মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১১, ২৭ ভাদ্র ১৪১৮
খালেদা জিয়ার বক্তব্য আদালত অবমাননার শামিল ॥ আইনমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার ॥ আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে নিয়ে বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়ার বক্তব্য আদালত অবমাননার শামিল। এটি প্রত্যাহারের কোন সুযোগ নেই। নিয়ম অনুসারে এ জন্য খালেদাকে আদালতে ক্ষমা চাইতে হবে। শনিবার বিচার, প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বিচারপতিরা চিকিৎসার জন্য টাকা নিয়েছেন, এটাকে রায়ের সঙ্গে সংশিস্নষ্ট করে বক্তব্য দেয়া আদালত অবমাননা তো বটেই, এটা বিচার বিভাগ সম্পর্কে জনমনে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়ার সামিল।চ্ ওই বক্তব্যের কারণে বিরোধী দলীয় নেতার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে কি-না জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি আদালত দেখবে। তাদের নিজস্ব অন্তর্নিহিত ক্ষমতা আছে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার। আদালত সম্পর্কে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে- এমন মন্তব্য করা থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহম্মেদ আরও বলেন, কোন বক্তব্যের মাধ্যমে আদালত অবমাননা হয়ে গেলে তা প্রত্যাহার করার সুযোগ নেই। এ জন্য তিনি ভুল স্বীকার করতে পারেন। আদালত তাকে নোটিস দিলে তিনি আদালতে এসে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আদালত চাইলে তাকে ক্ষমা করে দিতে পারে।চ্তবে ক্ষমা করার বিষয়টি আদালতের ওপরই নির্ভর করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিনা কারণে, ভিত্তিহীনভাবে কোন তথ্যপ্রমাণ ছাড়া মন্তব্য করা ঠিক নয়। এটা রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।চ্
আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারপতিরা অসুস্থ হলে চিকিৎসা সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করতে পারেন। সুপ্রীমকোর্টর্ থেকেই এ আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। আইন মন্ত্রণালয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পাঠায়। এরপর প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে সহায়তা দেয়া হয়। তিনি বলেন, বিগত জোট সরকারের সময় খালেদা জিয়াও বিচারপতিদের সহায়তা দিয়েছেন। চিকিৎসার জন্য সাহায্য নেয়াকে ঘুষ বলে আখ্যায়িত করে সেটাকে মামলার রায়ের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়ার মানে আদালতকে ছোট করা। এতে আদালত অবমাননা করা হয়।