মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৭ অগ্রহায়ন ১৪২১
রাবির তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা
রাবি সংবাদদাতা ॥ পরীক্ষার খাতা হারানোর দায়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের প্রভাষক মামুন হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া চাকরি দেয়ার নাম করে টাকা নেয়ার অভিযোগে একই বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আব্দুল মাজেদ চৌধুরীকে শোকজ করা হয়েছে। এদিকে নিজ বিভাগের এক শিক্ষকের গবেষণাকর্ম নিজের নামে চালিয়ে দেয়ায় সঙ্গীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কৃষ্ণপদ ম-লের পদোন্নতি ১০ বছরের স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৪৫৬তম বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেটের সচিব অধ্যাপক এন্তাজুল হক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মামুন হোসেনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পরীক্ষার খাতা হারানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। এছাড়া চাকরি দেয়ার কথা বলে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল মাজেদ চৌধুরীকে শোকজ করা হয়েছে। দুটি বিষয়ই খতিয়ে দেখতে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অধ্যাপক এন্তাজুল হক আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষক ড. অসিত রায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কৃষ্ণপদ ম-ল নামে গবেষণাকর্ম জালিয়াতির একটি অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। পরে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেয়ে শিক্ষক কৃষ্ণপদ ম-লের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করে তদন্ত কমিটি। সুপারিশ অনুযায়ী শিক্ষক কৃষ্ণপদ ম-ল শুধু বিভাগের ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। পরীক্ষা সংক্রান্ত কোন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বা কোন প্রশাসনিক দায়িত্ব নিতে পারবেন না। তার পদোন্নতিও স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি গবেষণায় তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এ ব্যাপারে প্রভাষক মামুন হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। শিক্ষক আব্দুল মাজেদ চৌধুরী জানান, তিনি ব্যস্ত আছেন। এ বিষয়ে পরে কথা বলতে চেয়ে তিনি ফোন কেটে দেন। আর কৃষ্ণপদ ম-ল বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না।