মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ১০ জুলাই ২০১১, ২৬ আষাঢ় ১৪১৮
মনিরামপুরে রাইস পস্নান্টের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ
স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ মনিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া এলাকায় খামার যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় 'রাইস পস্নান্টারের' সাহায্যে ধানের চারা রোপণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরম্ন করা হয়েছে। এক মাঠদিবসের মধ্য দিয়ে শনিবার উপজেলার তারম্নয়াপাড়া এলাকায় রাইচ পস্নান্টারের সাহায্যে ধানের চারা রোপণের কাজ শুরম্ন করা হয়েছে। দেশের মূল প্রাণশক্তি কৃষি এবং কৃষক, তাই উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন্যায় এদেশেও কৃষিতে আধুনিক ও যুগোপযোগী বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করছে সরকার। খামার যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ৯টি প্রযুক্তির ইতোমধ্যে ব্যবহার শুরম্ন হয়েছে। প্রযুক্তিগুলো হলো পাওয়ার ট্রিলার, ট্রাক্টর, সপ্রে, গুটি ইউরিয়া পোতা যন্ত্র, জাপানীজ রাইস উইডার, মিনি কম্বাইন্ড হারভেস্টার, পাওয়ার থ্রেসার, রাইস কাটার রিপার, রাইস পস্নান্টার। পেট্রোল চালিত রাইচ পস্নান্টার যন্ত্রের মাধ্যমে ১ দশমিক ৩ লিটার জ্বালানি ব্যবহার করে মাত্র ১ ঘণ্টায় ১ একর জমিতে ধানের চারা রোপণ করা সম্ভব। ফলে এ যন্ত্র ব্যবহার করলে কৃষকের অর্থ সাশ্রয় হবে। মাঠ দিবস প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক কৃষি সমপ্রসারণ কর্মকর্তা তফিজ উদ্দীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম সাহা, কৃষি প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন, ঢাকুরিয়া উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ, প্রবীণ কুমার রায় প্রমুখ।

ভারত-বাংলাদেশের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে সম্মেলন
স্টাফ রিপোর্টার, পঞ্চগড় ॥ পঞ্চগড়ের অভ্যনত্মরে ভারতীয় গারাতি ছিটমহলে হত্যা, বাড়িঘরে অগি্নসংযোগ, সীমানত্মে চোরাচালান বন্ধে প্রশাসনিক হসত্মক্ষেপ এবং পঞ্চগড়-নীলফামারী-কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার অভ্যনত্মরে অবস্থিত ৫১টি ভারতীয় ছিটমহল নাগরিকদের জানমাল রক্ষাসহ ছিটমহলের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় ডালিয়ায় অবসর রেস্ট হাউসে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে জেলা প্রশাসক তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, জেলা প্রশাসক আব্দুল মজিদ, জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মখলেছার রহমান এবং ভারতের পক্ষে কুচবিহার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিসেস সারথী মহাপাত্রের নেতর্ৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল নেতর্ৃত্ব দেন। সকাল ১১টা থেকে শুরম্নু হয়ে দুপুর আড়াইটায় সম্মেলন শেষ হয়। সম্মেলন সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ও ভারত উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। ভারতের কুচবিহার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সকালে বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে সম্মেলনে যোগদান করেন।