মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১১ আশ্বিন ১৪২০
কুড়িগ্রামে দ্বিতীয় ধরলা সেতু বাস্তবায়ন দাবি
স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম ॥ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী-লালমনিরহাট সড়কে দ্বিতীয় ধরলা সেতুর ২০৬ কোটি ৭৭ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রকল্পটি একনেকে এক বছর আগে অনুমোদিত হলেও এখনও কাজ শুরু হয়নি। চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে শুরু করার কথা থাকলেও তা শুরু না হওয়ায় উপজেলাবাসী হতাশ। কখন কিভাবে কাজ শুরু হবে অথবা নির্বাচনের পটপরিবর্তনের পর আবারও যদি বন্ধ হয়ে যায় এ আতঙ্কে রয়েছে উপজেলাবাসী। জেলা শহর থেকে বিচ্ছিন্ন এ উপজেলার মানুষ দীর্ঘদিন থেকে যোগাযোগ সমস্যায় ভুগছে। মানুষ উৎসুক হয়ে আছে কবে শুরু হবে কাজ। সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান হলে উত্তর ধরলার তিনটি উপজেলার ১০ লাখ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ঘটবে। বদলে যাবে মানুষের জীবনযাত্রার মান।
জানা গেছে, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে ধরলা নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন ফুলবাড়ী উপজেলার সঙ্গে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট ও রংপুরসহ সারাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র সেবা হবে সেতুটি। এ ছাড়াও উত্তর ধরলার ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সঙ্গে ঢাকার দূরত্ব কমে যাবে প্রায় ৬০ কিলোমিটার। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এ সেতু নির্মাণে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ উপজেলার সাধারণ মানুষ বিভিন্নভাবে দাবি জানালেও তা এতদিন উপেক্ষিত ছিল। গত ১৯ আগস্ট একনেক অনুবিভাগের পত্র নং-২০.০০.০০০০.৪১২.০৬.১৩.৩০৩, সভার কার্যবিবরণীতে ‘কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদীর ওপর ৯৫০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি গত ৩০.০৭.২০১৩ তারিখে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের অনুমোদিত বাস্তবায়ন মেয়াদকাল জুলাই, ২০১৩ হতে জুন ২০১৬ পর্যন্ত। প্রকল্পের সম্পূর্ণ অর্থায়ন করবে জিওবি। ফুলবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী সরকার জানান, সেতুটি বাস্তবায়ন করার জন্য একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবি করা হয়েছে। কুড়িগ্রামের সংসদ সদস্য মোঃ জাফর আলী বলেন, ফুলবাড়ীর মানুষের প্রাণের দাবি কুলাঘাট ধরলা সেতু। আমার প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর একনেক অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। এ সেতু প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য এলজিইডি বিভাগের মাধ্যমে যোগ্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানদের তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫ হাজার টাকা ফি দিয়ে তালিকাভুক্তির সময়সীমা রয়েছে। পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে ঠিকাদার তালিকাভুক্ত করা হবে। অক্টোবর মাসে এ সেতুর টেন্ডার আহ্বান করা হবে।