ মেগাওয়াটের ওপরে উৎপাদনৰমতা) নির্মাণে উলেস্নখযোগ্য কোন অগ্রগতি নেই। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানির (ইজিসিবি) হরিপুর-৩৬০ মেগাওয়াট বিদু্যত কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরম্ন হয়েছে। একই কোম্পানির সিদ্ধিরগঞ্জ-৪৫০ মেগাওয়াট বিদু্যত কেন্দ্র নির্মাণের জন্য স্পেনের আইসোলাঙ্ কোম্পানির কাজ পাওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়েছে। এর বাইরে ২০০ মেগাওয়াটের ওপরে অন্য কেন্দ্রের কার্যাদেশই দিতে পারেনি সরকার। এসব বিদু্যত কেন্দ্রের দরপত্র পক্রিয়াই শেষ করতে পারেনি পিডিবি।