মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১১, ২৩ পৌষ ১৪১৭
যুদ্ধাপরাধের তথ্য প্রমাণের জন্য সচিবালয় থেকে সংবাদপত্রের ডিভিডি সংগ্রহ
স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছিল তাদের বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন এবং তদন্ত সংস্থা সন্দেহভাজন যুদ্ধাপরাধীদের সমসত্ম তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহে ব্যস্ত। তারই অংশ হিসেবে বুধবার সচিবালয় থেকে ১৯৭২-৭৫ সাল পর্যস্দ প্রকাশিত বিভিন্ন বাংলাদেশী সংবাদপত্র, তথ্য বিবরণী ও গেজেটের ডিভিডি সংগ্রহ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবু্যালের প্রসিকিউটররা তথ্য অধিদফতর থেকে এগুলো সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্যপ্রমাণ খুঁজে বের করতে এসব সংবাদপত্র, তথ্য বিবরণী ও গেজেট ব্যবহার করবে ট্রাইবু্যনাল। তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রইবু্যনালের চীফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপুর নেতৃত্বে একটি দল প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হারুন-উর-রশিদের কাছ থেকে ডিভিডি সংগ্রহ করেন। এ প্রসঙ্গে গোলাম আরিফ টিপু বলেছেন, এগুলো সংগ্রহ করছি। কি কি বিষয়ের ওপর আমরা তথ্য নিয়েছি তা তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বলা যাবে না।
এর মধ্যে ১৯৭২, ১৯৭৩ ও ১৯৭৫ সালের তথ্য বিবরণী এবং ১৯৭৪ ও ১৯৭৫ সালের গেজেট রয়েছে। সংবাদপত্রের মধ্যে রয়েছে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত দৈনিক বাংলা, দৈনিক ইত্তেফাক ও বাংলাদেশ অবজারভার। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ বিচারের উদ্যোগ নেয়। এ জন্য গত বছরের ২৫ মার্চ গঠিত হয় ট্রাইবু্যনাল, তদনত্ম সংস্থা ও প্রসিকিউশন।
ইতোমধ্যে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কয়েক শীর্ষ নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁরা হলেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান এবং মোহাম্মদ আব্দুর কাদের মোলস্না । বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী (সাকা)।
তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, আরও সন্দেহভাজন যুদ্ধাপরাধীর বিরম্নদ্ধে তদনত্ম চলছে। শীঘ্রই আরও বেশ কিছু যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতার করতে ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন জানানো হবে।