মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৭ ভাদ্র ১৪২০
আবার পর্দার আড়ালে খেলা শুরু?
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
গত ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এবং দুই দিন পরই ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকার গুলশানে সুশীল সমাজের এক আঁতেল ব্যক্তির বাসায় দুটি বৈঠক হয়ে গেল। প্রথমটি রাত্রে এবং দ্বিতীয়টি দুপুরে অনুষ্ঠিত হওয়ায় প্রথমে মনে হয়েছিল এটা বুঝি ঢাকার সুশীল সমাজের একশ্রেণীর আঁ-তেলের ঘরোয়া প্রীতিভোজসভা। যার গুলশানের বাড়িতে পর পর এ দুটি বৈঠক হয়েছে, তিনি ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য। এক এগারোর সময় থেকে তিনি সেনাপ্রিয় ভট্টাচার্য্য নামে অনেকের কাছে পরিচিত।
ঢাকার বন্ধু-বান্ধবরা যখন খবরটি কানে দিলেন, তখন এটাকে কোন গুরুত্ব দেইনি। ভেবেছি, এটা ছিল সম্ভবত সুশীলদের একটা খোশগল্পের আসর। সন্দেহটা জাগল, সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভট্টাচার্য্যি মশায় যা বলেছেন, তা শুনে। কাগজে বেরিয়েছে, সাংবাদিকরা তাঁর বাড়িতে পর পর দুই বৈঠকের কোন কারণ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি রুষ্ট কণ্ঠে বলেছেন, ‘একজনের বাড়িতে লোকজন তো আসতেই পারে।’ তার পর আরও রুষ্ট স্বরে বলেছেন, ‘আমি এখন এ সম্পর্কে কিছুই বলব না।’
ভট্টাচার্য্যি মশায়ের এই ভাব দেখেই অনেকের মনে সন্দেহের ভাবটা গাঢ় হয়েছে। আমার মনে প্রথমে আদৌ সন্দেহ দেখা দেয়নি। ভট্টাচার্য্যি মশায় নিজেকে ঢাকায় একটি সুশীল সমাজের একজন কেউকেটা মনে করেন। তিনি যদি সমাজে এই স্ট্যাটাসটা বজায় রাখার জন্য নিজেদের কড়ি খরচ করে তাঁরই মতো কিছু ‘এলিটকুলচূড়ামনি’ এবং বিদেশের কূটনীতিক বাসায় এনে আপ্যায়ন করেন তাতে তো কারও কিছু বলার থাকতে পারে না।
কিন্তু দুই বৈঠকেই যাঁরা জমায়েত হয়েছিলেন খবরের কাগজে তাদের নামের তালিকা দেখে আমার মনেও সন্দেহ দেখা দিল এবং রামায়নে বর্ণিত ‘কালনেমির লঙ্কাভাগের’ বৈঠকের গল্প মনে পড়ল। ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্যরে বাসায় বৃহস্পতিবার যাঁরা জমায়েত হয়েছিলেন তাঁরা হলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত মজেনা, ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ, কানাডার রাষ্ট্রদূত হিথার ক্রুডেন, রেহমান সোবহান, ড. মুস্তাফিজুর রহমান (সিপিডি), বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল, তাঁর সহপাঠী এবং বন্ধু বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ আহমদ, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারমান আবুল খায়ের লিটু।
সম্ভবত এটা ছিল রিহার্সাল পর্ব। দুই দিন পর শনিবারের বৈঠকে আসল ব্যক্তিদের আবির্ভাব ঘটে। তাঁরা হলেন ড. ইউনূস, ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও মার্কিন রাষ্ট্রদূত মজেনা। সাক্ষীগোপাল হিসেবে ভারতের হাইকমিশনার ওই শেষের বৈঠকে সম্ভবত হাজির হননি অথবা আমন্ত্রিত হননি। ভট্টচার্য্যি মশায় তো দুটি বৈঠকেরই নিমন্ত্রণকর্তা। শনিবারের দ্বিতীয় বৈঠকের অতিথিদের নামের তালিকা দেখে আমার মনে হয়েছে তালিকাটি সম্পূর্ণ নয়। আরও দুটি নাম যুক্ত হলে তালিকাটি সম্পূর্ণ হতো এবং আরও তাৎপর্যপূর্ণ হতো। এই দুটি নাম হলো প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান এবং ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। ড. কামাল হোসেনকে দুই বৈঠকেই গরহাজির দেখে বিস্মিত হয়েছি। তিনি কি আমন্ত্রিত হননি, না দেশে নেই?
মনে সন্দেহ পুষে রাখতে নেই। তাই ঢাকার রাজনৈতিক মহলের দুই-একজন বন্ধু-বান্ধবকে জিজ্ঞাসা করলাম, চেনা বামুনের যেমন পৈতা লাগে না, তেমনি আমাদের ভট্টাচার্য্যি মশায়েরও আসল পরিচয়ের পৈতার দরকার নেই। হঠাৎ তাঁর বাড়িতে দু’দুদিন দেশী-বিদেশী আরও অনেক চেনা বামুনের সমাবেশ কেন? খবরটা দেখে তো মনে সন্দেহের ঘোর লাগছে।
কোন কোন বন্ধু বললেন, এমনও হতে পারে, দেশে একটি সাধারণ নির্বাচন সামনে নিয়ে একটা রাজনৈতিক সঙ্কট চলছে। ভট্টাচার্য্যি মশায় একজন ‘মহৎ সুশীল’। এক এগারোর সময় সেনা-তাবেদার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের চাকরি নিলেও তাঁর গণতান্ত্রিক ক্রেডিনসিয়ালে কোন ময়লা দাগ লাগেনি। তিনি এখনও সুশীল সমাজের একটা শ্রেণীর অন্যতম মাথা। তাই হয় তো অন্য সুশীলদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠকে আলাপ আলোচনা করছেন কি করে সেই সঙ্কট সমাধানের একটা পন্থা বের করা যায়।
বলেছি, খুবই হিতকরী উদ্যোগ। তিনি দেশহিতৈষী বৈকি। কিন্তু মনের খটকা দূর হচ্ছে না। যদি ভট্টাচার্য্যি মশায়ের এ উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে সকলকে নিয়ে মিলেমিশে আলাপ-আলোচনা হবে, তাহলে দুটি বৈঠকের দুটিতেই কেবল এক এগারোর সময়ের চেনা মুখ, বিশেষ মহলের বিশেষ মুখ এবং একই বিদেশী কূটনীতিকদের (একমাত্র নতুন যোগ ভারতীয় হাই কমিশনার) দেখা যাবে কেন?
বৃহস্পতিবারের বৈঠকে বিএনপির ফখরুল মির্জাকে সবান্ধবে (সালেহ আহমদ) দেখা গেছে। জাতীয় পার্টির এক নেতাকেও দেখা গেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কাউকে, কিংবা মহাজোটের শরিক উল্লেখযোগ্য দল যেমন ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদের (ইনু) কাউকেও দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগের এক সময়ের সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিতদের কাউকে ডাকা হয়নি। অন্তত তোফায়েল আহমদ এলে বর্তমান সঙ্কট নিরসনে পন্থা বাতলাতে সুপরামর্শ দিতে পারতেন।
শনিবারের বৈঠকেও আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রকৃত ঘরানার কাউকে দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে যেমন দেখা গেছে বিএনপি মহাসচিবকে, তেমনি শনিবারের বৈঠকে আসর জমিয়েছেন অর্ধনোবেলজয়ী ড. ইউনূস। আওয়ামী লীগবিরোধী শিবিরের তিনি এখন প্রধান কা-ারি।
‘একা রামে রক্ষা নেই, সুগ্রীব দোসর’ অর্থাৎ ভট্টাচার্য্যি মশায়ের শনিবারের বৈঠকে ড. ইউনূসের সঙ্গে ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদকেও দেখা গেছে। তিনি সম্ভবত এখন ইউনূস শিবিরের নতুন ‘বয়েত’। বেশ কিছুকাল আগে অর্ধনোবেলজয়ীর সঙ্গে ঢাকায় হিলারি ক্লিনটনের কাছে গিয়ে তাঁকে ‘দীক্ষা’ গ্রহণ করতে দেখা গেছে বলে অনেকে বলে থাকেন।
দুটি বৈঠকেই আওয়ামী লীগের বিরোধী শিবিরের ছাপটা বেশি দেখা গেছে। সুশীল সমাজের যাঁরা এসেছেন, ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় এবং এক এগারোর সময়েও তাদের ভূমিকা চিহ্নিত। এই বৈঠকের দুটিতেই মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে দেখা গেছে। তাতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। ২০০১ সালের নির্বাচনের সময় তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ্যান মেরির যে সুপার একটিভ তৎপরতা দেখা গিয়েছিল, বর্তমান রাষ্ট্রদূত মজেনা সাহেব তারই অনুকরণ করছেন, তবে দুইজনেরই উদ্দেশ্য অভিন্ন কিনা, তা কিছু দিনের মধ্যেই পরিষ্কার হবে।
ভট্টাচার্য্যি মশায়ের প্রীতিভোজের (?) আসরে নতুন সংযোগ ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার। বাংলাদেশ সম্পর্কে দিল্লীর ভূমিকা এখনও স্পষ্ট নয়। কেউ কেউ বলেন, তারা ডুড ও টামাক এক সঙ্গে পান ও সেবন করতে চান। বাংলাদেশ সম্পর্কে দিল্লী ও ওয়াশিংটনের ভূমিকা এখন সম্পূর্ণ অভিন্ন তা আমি মনে করি না। তাহলে ঢাকায় ভট্টাচার্য্যি মশায়ের বাসায় বৃহস্পতিবারের বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনারের উপস্থিতি কি কেবল সুশীল সমাজের অভিসন্ধি বোঝার জন্য সাক্ষীগোপালের ভূমিকা গ্রহণ? এটা ভট্টাচার্য্যি মশায়ের বা সুশীল সমাজের আর কোন সুশীলের বাড়িতে আরেক দফা বৈঠক না হওয়া এবং তাতে আমন্ত্রিতদের তালিকা না দেখা পর্যন্ত বোঝা যাবে না।
ভট্টাচার্য্যি মশায়ের গুলশানের বাসায় দু’-দু’টি বৈঠক সম্পর্কে এতক্ষণ আমি যা লিখেছি, তার সবই আমার অনুমান মাত্র। আসলে বৈঠকে কী হয়েছে, শুধু খানাপিনা, খোশগল্প, না রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক কথাবার্তাও হয়েছে, তা কেবল ভট্টাচার্য্যি মশায় এবং তাঁর অতিথিরাই বলতে পারবেন। কিন্তু অতিথিদের নামের তালিকা এবং পরিচয় দেখে মনে হয় আমার অনুমান ভুল নয়। এতগুলো চেনামুখের একটি চেনাবাড়িতে পর পর দু’দিন বৈঠক কেবল খোশগল্পের আড্ডা হতে পারে না। কোন কূপ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখলে যেমন নিচে আগুন আছে বোঝা যায়, তেমনি ভট্টাচার্য্য-িবাড়ির এই দু’টি বৈঠকেও ২০০১ সালের মতো নির্বাচনের সময়ের আঁতেল ও একই পশ্চিমা দেশের কূটনীতিকদের সমাবেশ দেখে কেউ পর্দার আড়ালে ২০০১ সালের পুরনো খেলা শুরু হয়েছে বলে অনুমান করলে তাঁকে দোষ দেয়া যাবে কি?
২০০১ সালের নির্বাচনের সময় বর্তমান সুশীল সমাজের আরেক প্রয়াত নেতা ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমদের বাসায়, এমনকি বঙ্গভবনে তখনকার রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের ‘কনসাস-কীপার’ হিসেবে যাদের ভিড় জমতে দেখা গিয়েছিল, হালে ভট্টাচার্য্যি মশায়ের গুলশানের বাসায় তাদেরই কয়েকজনের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। কেবল ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেনকে এ দুই বৈঠকে দেখা যায়নি, শীঘ্রই তৃতীয় দফা বৈঠকে হাজির হতে দেখলে বিস্মিত হব না। কেবল ২০০১ সালের টিমের ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমদ ও মান্নান ভূঁইয়াকে আর দেখা যাবে না। কারণ, তাঁরা প্রয়াত। মান্নান ভূঁইয়ার শূন্যস্থান পূরণ করেছেন মির্জা ফখরুল।
আওয়ামী লীগ এবং দেশের গণতান্ত্রিক শিবির যদি সময় থাকতে পর্দার আড়ালের এই খেলা এবং বিদেশী স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত এলিট ক্লাস ও বিগ এনজিওর এই চক্রান্ত সম্পর্কে সতর্ক না হোন, তাহলে ২০০১ সালের মতোই তাঁরা ভুল করবেন। একদিকে ইউনূস সেন্টার নামক নতুন কাশিমবাজার কুঠি, সুশীল সমাজের ভট্টাচার্য্যি মশাইদের বাসায় বৈঠকি আড্ডার নামে রাজনৈতিক শলাপরামর্শ এবং একশ্রেণীর টেলিভিশনে টকশোর নামে অসাধু প্রচার জোট পাকিয়ে গণবিরোধী শক্তিশালী ফ্রন্ট গড়ে তুলেছেন, অন্যদিকে বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত মিলে পবিত্র ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে আরেকটি অনুরূপ শক্তিশালী ফ্রন্টের জন্ম দিয়েছে।
বাহ্যিকভাবে মনে হবে এ দুই ফ্রন্টের মধ্যে চরিত্র ও আদর্শগত পার্থক্য এবং বিরোধ রয়েছে। আসলে তা নেই। একটি ফ্রন্ট আরেকটি ফ্রন্টকে তাদের আওয়ামীবিরোধী প্রচারণা ও তৎপরতা দ্বারা সাহায্য যোগাচ্ছে। এ জন্যই ড. ইউনূস বা ভট্টচার্য্যি মশাইদের সুশীল সমাজ নারীর অধিকার ও স্বাধীনতা এবং অসাম্প্রদায়িকতার পক্ষে কথা বললেও তাদের রাজনৈতিক প্রচার প্রোপাগান্ডা বিএনপি-জামায়াত-হেফাজতী জোটকে ক্ষমতায় যাওয়ার পথে সাহায্য যোগাচ্ছে এবং বিএনপি-জামায়াত শিবিরে ড. ইউনূসের এত খাতির তোয়াজ।
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অনিয়ম, কর ফাঁকি দেয়া ইত্যাদি নানা অভিযোগ উঠেছে এবং সেই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটা কোন রাজনৈতিক ইস্যু নয়; ট্যাক্স, কর ইত্যাদি ফাঁকি দিলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে কোন দেশের বিখ্যাত ব্যক্তিরাও অব্যাহতি পান না; বাংলাদেশে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনিও পাবেন না।
কিন্তু এটাকেও বিএনপি রাজনৈতিক ইস্যু করে ড. ইউনূসের পক্ষাবলম্বন করেছে। সুতরাং ইউনূস-শিবির (ভট্টাচার্য্যি মশায়রা যে শিবিরের লোক) এবং বিএনপি-জামায়াত শিবির যে বাইরে আলাদা হলেও তাদের রাজনৈতিক চরিত্র ও লক্ষ্য এক, তা বুঝতে দেরি হওয়ার কথা নয়। এ দুই শিবিরের তৎপরতা ও প্রচারণা শুধু আওয়ামী লীগের জন্য নয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্যই এক ভয়ানক হুমকি। আওয়ামী লীগকে এই শক্তিশালী চক্রান্তের ব্যুহ ভেদ করার জন্য একলা চলার নীতি ত্যাগ করতে হবে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির ছোট বড় সকল দলকে শেখ হাসিনা ডাকুন। ২০০১ সালের মতো যে নতুন চক্রান্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ও গোপনে ঘাঁটি শক্ত করছে সেই ঘাঁটি ভেঙ্গে দেয়ার জন্য পাল্টা গণতান্ত্রিক ঐক্যজোট গঠন করুন এবং এলিট ও হেফাজতী দুই শিবিরের মুখোশই জনগণের কাছে খুলে দিন।

লন্ডন, ১০ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ২০১৩