মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৩, ৫ অগ্রহায়ন ১৪২০
অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ॥ সর্বদলীয় সরকার
০ জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ও আওয়ামী লীগ থেকে ছয় মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর শপথ
০ আজ গেজেট প্রকাশের পর আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু
০ নতুন মন্ত্রীরা বলেছেন তাঁদের কাজ হলো নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করা
বিশেষ প্রতিনিধি ॥ নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু। রবিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনার ভেতর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ প্রক্রিয়া শুরু করেন। সোমবার তারই অগ্রগতি হিসেবে জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি এবং আওয়ামী লীগ থেকে ছয়জন নতুন মন্ত্রী ও দুইজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। ওই অনুষ্ঠানে এ সব দলের সিনিয়র নেতারা জানান, তাঁরা এখনও মনে করেন বিএনপি এ সর্বদলীয় সরকারে যোগ দেবে। এখনও সে সুযোগ আছে। আজ সর্বদলীয় মন্ত্রীদের গেজেট প্রকাশ ও দফতর বণ্টন হবে এবং তার ভেতর কাজ শুরু হবে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারের।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সর্বদলীয় সরকারে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ছয়জন ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দুইজন। সোমবার বিকাল সোয়া ৩টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ তাঁদের শপথ পড়ান। নতুন মন্ত্রীরা হলেন আওয়ামী লীগের তোফায়েল আহমেদ ও আমির হোসেন আমু, ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন এবং জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও রুহুল আমিন হাওলাদার। আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন জাতীয় পার্টির মজিবুল হক ও সালমা ইসলাম। পাশাপাশি মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয় পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু।
শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদসহ বিভিন্ন দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা। শপথ শেষে বেরিয়ে নতুন মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীর কোটা না থাকায় জাতীয় পার্টির জিয়াউদ্দিন বাবলুকে উপদেষ্টা করা হবে।
সোমবার শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মহাজোট সরকারের মন্ত্রিসভার অবসান হলো। তবে শেখ হাসিনাই নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী থাকছেন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট সরকার শপথ নেয়।
বিগত পাঁচ বছর মন্ত্রিসভার বাইরে থাকা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ এবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। মহাজোট সরকারের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননও এবার মন্ত্রী হয়েছেন, যিনি গত বছর এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। মহাজোটে আর না থাকার ঘোষণা দেয়া এরশাদের স্ত্রী ও জাতীয় পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য রওশন এরশাদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং দলের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারও মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু ও সালমা ইসলাম শপথ নিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে।
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদও কুশলবিনিময় করেন নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে।
অনুষ্ঠান শুরুর আগে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে দরবার হলে আসেন। সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এবং এরশাদের ভাই ও বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের এবং আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির কয়েক সংসদ সদস্যও এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এক সময়ের ফার্স্ট লেডি রওশন এরশাদ ১৯৯৬ সালে ময়মনসিংহ, ২০০১ সালে গাইবান্ধা ও ২০০৯ সালে উপনির্বাচন করে রংপুর থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ তাঁর দলের চেয়ারম্যান এরশাদের সরকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। আর রুহুল আমিন হাওলাদার বরিশালের সংসদ সদস্য।
এবার প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া মুজিবুল হক চুন্নু ১৯৮৭-৮৮ সালে এরশাদ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ সালমা ইসলাম যমুনা গ্রুপের মালিক নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী এবং দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক ও প্রকাশক।
এই শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মূলত মহাজোট সরকারের মন্ত্রিসভার অবসান হলো এবং সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী শুরু হলো নির্বাচনকালীন ‘সর্বদলীয়’ সরকারের পথচলা। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাই নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী থাকছেন। আগামী জানুয়ারিতে দেশে যখন দশম সংসদ নির্বাচন হবে, নির্বাচনকালীন এ সরকারই তখন ক্ষমতায় থাকবে।
সরকার এ মন্ত্রিসভাকে সর্বদলীয় বললেও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এই সরকারে যোগ দেয়ার আহ্বানে সাড়া দেয়নি। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপির ভাষায়- সর্বদলীয় মন্ত্রিসভার এই শপথগ্রহণ জাতির সঙ্গে ‘তামাশা’।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো দেশে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়। ১৯৯৬ সালে বিএনপি আন্দোলনের মুখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল পাস করে এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে তিনটি নির্বাচন ওই ব্যবস্থায় হয়। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করায় এবারই প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া সর্বদলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
গত ১৮ অক্টোবর জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন এই ‘সর্বদলীয়’ মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তাব দেন এবং বিরোধী দলকে তাতে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান। তবে ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সাবেক উপদেষ্টাদের নিয়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পাল্টা প্রস্তাব তোলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। এর পর ব্যবসায়ী, বাম দল এবং কূটনীতিকদের পক্ষ থেকে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলকে সমঝোতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হলেও তাতে ফল আসেনি। প্রধানমন্ত্রী টেলিফোনে বিরোধীদলীয় নেতাকে গণভবনে বসার আমন্ত্রণ জানালেও দুই নেত্রীর মধ্যে সেই সাক্ষাতও হয়নি।
বিএনপি অংশ না নিলেও আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নবগঠিত সর্বদলীয় অন্তর্র্বর্তী সরকারের মন্ত্রীরা। একই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও ক্ষমতাচ্যুত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও। সোমবার বিকেল ৩টায় বঙ্গভবনে সর্বদলীয় অন্তর্র্বর্তী সরকারের মন্ত্রী হিসেবে ছয়জন নতুন মন্ত্রী ও দুইজন প্রতিমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পর জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সবাইকে নিয়ে আগামী নির্বাচন সম্পন্ন করতে চাই। বিএনপিকে বলব তারাও যেন দাবি-দাওয়া নিয়ে আসেন এবং এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।’
বিরোধী দলের প্রধান হওয়ার জন্য নির্বাচন করছেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বলেন, সরকার গঠনের জন্য নির্বাচন করছি; প্রধান বিরোধী দল হওয়ার জন্য নয়। আমরা চাই সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। বিএনপি নির্বাচনে না এলে তার গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু থাকবে বা নির্বাচন হবে কিনা, এমন প্রশ্ন করা হলে এরশাদ বলেন, নির্বাচন ঠেকাতে কোন দলকেই ভেটো ক্ষমতা দেয়া হয়নি। তাই কেউ না চাইলে নির্বাচন হবে না, এমনটি ভাবার কোন কারণ নেই। বর্তমান সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য রাজনীতিকদেরই দায়ী করে তিনি বলেন, এ অবস্থা থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা। সর্বদলীয় সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এক বছর আগে মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ ঠেলে দেয়া তোফায়েল আহমেদ ও রাশেদ খান মেনন বলেছেন, নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করতে এবার সরকারে যোগ দিয়েছেন তাঁরা। সোমবার নির্বাচনকালীন ‘সর্বদলীয়’ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলনের এই দুই পুরোধা, যে সরকার আগামী নির্বাচনের সময় দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে।
২০১২ সালে আমন্ত্রণ পেলেও তা গ্রহণ করেননি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল। জরুরী অবস্থার সময় ‘সংস্কারপন্থী’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই নেতাকে শুরুতে সরকারে রাখেননি শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের জোট শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মেনন দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে মন্ত্রিসভায় তখন যোগ দেননি। নির্দলীয় সরকারের দাবিতে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নির্বাচন বয়কটের হুমকির মধ্যে নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব নিলেন তোফায়েল ও মেনন।
এক বছর আগে প্রত্যাখ্যানের পর এবার দায়িত্ব নেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে দুজনই বলেন, তখন প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। তোফায়েল বঙ্গভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘তখনকার পরিস্থিতি ও এখনকার পরিস্থিতি ভিন্ন। তখন আমাকে শুধু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েই থাকতে হতো।’
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘সর্বদলীয়’ সরকারের প্রধান কাজ হচ্ছে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা ও নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করা। প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘সেই কাজের জন্যই এবার মন্ত্রিসভায় এসেছি।’ বিএনপি প্রত্যাখ্যান করলেও ‘সর্বদলীয়’ সরকারে তাদের যোগ দেয়ার সময় এখনও রয়েছে বলে জানান তোফায়েল। তিনি বলেন, ‘এখনও সময় আছে। প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়ে রেখেছেন। বিরোধী দল যদি আসে তাহলে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।’
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘দুটো পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। এবার নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে চাই।’ বিরোধী দল বিএনপিকে আহ্বান জানানো হবে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সরকার সফল হবে বলেও মনে করেন মেনন। তিনি বলেন, ‘এ সরকার সফল না হওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমরা সফল হব না কেন?’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পাল্টা প্রশ্ন করেন তিনি।
নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারে ছয় মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর পাশাপাশি মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয় পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। সোমবার শেষবেলায় নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে এ উপদেষ্টা নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইয়ার সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জিয়াউদ্দিন বাবলু মন্ত্রীর পদমর্যাদা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। এর ঘণ্টা দুই আগে বঙ্গভবনে ‘সর্বদলীয় সরকারের’ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন জাতীয় পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য রওশন এরশাদ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং জাতীয় পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু ও সালমা ইসলাম শপথ নেন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে।