মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ১০ মে ২০১৩, ২৭ বৈশাখ ১৪২০
রাজাকার, রাজাকারপন্থী, রাজাকারের বাচ্চাদের কর্তৃত্ব এ দেশে আর হবে না
মুনতাসীর মামুন
॥ দ্বিতীয় কিস্তি ॥
৫ মে সকাল থেকে অধিকাংশ ঢাকাবাসী ছিলেন টেলিভিশনের সামনে। বিদ্যুতায়িত মাধ্যম এখন অতি শক্তিশালী। প্রায়ই আমি এ তত্ত্বটি উল্লেখ করি তা’হলো, বাঙালীরা জেনেটিক্যালি গ-গোলে জাতি এবং তাদের ঝোঁক ডানপন্থার দিকে। আওয়ামী লীগকে ধরা হয় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল। আসলে তা’ নয়। সম্মিলিতভাবে আওয়ামী লীগবিরোধী ভোটের সংখ্যা বেশি। সে জন্য আওয়ামী লীগ নেতারা সবসময় ভোটার নিয়ে চিন্তিত থাকেন বেশি। আওয়ামী লীগেও ডানপন্থার ঝোঁক প্রবল, হেফাজতী ইস্যুতে যা ফুটে উঠেছে। শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রিত্বের দু’টি দিক আছে। তার বর্তমান আমলে, সবচেয়ে বেশি নাশকতামূলক ঘটনা ঘটেছে এবং এর পিছে কোন না কোনভাবে বিরোধীদের চক্রান্ত ছিল। এত চক্রান্ত দমন করে টিকে থাকা দুষ্কর। সে কারণে তিনি মানসিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন গুটিকতক নেতা-আমলা ও সেনাবাহিনীর ওপর। তার পৃষ্ঠপোষকতায় যারা নেতা বা ক্ষমতাবান তারা সবাই যোগ্য ও বিশ্বস্ত এমন কথা শেখ হাসিনার একান্ত শুভার্থীরা তার সামনে বললেও, অপ্রকাশ্যে বলেন না। পৃষ্ঠপোষকতায় যারা নেতা হয়েছেন তারা ‘ইয়েস মিনিস্টার’ ছাড়া কোন পরামর্শ দেয়ার সাহস রাখেন না বা নেতা সেই সুযোগও দেন না। শুধু তাই নয়, মধ্যবিত্ত সিভিল সমাজের সঙ্গে তার সম্পর্কও বিচ্ছিন্ন। এ কারণে, তার অবস্থান এখন দুর্বল, যদিও তিনি ভাবেন সবল। এর প্রতিফলন দেখি, আওয়ামী লীগের মিছিলে যেখানে ৫০ জনের বেশি হয় না বা সমাবেশে যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কতজন আসে সন্দেহ। এ দুর্বলতাগুলো তার মতো রাজনীতিবিদ একেবারে অনুভব করেন না তা নয়, কিন্তু উপেক্ষা করেন। তার আমল শেষ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু গ্রেনেড হামলা, দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা, মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা এখনও শেষ করা গেল না বা রায় কার্যকর হয়ত করা যাবে না। একদিন এজন্য তিনি আফসোস করবেন।
এ দুর্বলতাগুলো পরিস্ফুট হয়েছিল দেখেই বিএনপি-জামায়াত এমনভাবে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিল। সব গুরুত্বপূর্ণ পদে নারী দেয়াতে চমক থাকতে পারে কিন্তু তা নারীর ক্ষমতায়ন নয়, ভোট আকর্ষণও নয়। মাদ্রাসা আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক নয়। তাদের তোষামোদ করলেও নয়। এ কথা নীতি নির্ধারকরা বিশ্বাস করেন না- এমন এক কল্পনার জগতে তারা বাস করেন। আওয়ামী লীগ আমলে দু’টি প্রতিষ্ঠান লাভবান হয়- এক. মিলিটারি, দুই. ধর্ম (মাদ্রাসা ইত্যাদি)। আওয়ামী নেতৃত্বের ধারণা এদের সন্তুষ্ট রাখলেই মোক্ষ হাসিল হবে। দু’টি ধারণাই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তুলনামূলকভাবে মাদ্রাসা শিক্ষা যত লাভবান হয়েছে এ আমলে, অন্য কোন আমলে তা হয়নি। শুধু তাই নয়, শিক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৪৭-১৯৭৫) বাধ্যতামূলক না করে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ধর্ম শিক্ষা যা দেশকে আরও মৌলবাদী করবে। এ আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল আহমাদ শফীর কারণে। তিনি প্রতিদান কী দিলেন?
জামায়াতের বিরোধী আরও ‘ইসলামী’ দল আছে যারা একটা পর্যায় পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বা ১৪ দলকে সমর্থন দেয়। ইসলামী দল মানেই ইসলামের ব্যবহার। আমাদের এখানে ইসলামী চিন্তার ক্ষেত্রে ধারা দুটি- দেওবন্দী ও বারলেভি। দু’টিই হানাফি ফিকাহ্্ অনুসরণকারী এবং দুটিই বিশ্বাসী তকলিফে ইজতেহাদে নয়। দেওবন্দীরা নবী (স.) অতীন্দ্রয়বাদীতায় বিশ্বাসী নয়। মাজার, মিলাদ পীর প্রভৃতি দেওবন্দী ধারায় বিদ‘আ। তারা পছন্দ করে না বারলেভি, আহমদিয়া, আহলে হাদিস ও শিয়াদের। দেওবন্দীদের প্রতিক্রিয়ায় বারলেভির আহমেদ রেজা খান (১৮৪৪-১৯২১) গড়ে তোলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআ’ত। তারাও তকলিফে বিশ্বাসী, কিন্তু নবী (স)-এর অতীন্দ্রয়বাদ, মাজার, পীর তারা মানেন। তারাও বিরোধী তবলিগ, আহমদিয়া, আহলে হাদিস, শিয়া ও দেওবন্দীদের। সুতরাং তফাত সামান্য। মওদুদীবাদের সঙ্গে দেওবন্দীদের কী খুব একটা বিরোধ আছে তাত্ত্বিক দিক থেকে? ওই রকম বিরোধ থাকলে কিন্তু হেফাজতীরা জামায়াতী হতো না। আহমাদ শফী অনেক লিখেছেন জামায়াতীদের বিরুদ্ধে, কিন্তু অন্তিমে মওদুদীবাদকেই গ্রহণ করেছেন- এটি মনে রাখা বাঞ্ছনীয়। বরং এখন দেখা যাচ্ছে বারলেভিদের সঙ্গে বরং তাদের বিরোধটা তীব্র। শাসকদের অধিকাংশ বারলেভিপন্থী; তাই তাদের উচিত ছিল দেওবন্দীদের তোষণ করা নয়, কৌশলগত কারণে বারলেভিদের পৃষ্ঠপোষকতা করা- একথা মনে রেখে যে, অন্তিমে এরা কেউ ১৯৭২ সালের সংবিধান বা সেক্যুলার সমাজে রাজি নয়। কিন্তু, তা না করে দেওবন্দীদের অতি তোষণের ফলে আজ এরকম হযবরল অবস্থা। শোনা যায়, মিথ্যাও হতে পারে- সরকার ও বিরোধী দল দুতরফ থেকেই টাকা খেয়েছে হেফাজতীরা।
ইসলামের ইতিহাসে ইয়াজীদ যে ভূমিকা পালন করেছেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে সে ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয় তখন মাদ্রাসা থেকে সেক্যুলার ইস্কুলের সংখ্যা ছিল বেশি। জিয়াউর রহমান ইয়াজীদের মতো ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য ইসলাম ব্যবহার শুরু করলেন। আসলে নবী (স)-এর পর থেকেই ক্ষমতায় থাকার জন্য ধর্মের ব্যবহার শুরু, ইয়াজীদ তার একটি পর্যায় মাত্র। সেই থেকে এখন পর্যন্ত সে ধারায়ই চলছে। তবে, জিয়ার কাছে জাতি কৃতজ্ঞ যে, পাকিস্তানীদের মতো তিনি সবার লুঙ্গি পরীক্ষা করে মুসলমানি করাননি। পাকিস্তানীরা আমাদের মুসলমানত্ব দেখার জন্য ওই পর্যন্তও যেত। ভিকারুননিসা নূন যখন গবর্নর পতœী তখন তার নামাঙ্কিত স্কুলের নামকরণ করতে এসে বলেছিলেন, বাঙালীরা খতনাও করে না, সুতরাং তারা মুসলমান না। পরের দিন পোস্টার পড়েছিল তার সাহসের প্রশংসা করে যে, তার মতো একমাত্র পাঞ্জাবি মহিলাই পারে এতজনের মুসলমানত্ব পরীক্ষা করতে। এরপর থেকে মুসলমানত্ব সম্পর্কে তার যাবতীয় বাতচিত বন্ধ হয়ে যায় এবং এর কিছুদিন পরই ওই দম্পতি ঢাকা ত্যাগ করেন। আসলে এই স্কুলের নামটি বদল হওয়া উচিত। যিনি বাঙালীর খতনায় বিশ্বাসী নন তার নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম থাকা বাঞ্ছনীয় নয়।
যাহোক, জিয়া-এরশাদ ইসলামের নামে খুন-জখম-লুট-ব্যভিচার কিছুই বাদ রাখেননি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এতে রক্ষণাত্মক ভূমিকা গ্রহণ করে। তারা যে মুসলমান এটি বিএনপি ও জাতীয় পার্টি বা জামায়াতের কাছে পরীক্ষা দেয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠে। এভাবে ব্যবহারকারী ও যারা ধর্মকে ব্যবহার করতে চায় না, দু’পক্ষই ধর্মকে স্পেস ছেড়ে দিতে লাগল, সঙ্কুচিত হয়ে গেল ধর্ম-সহিষ্ণুতা বা ধর্মনিরপেক্ষতার জায়গাটা। আমরা কখনও চ্যালেঞ্জ করে বলিনি, যারা আমাদের ধর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন তোলে তারাই ধর্মবিরুদ্ধ, তারাই ধর্মদ্রোহী।
এই স্পেস ছেড়ে দেয়ার ফলে চারদিকে শুধু ধর্ম শিক্ষা নিয়ে আলোচনা। পাকিস্তান আমলে যা ছিল না বাংলাদেশ আমলে তা দেখা গেল। বিদ্যুতায়িত মাধ্যমে প্রতিদিন ধর্ম শিক্ষা, রোজার দিন পারলে সারাদিন, কাগজে ধর্ম শিক্ষা, স্কুলে বাধ্যতামূলক ধর্ম শিক্ষাÑ এসব কিছু আমাদের অজান্তে আমাদের মানসিকতায় মৌলবাদের স্পেস করে দিচ্ছে। একটি উদাহরণ দেই। সাংবাদিকরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সাহসী ভূমিকা রেখেছেন, ইতিবাচকও, কিন্তু বিরাট সংখ্যক সাংবাদিক জেনে না জেনে যা করেছেন গত ফেব্রুয়ারি থেকে, তা হেফাজতীকেই তুলে ধরেছে বা মৌল জঙ্গীবাদকে উজ্জীবিত করছে। হেফাজতের দু’টি সমাবেশই লাইভ ব্রডকাস্ট করা হয়েছে। আহলে সুন্নতের নয়, যদিও তাদের সমাবেশও কম বড় ছিল না। মহিলাদের বড় সমাবেশ হয়েছে মফস্বলে হেফাজতীদের বিরুদ্ধে, সেটিও গুরুত্ব পায়নি। বিভিন্ন টকশোতে হেফাজতীদের এনে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়ানো হয়েছে। ভারসাম্যের নামে মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধীদের সম্পর্কে মিথ্যা তথ্যের বয়ান করা হয়েছে। ৫ মে, ঢাকার উপকণ্ঠ থেকে এক সাংবাদিক আবেগাপ্লুত কণ্ঠে জানালেন, দলে দলে তৌহিদী জনতার সমাবেশ ঘটছে। মনে হচ্ছিল পারলে তিনিও সেখানে যোগ দেন। ওই সাংবাদিক ‘তৌহিদে’র মানে জানেন কী না সন্দেহ। আরেক সাংবাদিক জানালেন, ‘লাখো কোটি’ মানুষের সমাবেশ হচ্ছে উপকণ্ঠে। বিশ্বাসযোগ্য? ‘৭১-এর মতো টিভি, সবার মতে যা ’৭১-এ বিশ্বাসী, তাদের সাংবাদিক জানালেন, ঝাঁকে ঝাঁকে বুলেট ছোড়া হয়েছে। ঝাঁকে ঝাঁকে বুলেট ছুড়লে মৃতের সংখ্যা হতো কতো? একই দিনে বিএনপির এক পাতি নেতা, যাকে প্রায় বিভিন্ন টকশোতে আনা হয়, তিনি বিজ্ঞের মতো জানালেন ১ কোটি মানুষের সমাবেশ হয়েছে। তিন মিটারে আটে দুজন। যদি আয়তন এক লাখ মিটারও হয় আটে কয়জন? এদের সঙ্গে বাহাস করতে যান আওয়ামী লীগ নেতারা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষজন। লজ্জার ব্যাপার আমাদের জন্য যে, ৪২ বছর পর মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল কিনা, যুদ্ধাপরাধী আছে কিনা তা নিয়ে আমাদের বাহাস করতে হবে। এ ভাবে, আমরা সবাই মিলে বিএনপি-জামায়াত হেফাজতী ও অন্য ধর্ম ব্যবসায়ীদের জায়গা ছেড়ে দিয়েছি এবং এ কাজগুলো করছে সমাজে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের হিসেবে পরিচিত টিভি চ্যানেলগুলো। বিরোধীরা এ ভাবে জায়গা ছেড়ে দেয় না। এখন কে যে জামায়াতী পয়সা খাচ্ছে না, আর কে খাচ্ছে, বলা দুষ্কর।
হেফাজতী যখন আমাকে, শাহরিয়ার বা জাফর ইকবালকে মুরতাদ বলে তখন আমাদেরও বলা উচিত তারা মুসলমান কিনা সেটা আমাদের ভেবে দেখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কাউকে নাস্তিক বললে, যে বলে তাকেও নাস্তিকই বলতে হবে। আহমাদ শফী বা তার দলের নেতারা যখন শেখ হাসিনার মতো ধর্মপ্রাণ মহিলাকে নাস্তিক বলেন এবং বলেন, কেবিনেটের ১৩ জন নাস্তিক তখন তাদের ধরে এনে বলা উচিত, তুমি যে আস্তিক প্রমাণ দাও। খালেদা জিয়ার মধ্যে এসব বদমায়েশগুলো আস্তিকতার চিহ্ন খুঁজে পায়, তাকে বোরখা না পরিয়ে এমনি অবলোকন করতে চায়, আর অন্য পক্ষের হলে নাস্তিক। এ চক্র থেকে আমাদের বেরুতে হবে।
যখন জামায়াত ও হেফাজত খালেদা জিয়ার মধ্যে ইসলাম খুঁজে পায় আর শেখ হাসিনার মধ্যে হিন্দুত্ব খুঁজে পায় তখন প্রকাশ্যে বলার সময় এসেছে, এরা ইসলাম দূরের কথা ধর্মপ্রাণও নয়। মতলবি লোকজন শ্বাপদের মতো শিকারের খোঁজে বেরিয়েছে। হেফাজতের প্রত্যেক নেতাকে সাংবাদিকদের জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল, তারা মক্কার হারাম শরীফ মানেন কিনা? সেখানে নামাজ পড়া সওয়াব কিনা? সেখানে মেয়ে- পুরুষ গাদাগাদি করে নামাজ পড়ে সেটি জায়েজ কিনা? আমি সেখানে সোমালীয় ও ইন্দোনেশীয় মহিলাদের ধাক্কায় কয়েকবার ভূপাতিত হয়েছি। আল্লাহর ঘরে মহিলা-পুরুষ এক সঙ্গে নামাজ পড়লে গুনাহ্্ হয় না আর বাংলাদেশী আহমাদ শফী নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষক বললেন, নারী পুরুষ এক সঙ্গে কাজ করতে পারবে না- সেটি কী ভাবে ঠিক? এই লোক কি আল্লার ওপর খোদকারি করতে চায় (নাউজিবিল্লাহ)?
আমরা এসব প্রশ্ন না করে হুজুর হুজুর করি। আমাদের লজ্জা হওয়া উচিত। সাংবাদিকরা হেফাজতীকে অনেক বড় করে দেখিয়ে, তাদের এসব বিষয় না তুলে এনে এক ধরনের অন্যায় করেছেন। হেফাজতীদের মার খেয়েও শিক্ষা হয়নি প্রথমবার। লক্ষ্য করবেন, তারা যেসব চ্যানেলের সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেছে তারা অধিকাংশ সময় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ হয়ে কাজ করেÑ মালিকানা একেবারে জামায়াত-বিএনপি ঘেঁষা নয়। সৎ সাহস থাকলে সাংবাদিকদের বলা উচিত হেফাজতকে আর মিডিয়া প্রচার দেয়া যাবে না। হ্যাঁ, যাবে যদি তাদের অপকর্মগুলো প্রচার করা হয়।
এখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তির বলা উচিত আমরা আর এক ইঞ্চি জমিও ছাড়ব না। প্রয়োজনে সবাই মিলে যৌথ ফ্রন্ট করা উচিত এবং সে আহ্বান আসা উচিত এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে শেখ হাসিনার কাছ থেকে। শেখ হাসিনা যেমন একলা নিরাপদ নন- অন্যরাও একা নিরাপদ নন। একথা আর কেউ না বুঝুক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম নিশ্চয় বুঝছেন।