মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০১১, ২৪ আশ্বিন ১৪১৮
ক্ষমতায় এসেই আ'লীগ সরকার সন্ত্রাস দমনে সক্রিয় হয়ে ওঠে
জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পরই আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার অভ্যনত্মরীণ এবং বিভিন্ন দেশে তৎপর সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো শুরু করে। এর ফলে ২০০৯ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সন্ত্রাস দমন সহযোগিতা আরও জোরদার হয়। এসব উদ্যোগের ফলে ভারতবিরোধী বিদ্র্রোহী গ্রুপ ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব অসমের (উলফা) শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত নবেম্বরে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা লস্কর-ই-তৈয়বা ও হরকত-উল-জিহাদ-ই-ইসলাম/ বাংলাদেশ-গ্রুপের বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করে। ২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার জন্য লস্করকে দায়ী করা হয়। বাংলাদেশ নিয়ে বিশ্বে সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসের ফাঁস করা যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের গোপন তারবার্তায় এমন মন্তব্য করা হয়েছে। ২০০৯ সালের ২০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো মার্কিন দূতাবাসের ঐ তারবার্তায় বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী তৎপরতার কারণে ভারতে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। এই গ্রেফতার অভিযানের ফলে বাংলাদেশ যে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে-এমন দুর্নাম ভুল প্রমানিত হয়। মার্কিন গোপন তারবার্তায় বলা হয়েছে, ২০০৫ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশজুড়ে আত্মঘাতী হামালার যে ব্যাপক প্রবণতা দেখা যায় তাঁর জন্য দায়ী জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ এখনও হুমকি হিসেবে রয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ৰমতায় আসার পর প্রথম তিন মাসে বেশ কয়েকজন জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। মার্কিন দূতাবাসের পাঠানো ঐ তারবার্তায় বলা হয়েছে, গত ফেব্রম্নয়ারি মাসে আওয়ামী লীগ সরকার মানি লন্ড্রারিং প্রতিরোধ আইন (এমএলপিএ)-২০০৯ এবং সন্ত্রাস দমন আইন ( এটিএ) সংসদে পাস করেছে। বিল দুটি পাস করার মধ্য দিয়ে গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জারি করা এ সংক্রানত্ম অধ্যাদেশ দুটি এখন আইনে পরিণত হলো। যদিও এ আইন দুটি আনত্মর্জাতিক আইনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তারবার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার তাঁর সীমানত্ম, ভূমি, সমুদ্রসীমা ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিধান করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সন্ত্রাসদমন বিষয়ক প্রধান সংস্থা র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন_ র্যাব সদস্যদের প্রশিৰণ প্রদান অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। সন্ত্রাস দমন সহযোগিতা কর্মসূচীর অধীনে যুক্তরাষ্ট্র সরকার অতিরিক্ত সরঞ্জামাদি সরবরাহ করার পাশাপাশি তাদের প্রশিৰণ প্রদান করবে।