মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১১ আশ্বিন ১৪২০
খানাখন্দে ভরা সড়ক ॥ দুর্ঘটনার আশঙ্কা
নিজস্ব সংবাদদাতা, সিদ্ধিরগঞ্জ, ২৫ সেপ্টেম্বর ॥ নারায়ণগঞ্জ-আদমজী ইপিজেড-শিমরাইল সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তায় সৃষ্টি হওয়া খানাখন্দগুলো এখন মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যতই দিন যাচ্ছে ততই নতুন নতুন আরও খানাখন্দের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এ সড়কের খানাখন্দগুলো জরুরী ভিত্তিতে মেরামত না করায় পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়েছে।
জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-আদমজী ইপিজেড-শিমরাইল সড়ক অতিক্রম করে ঢাকা-আদমজী, ঢাকা-আইইটিস্কুল-নারায়ণগঞ্জ ও শিমরাইল-নারায়ণগঞ্জ রুটের শ’ শ’ যানবাহন চলাচল করছে। এ ছাড়াও আদমজী ইপিজেড, পদ্মা অয়েল কোম্পানির ডিপো, মেঘনা পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের ডিপো, নারায়ণগঞ্জ সাইলো ও সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুতকেন্দ্রসহ ছোট-বড় বহু মিল কারখানার যানবাহন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে থাকে। নারায়ণগঞ্জ শহরের অনেক যানবাহনও এ সড়ক দিয়ে ঢাকা শহরে চলাচল করছে। ফলে সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ততম সড়কে পরিণত হয়েছে। কিন্তু ইদানীং এ সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে শিমরাইল মোড় থেকে আদমজী ইপিজেড পর্যন্ত পুরো রাস্তা খানাখন্দে ভরে গেছে।

বাগেরহাটে ভুয়া চিকিৎসকের জেল জরিমানা
নিজস্ব সংবাদদাতা, বাগেরহাট, ২৫ সেপ্টেম্বর ॥ ভুয়া ডিগ্রী লাগিয়ে রেজিস্ট্রেশনবিহীন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসাসেবার নামে ক্লিনিক চালানোর অভিযোগে বুধবার বাগেরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালত এমডি দেলোয়ার হোসেন নামে কথিত এক চিকিৎসককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ ৩ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের দণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। দণ্ডিত দেলোয়ার হোসেন বাগেরহাটের রেল রোডের সাবেক কনিকা ক্লিনিকের দ্বিতীয়তলায় ‘পাইলস চিকিৎসালয় বাগেরহাট ও মোরেলগঞ্জ’ নামের ক্লিনিকের মালিক ও চিকিৎসক। এ ছাড়া শফি মার্কেটে অবস্থিত এএফএম হামিদের ‘নিপা ডেন্টাল’কে ৫০ হাজার এবং জাহিদুল ইসলাম মিলনের ‘জাহিদ ডেন্টাল’-এ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হুমায়ুন কবির ও মোঃ মশিউর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জেল ও জরিমানা আদায় করেন। এ সময় সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি হিসেবে এমওসিএস ডা. প্রদীপ কুমার বকসী ও পুলিশ টিম ভ্রাম্যমাণ আদালতে ছিলেন। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাগেরহাট শহরের অধিকাংশ ক্লিনিক ও কথিত চিকিৎসালয় বন্ধ হয়ে যায়।