মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৭ অগ্রহায়ন ১৪২১
শেখ হাসিনা-মোদি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা করবেন ॥ সেমিনারে আশাবাদ
স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক অগ্রগতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন। আর শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির সরকার আগের চেয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সফলতার নতুন দিগন্তে নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন। বাংলাদেশ ও ভারত নিরাপত্তা সংলাপে এমন আশা করেছেন বক্তারা। রবিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ-ভারত নিরাপত্তা সংলাপ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সহায়তায় বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) এবং ইন্ডিয়া অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এছাড়াও বিইআইয়ের চেয়ারম্যান ফারুক সোবহান, ব্যারিস্টার হারুন-উর-রশীদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির, বিআইআইএসএস চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ, ঢাকায় ভারতীয় সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী, ইন্ডিয়া অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত ফেলো সি রাজা মোহন, ঢাকায় ভারতীয় উপ-হাইকমিশনার সন্দ্বীপ চক্রবর্তীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংলাপে প্রধান অতিথি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, বাংলাদেশ সব সময় প্রতিবেশী দেশের নিরাপত্তায় সচেষ্ট। আমরা সব সময় বলে আসছি, বাংলাদেশের ভূখ- প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার হতে দেয়া হবে না। এই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। বর্ধমান বোমা বিস্ফোরণের পর সন্ত্রাসী চিহ্নিত করতে বাংলাদেশ-ভারত একে অপরকে সহযোগিতা করছে বলেও তিনি জানান।
নিরাপত্তা সংলাপে ইন্ডিয়া অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সš§ানিত ফেলো সি রাজা মোহন বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এখনও কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে। ভারতের বর্তমান সরকার নরেন্দ মোদির নেতৃত্বে দক্ষিণ এশিয়ার স্বার্থে প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কের ধরন পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন তিনি। তিনি বলেন, এ উপমহাদেশের দেশগুলোর প্রতিবন্ধকতা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বর্তমানে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এগিয়ে যাবেন।