মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০১১, ২১ পৌষ ১৪১৭
অস্ট্রেলিয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, ত্রাণকাজে সেনাবাহিনী
অস্ট্রেলিয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে বৃষ্টিপাতের কারণে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠতে পারে বলে আবহাওয়া বিভাগ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। সামরিক বাহিনীর বিমান ত্রাণ নিয়ে উপদ্রম্নত রকহ্যাম্পটন শহরে গেছে। বন্যার কারণে শহরটির সঙ্গে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। এ পর্যন্ত বন্যায় ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তলিয়ে গেছে ২২টি শহর। ২ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। খবর এএফপি, বিবিসি ও ওয়েবসাইটের।
অস্ট্রেলিয়ায় এই ভয়াবহ বন্যা কবলিত এলাকার আয়তন ফ্রান্স ও জার্মানির সমান। বন্যার কারণে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ২২টি শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ৰতিগ্রসত্ম হয়েছে দুই লাখ মানুষ। সেনাবাহিনী খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে রকহ্যাম্পটন শহরে গেছে। এই শহরে ৭৫ হাজার মানুষের বাস। সোমবার উপকূলের পানি বৃদ্ধির কারণে কয়েক শ' বাড়ি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কুইন্সল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী এ্যানা বিস্নগ উপদ্রম্নত এলাকার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার পর বলেন, রকহ্যাম্পটন শহর দেখে মনে হচ্ছে সাগরের মধ্যে একটি দ্বীপখ-। তিনি বলেন, আমাদের গুরম্নত্বপূর্ণ বহু শহর ও আঞ্চলিক কেন্দ্র বন্যায় তলিয়ে গেছে। এটা খুবই বেদনাদায়ক। দেশটির দৰিণ ও পশ্চিমাঞ্চল ডুবে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আঞ্চলিক গুরম্নত্বপূর্ণ বিমানবন্দরও বন্ধ হয়ে গেছে। উপদ্রম্নত এলাকায় খাদ্য সঙ্কটের আশঙ্কায় কর্তৃপৰ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। এ্যানা বলেন, দুর্গতদের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই দুরূহ কাজ।
প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড উপদ্রম্নত এলাকার জন্য জরম্নরী অর্থ বরাদ্দ করেছেন। গিলার্ড সাংবাদিকদের বলেন বন্যার পানি সরে গেলে বিপুল পরিমাণ ৰয়ৰতির ছবি আমাদের সামনে দেখা দেবে। তবে আমরা অবশ্যই জরম্নরী অবকাঠামো নির্মাণে রাজ্য সরকারের সঙ্গে একত্রে কাজ করব। কর্মকর্তারা বলছেন, এই সঙ্কট আরও এক মাস অব্যাহত থাকবে।