মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১১, ১০ বৈশাখ ১৪১৮
মানবাধিকার বজায় রেখেই 'সেফ হোমে' জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ॥ আইন প্রতিমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার ॥ আদালতের নির্দেশনা মেনে মানবিক আচরণ এবং সম্পূর্ণ মানবাধিকার বজায় রেখেই 'সেফ হোমে' যুদ্ধাপরাধীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, 'সেফ হোম' কোন টর্চার সেল নয়। চিকিৎসক ও আইনজীবীদের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতেই বিএনপি এই 'সেফ হোম' নিয়ে বিতর্ক ছড়াচ্ছে। যারা যুদ্ধাপরাধী ও সম্পদ লুণ্ঠনকারীদের পৰে কথা বলেন তাঁরা 'বিশ্ব বেহায়া' ছাড়া আর কিছুই নয়।
শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আমরা মুক্তিযোদ্ধার সনত্মান আয়োজিত 'মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতা সংগ্রাম : সমকালীন প্রেক্ষাপট' শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
খালেদা জিয়ার উদ্দেশে আইন প্রতিমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনার দুই পুত্র কোকো-তারেক ভাল মানুষ হলে কেন আদালতে আসেন না? সাহস থাকলে আদালতে এসে তাদের মামলা মোকাবেলা করম্নক। তাঁরা বাংলাদেশে মানি লন্ডারিংয়ের জন্ম দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিশেষ কারও মামলা নয়, সকল মামলাই আমরা দ্রম্নত নিষ্পত্তি করতে চাই। দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা, গ্রেনেড হামলা মামলায় অভিযুক্তদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। হাওয়া ভবনে বসে যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদেরও বিচার করা হবে। এ সময় তিনি চারদলীয় জোট ও আমিনীদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, আসুন কোথায় বসবেন?
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহম্মদ হোসেন বলেন, নারী নীতিতে ইসলাম বিরোধী কোন কথা থাকলে দেখিয়ে দিন। নারী নীতি নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে আমিনীকে বিএনপি এজেন্ডা দিয়ে মাঠে নামিয়েছে। আমিনীর নিজের কোন শক্তি নেই। মূলত বিএনপির শেল্টার পেয়েই আমিনী এসব করার সাহস পাচ্ছে। বিএনপি শেল্টার তুলে নিলেই আমিনীর পায়ের নিচে কোন মাটি থাকবে না।
'আমরা মুক্তিযোদ্ধা সনত্মান'-এর সভাপতি হুমায়ন কবীরের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ করীম ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সভাপতি আজম খান।