মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ১৬ মে ২০১১, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৮
উত্তর কোরিয়া ও ইরানের ৰেপণাস্ত্র প্রযুক্তি বিনিময়
নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন
উত্তর কোরিয়া ও ইরান জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে নিয়মিত ব্যালিস্টিক ৰেপণাস্ত্র প্রযুক্তি বিনিময় করে এসেছে বলে মনে হয়। জাতিসংঘের এক গোপনীয় রিপোর্টে এ কথা বলা হয়। খবর ওয়েবসাইটের।
রিপোর্টে বলা হয়, এক প্রতিবেশী তৃতীয় দেশের মাধ্যমে অবৈধ প্রযুক্তি হস্তান্তার করেছে। ঐ তৃতীয় দেশটি ছিল চীন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কূটনীতিকরা উল্লেখ করেন। রিপোর্টটি ইরানের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সহযোগিতা নিয়ে সৃষ্ট সন্দেহ আরও ঘনীভূত করবে বলে মনে হয়। এটি তেহরান ও পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে দিতে চীনের প্রতিশ্রম্নতি নিয়েও উদ্বেগ বৃদ্ধি করতে পারে। ইরান ও উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচীর কারণে এদের বিরম্নদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। দূতরা এ কথা বলেন। জাতিসংঘের এক বিশেষজ্ঞ প্যানেল শুক্রবার রিপোর্টটি নিরাপত্তা পরিষদের কাছে পেশ করে। এ প্যানেলই পিয়ংইয়ংয়ের ওপর আরোপিত জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞা পালন পর্যবেৰণ করে থাকে। উত্তর কোরিয়া ২০০৬ ও ২০০৯ সালে দু'টি পারমাণবিক পরীৰা চালানোর পর ঐ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। জাতিসংঘ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক ও ৰেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে ব্যবসা করা নিষিদ্ধ এবং দেশটির ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করে।

কায়রোতে খ্রীস্টানদের সমাবেশে হামলা ॥ নিহত ২
মিসরের রাজধানী কায়রোতে রবিবার খ্রীস্টানদের প্রতিবাদ সমাবেশের ওপর উচ্ছৃঙ্খল জনতার হামলায় দু'ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া প্রায় ৬০ জন আহত হয়েছে। স্থানীয় কপটিক খ্রীস্টানরা কায়রোর টেলিভিশন ভবনের বাইরে প্রতিবাদ করার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় অজ্ঞাত পরিচয় একদল লোক তাদের ওপর হামলা করে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন রবিবার সকালে এ খবর দিয়েছে। প্রত্যৰদশর্ীরা জানিয়েছে, শনিবার রাত ৯টায় হানাহানি শুরম্ন হয়। এতে অনত্মত ১০টি গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৫০ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী হসত্মৰেপ করেছে। সম্প্রতি কায়রোর এক চার্চে অগি্নসংযোগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট খ্রীস্টান-মুসলিম সংঘর্ষে ১৫ জন নিহত হয়। খবর আল জাজিরা অনলাইনের।

সৌদি আরবে প্রথম মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়
রিয়াদ, ১৫ মে, সিনহুয়া ॥ সৌদি আরবের বাদশাহ্ আব্দুলস্নাহ্ বিন আব্দুল আজিজের রবিবার দেশটির প্রথম রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
শনিবার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ জানায়, রিয়াদে স্থাপিত প্রিন্সেস নোরা বিন আব্দেল রহমান মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মেডিসিন, ফার্মেসি, ব্যবস্থাপনা, কম্পিউটার সায়েন্স এবং ভাষা বিষয়ক কোর্সগুলো পড়ানো হবে। সৌদি আরবের প্রকাশ্যে নারী-পুরম্নষের একসঙ্গে চলাফেরার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় মহিলারা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়ন করতে অসুবিধার সম্মুখীন হন। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অভ্যনত্মরে প্রশাসনিক ভবন, সর্বাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামসহ ৭০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি হাসপাতাল, একটি ছাত্রীবাসসহ একটি আবাসিক এলাকা, দুটি স্পোর্টস ক্লাব, একটি সম্মেলন কৰ এবং বাণিজ্যিক বিপণিবিতান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বয়ংক্রিয় ও কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যানবাহনসহ একটি উচ্চ প্রযুক্তির পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব গুরম্নত্বপূর্ণ স্থানের সঙ্গে এই পরিবহন ব্যবস্থার সংযোগ রয়েছে। তেল সমৃদ্ধ দেশটিতে রাষ্ট্র পরিচালিত বালিকা বিদ্যালয় ও কিছু মহিলা কলেজ রয়েছে।