মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৩, ৩০ অগ্রহায়ন ১৪২০
এক শ’ দুই আসনে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই ॥ প্রত্যাহার পর্ব শেষ
এরশাদ নির্বাচনে অংশ না নিলেও প্রার্থিতা থাকছে
স্টাফ রিপোর্টার ॥ আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। শেষ দিনে দেশের ৩০০ আসনে জাতীয় পার্টি, স্বতন্ত্র ও অন্য প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ায় ১০২ আসনে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই। বিকল্প প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকায় এসব আসনে একক প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এসব আসনে যারা নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তাদের বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের প্রার্থী। এ ছাড়াও ১৪ দলীয় জোটের শরীক জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাতীয় পার্টির সদস্যরা রয়েছেন। স্বাধীনতার পর দেশের জাতীয় নির্বাচনে এভাবে অধিক আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম। তবে শতাধিক আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার আসনে কোন একক প্রার্থী নেই। জাতীয় পর্টির পক্ষ থেকে নির্বাচনে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হলেও অনেক আসনে তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করা হয়নি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন জানালেও তা যথাযথ না হওয়ায় দলের চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদসহ দলের কেন্দ্রীয় অনেক নেতারই এবারের নির্বাচনের প্রার্থিতা বহাল থাকছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র যথাযথ না হওয়ায় রংপুর-৩ আসনে, লালমনিরহাট এক আসনে এরশাদের প্রার্থিতা চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করেছে স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা। ফলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে তাদের প্রার্থিতা বহাল থাকছে। নিয়মানুযায়ী তাদের আজকের মধ্যে দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির যেসব নেতাকর্মী দলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি তারা সবাই লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবেন বলে কমিশন জানিয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে এবারই প্রথম জাতীয় নির্বাচনে এত বেশি সংখ্যক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছে। দেশে বহুল আলোচিত ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে ৪৯ জন বিএনপির প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এ ছাড়া ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে ১১ জন, ১৯৮৯ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আমলে ১১ জন, এরশাদের আমলে ১৮ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া বাতিল হওয়া বাতিল নবম সংসদে ১৮ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ায় যারা আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আজকের মধ্যে তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। এর পর থেকেই প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। তবে যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তাদের আসনে আর কোন নির্বাচন হবে না। শুধু রিটার্নিং কর্মকর্তা বিজয়ী ঘোষণা করলেই তাদের সাংসদ হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হবে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহারের পরদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতীক দেয়া হবে। তবে বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তার এখতিয়ার। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় পার হওয়ার পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ মেনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের নাম গণবিজ্ঞপ্তি করার পর তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। তবে এসব প্রার্থীদের গেজেট ৫ জানুয়ারি ভোটের পর এক সঙ্গে প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। ঘোষিত সময়ের মধ্যে এবারের ২০টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ১১শ’ ৭ জন মনোনয়ন দাখিল করে। বাছাইয়ের পর ৮৪৭ জনের মনোনয়ন বৈধ হয়। বাতিল হয় ২৬০ জনের। এর পর ৭-৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৩৮টি আপীল আবেদনের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার ৪২ জনের আপীল মঞ্জুর করে ইসি।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন যারা ॥ এবারের নির্বাচনে নির্বাচন যেসব আসনে একক প্রার্থী রয়েছেন তাঁরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের পাওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী এখন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষ হওয়ার পর যেসব আসনে একক প্রার্থী রয়েছেন- লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, রংপুর-৫ এএইচএন আসিকুর রহমান, রংপুর-২ আসনে আবুল কালাম মোঃ হাসানুল হক ডিউক, রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, নাটোর-১ আবুল কালাম, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৪ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-৩ ইসহাক হোসেন তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৬ মোঃ হাসিবুর রহমান স্বপন, যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দীন, বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ মীর শওকত আলী বাদশা, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-৪ আসনে আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, বরিশাল-১ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, বরিশাল ৫ আসনে আলহাজ শওকত হোসেন হিরুন, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু, পিরোজপুর-১ এ কে এম আউয়াল (সাইদুর রহমান), পিরোজপুর-২ আনোয়ার হোসেন- জাতীয় পার্টি- জেপি, টাঙ্গাইল-১ আসনে আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৩ আমানুর রহমান রানা, টাঙ্গাইল- ৪ আসনে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল-৭ আসনে একাব্বর হোসেন, টাঙ্গাইল-৮ আসনে শওকত মোমেন শাজাহান, ময়মনসিংহ-১ প্রমোদ মানকিন, ময়মনসিংহ-২ শরীফ আহমেদ, ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মুন্সীগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস, গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ আসনে জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৩ আসনে এ্যাডভোকেট রহমত আলী ও গাজীপুর-৫ আসনে মেহের আফরোজ চুমকি, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দীন আহমদ রাজু, নরসিংদী-৪ আসনে এ্যাডভোকেট নুরুল মজিদ আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ-২ মোঃ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৪ শামীম ওসমান, রাজবাড়ী-১ কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ মোঃ জিল্লুল হাকিম, ফরিদপুর-১ আব্দুর রহমান, ফরিদপুর-৩ খন্দকার মোশারফ হোসেন, মাদারীপুর-১ নূর-ই আলম চৌধুরী, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, মাদারীপুর-৩ আ ফ ম বাহাউদ্দিন (নাছিম), শরীয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক, শরীয়তপুর-২ শওকত আলী, শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক, মৌলভীবাজার-৪ আব্দুস শহীদ, কুমিল¬া-৭ অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল, চাঁদপুর-১ মহীউদ্দীন খান আলমগীর, চাঁদুপর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, চাঁদপুর-৩ দীপু মনি, চাঁদপুর-৪ মোহাম্মদ শামসুল হক ভুঁইয়া, চাঁদপুর-৫ মেজর (অব) রফিকুল ইসলাম, ফেনী-১ জাসদের শিরিন আকতার, ফেনী-২ নিজাম উদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী-২ মোর্শেদ আলম, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, লক্ষ্মীপুর-৩ এ কে এম শাহজাহান কামাল, লক্ষ্মীপুর ২ আসনে জাপা প্রার্থী মোঃ নোমান।
চট্টগ্রাম-১ ইঞ্জিয়ার মোশারফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৫ জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (জাতীয় পার্টি), চট্টগ্রাম-৬ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৮ জাসদের মইনউদ্দিন খান বাদল, চট্টগ্রাম-১০ ডা. আফসারুল আমীন, চট্টগ্রাম নজরুল ইসলাম, নওগাঁ-১ আসনে সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ এ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান সরকার বাবলু, নওগাঁ-৬ আসনে ইস্রাফিল আলম, মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দ মহসীন আলী, জয়পুরহাট-১ শামসুল আলম দুদু, জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ, সুনামগঞ্জ-২ বাবু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ঠাকুরগাঁও-২ আলহাজ দবিরুল ইসলাম, নেত্রকোন-৪ বেওরেকা মোমিন, নেত্রকোনা-৫ ওয়ারেসাত হোসেন বেল্লাল বীরপ্রতীক, বগুড়া-১ মোঃ আব্দুল মান্নান, বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ (জাতীয় পার্টি), বগুড়া-৭ হাবিবুর রহমান, নড়াইল-২ কবিরুল হক মুক্তি, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, কুষ্টিয়া-২ হাসানুল হক ইনু, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, রাজশাহী-২ ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী-৫ আব্দুল ওয়াদুদ দ্বারা, পটুয়াখালী-২ আসনের আসম ফিরোজ, সাতক্ষীরা-৩ আফম রুহুল হকের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী কোন প্রার্থী নেই। ফলে যে কোন সময়ে এসব প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করবেন রিটার্নিং অফিসার। এ ছাড়া ঢাকার আসন থেকে যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন তাদের মধ্যে রয়েছে নসরুল হামিদ দিপু, আইন প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাভারের ডা. এনামুর রহমাম প্রমুখ।
নির্বাচন কমিশনে শেখ হাসিনার স্বাক্ষিত একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবাহান গোলাপ চিঠিটি নির্বাচন কমিশনে পৌঁছে দেন। চিঠিতে আওয়ামী লীগের শরিক জাসদের ৪টি আসন, ওয়ার্কার্স পার্টির ৪টি ও তরিকত ফেডারেশনের দুটি আসনের প্রার্থীদের নৌকা প্রতীক দেয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে জাসদের যে ৪ জনের প্রতীক নৌকা প্রতীক বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে তাদের মধ্যে তিনজনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। অপরদিকে ওয়ার্কার্স পার্টির একজন ফজলে হোসেন আবেদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। স্টাফ রিপোর্টার মুন্সীগঞ্জ থেকে জানান, জাতীয় পার্টির দুই প্রার্থী শুক্রবার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়ায় মুন্সীগঞ্জের ৩টি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ জনে। রিটার্নিং অফিসার ও মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল হাসান বাদল শুক্রবার সন্ধ্যায় জানান, বাছাইয়ের শেষ দিনে যাদের প্রার্থিতা বহাল রয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে মুন্সীগঞ্জ-২ (টঙ্গীবাড়ি-লৌহজং) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাহবুব উদ্দিন আহম্মেদ ও খেলাফত মজলিসের মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ। মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর-সিরাজদিখান) আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী আওয়ামী লীগ মনোনিত সুকুমার রজ্ঞন ঘোষ, জাসদের (ইনু) একেএম নাসিরুজ্জামান খান ও জেপির নুর মোহাম্মদ। এ নিয়ে জেলার মোট ৩টি নির্বাচনী আসনের মধ্যে ভোটযুদ্ধ হবে ২টি আসনের ৬ প্রার্থীর মধ্যে।
স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ থেকে জানান, জেলার সদর আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদ। জেলার ১১ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন শুক্রবার ১১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
নিজস্ব সংবাদদাতা মৌলভীবাজার থেকে জানান, জেলার তিন এবং চার নম্বর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দুজন আওয়ামী লীগ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিতরা হচ্ছেন মৌলভীবাজার-৩ এ আওয়ামী লীগের সৈয়দ মহসীন আলী এবং মৌলভীবাজার-৪ এ চীপ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ।
এখন মৌলভীবাজার-১ আসনে ৩ জন প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় পার্টি থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন এ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম শামীম। এ আসনে আওয়ামী লীগের মোঃ শাহাব উদ্দিন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ উদ্দিনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
মৌলভীবাজার-২ আসনে ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুহিবুল কাদির চৌধুরী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রীনা বেগম চৌধুরী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহর করে নেন। এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সৈয়দ বজলুল করিম এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
নিজস্ব সংবাদদাতা চাঁদপুর থেকে জানান, জেলার ৫টি আসনে অন্য কোন দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগের ৫ জন প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা রিটার্নিং অফিসার শুক্রবার বিকেলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
স্টাফ রিপোর্টার সিরাজগঞ্জ থেকে জানান, জেলার ৬টি আসনের ৫টিতে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী। তাঁরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। শুক্রবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন তিন জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।