মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১১, ২৯ মাঘ ১৪১৭
জার্সি টুপির দোকানে ছুটছে মানুষ, নব সাজে ঢাকা
দাম বাড়িয়ে দিয়েছে দোকানিরা তবু ফুরসত নেই
মামুন-অর-রশিদ ॥ খেলা মাঠে গড়ানোর আগেই সব বয়সের দর্শকরাই ছুটছে নগরীর জার্সি-টুপির দোকানে। ক্রিকেট পোশাকে খেলা দেখার মানসিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতেই তারা ধুমছে বিভিন্ন দেশের জার্সি-টুপি কিনছে। সবচেয়ে পুরনো স্পোর্টস সামগ্রীর দোকান 'ইন্টার স্পোর্টসের' বিভিন্ন শাখায় দোকানিদের ফুসরত নেই। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাত্র ৬ দিন (১৭ ফেব্রম্নয়ারি) আর খেলা শুরম্নর ৮ দিন (১৯ ফেব্রম্নয়ারি) আগেই ঢাকা সাজছে নবসাজে। দৈনিক বাংলা মোড়ে বর্তমানে কর্মসংস্থান ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের (আগের দৈনিক বাংলা কার্যালয়) দেয়াল ঘেঁষে ফুটপাথে বানানো হয়েছে দৃষ্টিনন্দন গেস্নাব। আর এই গেস্নাবের অর্ধেক পরিধিজুড়ে রয়েছে ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ১৪টি দেশের পতাকাঅঙ্কিত ব্যাট। গেস্নাবে লেখা রয়েছে_ 'ওয়েলকাম টু আওয়ার ল্যান্ড।' বাহারি রঙের বর্ণাঢ্য ব্যবহার, শিল্পীর তুলির আচর আর প্রকৌশলীদের সৌন্দর্যবর্ধন কৌশল কার্যকরণে ঢাকা এখন ক্রমাগত নান্দনিক সৌন্দর্যে উদ্ভাসিত হচ্ছে। তিন দেশে আয়োজিত বিশ্বকাপের দশম আসরের অন্যতম স্বাগতিক দেশ বাংলাদেশ। স্বদেশের মাটিতেই বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রথম খেলা অনুষ্ঠিত হওয়া, মূল পর্বের আটটি খেলা এবং প্রস্তুতি পর্বের চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তাই খেলোয়াড়ি পোশাকে খেলার মাঠে কিংবা মাঠের বাইরে খেলাগুলো উপভোগ করার প্রবল ইচ্ছাই ক্রিকেটানুরাগী দর্শকদের টেনে নিয়ে যাচ্ছে ক্রীড়াঙ্গনের নাম করা দোকানগুলোতে। সাধ এবং সাধ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে তারা রম্নচি ও মান অনুযায়ী বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জার্সি-টুপি সংগ্রহ করছে। দোকানিরা ভিড় সামলে উঠতে হিমশিম খাচ্ছেন। দোকানগুলোতে মানভেদে বিভিন্ন দেশের জার্সির চাহিদার ভিন্নতা এবং দামের তারতম্য রয়েছে। ঢাকার আকাশ এখনও ফাঁকা থাকলেও আর দু'-চার দিন বাদেই বিভিন্ন দেশের পতাকায় বর্ণিল হয়ে উঠবে আকাশ। ক্রিকেট বিশ্বকাপের সময় আগত পর্যটকদের কাছে দেশকে তুলে ধরতে ঢাকার সাজসজ্জায় সরকারী পর্যায়ে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। স্টেডিয়ামগুলোর আশপাশের বাড়ির মালিকদের বাড়ির বাইরের দেয়ালে রং করাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে সরকারী পর্যায় থেকে। সরকারী পর্যায়ে ক্রীড়ামোদীদের জন্য নগরীর ১৫টি স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এবারের বিশ্বকাপে স্বাগতিক বাংলাদেশ দলকে উৎসাহিত করতে রাজশাহীতে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে 'ক্লেমন বিগব্যাট বিগ উইশ ক্যাম্পেন।'
রাজধানী ঢাকা শহরের শতাধিক আনত্মর্জাতিক মানসম্পন্ন দোকান থেকে দর্শকরা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের জার্সি-টুপি সংগ্রহ করছে। স্বাগতিক বাংলাদেশে জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এরপরে চাহিদার ব্যাপকতা বিবেচনায় ক্রমানুসারে রয়েছে ভারত, পাকিসত্মান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডসহ খেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক এলাকায় কয়েকটি দোকান, শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, ঝিগাতলা, মোহাম্মদপুর, গুলশান, বনানী ও বারিধারার কোথাও কোথাও স্পোর্টস মার্কেট কিংবা দোকানে চলছে বিভিন্ন বয়সী ক্রেতার ভিড়। দোকানিরা ভিড় সামলে উঠতে হিমশিম খাচ্ছেন। এক-দেড় শ' টাকার জার্সি এখন বিক্রি হচ্ছে সাত-আট শ' টাকা, চার-পাঁচ শ' টাকার জার্সি বিক্রি হচ্ছে ১৪/১৫ শ' টাকা আর এক-দেড় হাজার টাকা দামের জার্সি বিক্রি হচ্ছে দু'-আড়াই হাজার টাকায়। আর দেড়-দু'হাজার টাকা দামের জার্সি বিক্রি হচ্ছে তিন-চার হাজার টাকা। দোকানগুলোতে মানভেদে বিভিন্ন দেশের জার্সির চাহিদার ভিন্নতা এবং দামের তারতম্য রয়েছে। আবার বড় বড় স্পোর্টস মার্কেট কিংবা দোকান থেকে ক্রিকেটের পোশাক সামগ্রী পাড়া-মহলস্নার মুদি ও ডিপার্টমেন্টাল স্টলগুলো সংগ্রহ করে ঝুলিয়ে রেখেছে বিক্রির জন্য। সামান্য লাভে স্থানীয় ক্রেতাদের কাছেই এসব বিক্রি হচ্ছে। এদিকে আমাদের রাজশাহী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ক্রিকেট নিয়ে আমাদের আবেগ সমুদ্র সমান' সেস্নস্নাগান ধারণ করে ৭১ ফুট লম্বা, ৪ ফুট প্রস্থ ও ৮ ফুট উচ্চতাসম্পন্ন ব্যাটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিৰার্থী স্বাৰর দিয়ে শুরম্ন করেছে 'ক্লেমন বিগব্যাট বিগ উইশ ক্যাম্পেন।' বিশ্বকাপ ক্রিকেট এক সময়ের রাজরাজাদের খেলা ছিল বলে একে বলা হতো 'কিংস গেম।' সে কারণে সাদা জার্সি দিয়েই তখন খেলা হতো। কিন্তু কালের বিবর্তনে, সময়ের চাহিদা, মানসিক ভিন্নতা, রম্নচিবোধের পরিবর্তন, রঙের ব্যাপারে আকাঙ্ৰা-অনাকাঙ্ৰা, বিরোধিতা কিংবা দেশভেদে খেলোয়াড়ের ভিন্নতা নির্বিশেষে জাসির রং, ধরন পাল্টেছে। ঠিক দেড় দশক আগেও বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশ নেয়াও আজকের স্বাগতিক বাংলাদেশের জন্য স্বপ্ন ছিল। আজ সেই স্বপ্নের অতিরিক্ত প্রাপ্তি হচ্ছে বিশ্বকাপ ক্রিকেট আয়োজক আসরে শরিক বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মাটিতে এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আসরসহ মূল পর্বে আটটি খেলা এবং চারটি প্রস্তুতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ ফেব্রম্নয়ারি বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী পর্ব হলেও খেলা শুরম্ন হবে ১৯ ফেব্রম্নয়ারি। ১৯ ফেব্রম্নয়ারি প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী ম্যাচে খেলবে এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপ আসর আয়োজনে দুই স্বাগতিক দেশ বাংলাদেশ ও ভারত। স্বদেশের মাটিতে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আসরে নিজেকে জার্সি-টুপি পরে উপস্থিত রাখার মানসিকতাই বাংলাদেশের দর্শকদের করেছে স্পোর্টস সামগ্রীর দোকানমুখী। দিনব্যাপী ম্যাচ হওয়ার কারণে অনেকে ক্রিকেটমোদী না হলেও স্বাগতিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মাটিতে ক'দিন বাদে অনুষ্ঠেয় ক্রিকেট উৎসবে নিজেকে শামিল করতেই তাদের দোকানে ছোটা। ইতোমধ্যে কানাডার ক্রিকেট দল বাংলাদেশে এসে পেঁৗছেছে। আজ শুক্রবার ঢাকায় আসছে পাকিসত্মানের ক্রিকেট দল।
এমনিতেই বাঙালী উৎসবের জাতি। বার মাসে তাদের তেরো পার্বণ। তাছাড়া ফেব্রম্নয়ারি বাঙালীর বীরত্বগাথা ভাষা আন্দোলনের মাস, যা আজ আনত্মর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস তৈরি করেছে। এই মাসে রক্তের সঙ্গে হেমোগেস্নাবিনের সম্পর্কের মতো মায়ের মুখের ভাষার অসত্মিত্ব রৰায় বাঙালীর বীর সনত্মানরা অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বের করা মিছিলের অগ্রভাগে থেকে অকুতোভয় সৈনিকের মতো। বাংলা একাডেমীর মাসব্যাপী বইমেলা, বিশ্বকাপ ক্রিকেট উৎসব, বসনত্ম সমীরণের সোহাগ তৈরি করেছে এক ভিন্ন আবহ। সর্বত্রই উৎসবের আমেজ। সাজ-সাজ রব। আনুষ্ঠানিকতার উত্তাপে স্বানন্দ উত্তরণ। সোৎসাহে মাঠে-ঘাটে, পথে-প্রানত্মরে, অফিস আদালত, বাড়ির বৈঠকখানা সর্বত্র এখন বিশ্বকাপ ক্রিকেট আলোচনা। প্রায় সব বাড়ির ছাদে শোভা পাবে দেশ-বিদেশের বর্ণাঢ্য পতাকা।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীর সৌন্দর্য বাড়াতে লাগানো হচ্ছে ১৫ লাখ মরিচবাতি। আর এ জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে প্রায় ২৫ হাজার গাছ। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকার ফুটপাথ, রাসত্মাসহ এর আশপাশের সব অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে এসব জায়গার সৌন্দর্যবর্ধন করছে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন। বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসরের উদ্বোধন আগামী ১৯ ফেব্রম্নয়ারি ঢাকায় হবে। টুর্নামেন্টের আটটি খেলা হবে বাংলাদেশে। বিশ্বকাপের সময়ে আসা পর্যটকদের কাছে দেশকে তুলে ধরতে সরকারীভাবে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। বিশ্বকাপ উপলক্ষে নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনে নিয়োজিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও নগরীর বিউটিফিকেশন সেলের প্রধান বিপীন কুমার সাহা গণমাধ্যমকে বলেছেন, 'আমরা মূলত এয়ারপোর্ট থেকে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল ও হোটেল শেরাটন এবং হোটেল থেকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম পর্যনত্ম মোট ২২ কিলোমিটার রাসত্মা ও এর আশপাশের সৌন্দর্যবর্ধন করছি। এ ছাড়া মিন্টো রোড, বেইলি রোড, কচুক্ষেত থেকে মিরপুর-১০ এলাকারও সৌন্দর্যবর্ধন করা হচ্ছে। এসব এলাকার সড়কদ্বীপগুলো নতুন করে সাজানো হচ্ছে, ফুট ওভারব্রিজগুলোতে পড়ছে রং। নগরীর বিভিন্ন সড়কের পাশের ফুটপাথে লাগানো হচ্ছে ফুলের গাছও। বাংলাদেশে ক্রিকেট বিশ্বকাপের আটটি মূল খেলার যেখানে ছয়টি অনুষ্ঠিত হবে সেই মূল ভেনু্য মিরপুর এলাকায় ফুলের গাছ লাগানোর ক্ষেত্রে বেশি গুরম্নত্ব দেয়া হচ্ছে বলে ডিসিসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই ব্যাপারে বিপীন কুমার বলেন, 'নির্দিষ্ট এলাকার রাসত্মার পাশের দেয়াল লিখন ও পোস্টার তুলে দেয়ালগুলো নতুন করে রং করা হচ্ছে। ল্যাম্পপোস্টগুলোও পোস্টারমুক্ত করা হচ্ছে। ল্যাম্পপোস্টগুলো সিলভার কালার করা হচ্ছে। সবগুলো লাইটপোস্টে সরবরাহ করা হচ্ছে বাতি। ১৫ ফেব্রম্নয়ারির মধ্যে এ কাজ শেষ হবে।' সড়কের আশপাশের বাড়িগুলো রং করাতে বাড়ির মালিকদের বলা হয়েছে বলে জানান তিনি। সংবাদ মাধ্যম বিপীন কুমারের কাছে নগরবাসী অনেকের অভিযোগ_তাড়াহুড়ো করে দায়সারাভাবে সৌন্দর্য বাড়ানোর কাজ হচ্ছে_এমন অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'তাড়াহুড়ো হচ্ছে, তা ঠিক। কিন্তু দায়সারাভাবে হচ্ছে এমন অভিযোগ ঠিক নয়।' আইসিসি বাংলাদেশে বিশ্বকাপের ভেনু্য দেয়ার বিষয়টি অনেক পরে নিশ্চিত করেছে। ভেনু্যর তালিকায় পাকিসত্মান বাতিল হওয়ার পর এ সিদ্ধানত্ম হয়েছে। এ কারণেই কিছুটা 'তাড়াহুড়ো' হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। সৌন্দর্যবর্ধনের আওতায় রয়েছে এমন কয়েকটি সড়কে গত কয়েক দিনে গিয়ে ভাঙ্গা আইল্যান্ড, ভাঙ্গা ফুট ওভারব্রিজের ওপর রঙের প্রলেপ দিতে দেখা যায়। এই প্রসঙ্গে বিপীন বলেন, 'এমনটি হওয়ার কথা নয়। যদি হয়ে থাকে, তবে ১৫ তারিখের মধ্যেই আমরা চেক করে ঠিক করব।' বিশ্বকাপের মতো এত বড় আয়োজনে নগরবাসীরও সহায়তা চেয়েছেন তিনি। সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তা বলেন, 'যে সব গাছ লাগানো হচ্ছে, এগুলো কেউ নষ্ট করবেন না। নিজেদের বাসস্থানের আশপাশের দেয়ালে পোস্টার লাগাবেন না। বজর্্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলবেন এবং নগরী পরিচ্ছন্ন রাখবেন।' ক্রীড়ামোদীদের জন্য নগরীর ১৫টি স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও বিপীন কুমার জানান।
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের 'মেডিক্যাল পার্টনার' হিসেবে বিশেষজ্ঞ প্যানেল নিয়ে মাঠে নামছে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল (জেবিএফএইচ)। হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. সরদার এ নাইম বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ম্যাচের দিনসহ বাংলাদেশে খেলতে আসা দলগুলোর জরম্নরী চিকিৎসার প্রয়োজনে এ্যাম্বুলেন্সসহ এই বিশেষজ্ঞ প্যানেল সর্বক্ষণ প্রসত্মুত থাকবে। টেলিভিডিও ব্যবস্থার মাধ্যমেও জরম্নরী স্বাস্থ্যসেবা দেবে তারা। ধানম-িতে জেবিএফ হাসপাতাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান ডা. জুনায়েদ শফিক, পরিচালক মাহবুবুল আলম বাবু ও ইউএনএইডসের উপদেস্টা ডা. মুনির আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।