মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১১, ১ পৌষ ১৪১৮
১০ গ্রামের ভরসা বাঁশের সাঁকো ॥ জনদুর্ভোগ চরমে
নিজস্ব সংবাদদাতা, কক্সবাজার, ১৪ ডিসেম্বর ॥ বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা জেলার পেকুয়া বারবাকিয়া ও মগনামা ইউনিয়নের ১০ গ্রামবাসীর। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ওসব এলাকার অধিবাসীদের নদী পারাপার নিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পেকুয়া উপজেলার মগনামা ও বারবাকিয়া ইউনিয়নের সংযোগ ভোলা খালের উপর বুধা মাঝির ঘোনা-মগনামা বাজার পাড়ায় একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো রয়েছে। নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে প্রার্থীরা প্রতিশ্রম্নতি দিয়ে গেছেন শুধু। ভোটের আগে অনেকে বাঁশের সাঁকোটি পাল্টিয়ে পিলারের সেতু স্থাপনেরও প্রতিজ্ঞা করে গেছেন। একাধিক জনপ্রতিনিধির জয়-পরাজয় ঘটলেও এলাকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। এলাকাবাসী জানায়, গত কয়েক বছর আগে ওই বাঁশের সাঁকো থেকে পড়ে এক স্কুল ছাত্রের মর্মানত্মিক মৃতু্য হয়েছিল। এরপরও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলা প্রশাসনের ঘুম ভাঙ্গেনি মোটেও। তারা আরও জানায়, বুধা মাঝির ঘোনা, মৌলভী পাড়া, জলিয়াবার পাড়া ও জালিয়াখালী এলাকায় কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় নদীর ওপারে পূর্ব মগনামা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হয় ওইসব এলাকার কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের। পূর্ব মগনামা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডা. আব্দুল মজিদ জনকণ্ঠকে জানান, প্রায় শতাধিক ছাত্রছাত্রী ওপার থেকে তারা স্কুলে শিক্ষা নিতে আসে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ওসব শিশুদের চরম ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোটি পাড়ি দিতে হয়। পেকুয়া জিএমসি ইনস্টিটিউশনের দশম শ্রেণীর ছাত্রী হুমাইয়া আলমগীর জানায়, ওই সাঁকোটি আমাদের স্কুলের একমাত্র মাধ্যম। বর্ষাকালে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে সাঁকোটির অবস্থা একেবারে নড়বড়ে হয়ে যায়। অনেক সময় সাঁকোটি ভেঙ্গে গেলে আমাদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ দিতে হয়।