মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৭ অগ্রহায়ন ১৪২১
রাজকীয় খেতাব হারাচ্ছেন থাই রাজবধূ
তৃতীয় স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের রাজকীয় খেতাব ব্যবহারের অধিকার কেড়ে নিতে সরকারকে আদেশ দিয়েছেন থাইল্যান্ডের যুবরাজ ভাজিরালংকর্ন। দুর্নীতির অভিযোগে স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সাত আত্মীয় গ্রেফতার হওয়ার পর থাই যুবরাজ এ আদেশ দেন। খবর- বিবিসির।
২০০১ সালে ভাজিরালংকর্নের ও তৃতীয় স্ত্রী রাজবধূ শ্রিরাসমি আক্রাপংপ্রিচার বিয়ে হয়। যুবরাজের এ সিদ্ধান্ত রাজকীয় এ দম্পতির বিয়ে বিচ্ছেদের প্রথম পদক্ষেপ বলে থাইল্যান্ডজুড়ে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুজনে একসঙ্গে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলোতে হাজির হওয়া অব্যাহত রাখলেও তাঁরা আলাদাভাবে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে। রাজবধূ শ্রিরাসমির পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার ও চাকরি থেকে বরখাস্তের ঘটনা গত দশ দিন ধরে থাইল্যান্ডের গণমাধ্যমগুলোতে ব্যাপক প্রচার পেয়েছে। রাজবধূর চাচাকে, যিনি পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, চোরাচালান ও জুয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর চার চাচাত ভাইবোন ও আরও দুই আত্মীয়কেও আটক করা হয়। এ পরিস্থিতিতে যুবরাজ ভাজিরালংকর্নের দফতর থেকে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে তাদের বিয়ের পর শ্রিরাসমি ও তার পরিবার রাজকীয় খেতাব ব্যবহারের যে অধিকার পেয়েছিলেন তা কেড়ে নেয়ার আদেশ দেয়া হয়েছে। থাইল্যান্ডের রাজা ভুমিবল আদুলিয়াদেজ এখন ৮৬ বছরের বৃদ্ধ, কিছু দিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থাও ভাল যাচ্ছে না। তাঁর মৃত্যু হলে যুবরাজ ভাজিরালংকর্ন হবেন থাইল্যান্ডের পরবর্তী রাজা। ভাজিরালংকর্ন রাজা হলে শ্রিরামসি থাইল্যান্ডের রানী হতেন বলে ধারণা করা হতো। এমন একটি নাটকীয় সময়ে রাজবধূ শ্রিরাসমি তার রাজকীয় খেতাব হারাতে যাচ্ছেন।