মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ১৭ জুলাই ২০১০, ২ শ্রাবণ ১৪১৭
রিটের শুনানি সোমবার পর্যন্ত মুলতবি
খালেদা জিয়ার বাড়ি
স্টাফ রিপোটার ॥ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ি ছাড়ার নোটিসের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদনের শুনানি সোমবার পর্যনত্ম মুলতবি করেছে হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার সরকার পৰ থেকে সময় চাওয়া হলে পরবতর্ী শুনানির দিন ধার্য করা হয় সোমবার। অন্যদিকে জামায়াতের গ্রেফতারকৃত শীর্ষ তিন নেতার রিমান্ডের সময় ৫৫ ডিএলআর অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীসহ তিন জনকে রিমান্ডের আগে ডাক্তারী পরীৰা করাসহ কতিপয় নির্দেশ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত এ্যাটর্নি জেনারেল এমকে রহমান খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়ি ছাড়ার নোটিসের ওপর শুনানির জন্য সময় প্রার্থনা করেন। এ সময় বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা এবং বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ সোমবার শুনানির দিন ধার্য করেন। এ সময় বিএনপির সিনিয়র আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া একটি বেঞ্চের প্রতি অনাস্থা আনেন। অনাস্থা আবেদন খারিজ হবার পর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বেঞ্চ পরিবর্তনের জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানান। একই সঙ্গে বিএনপির সিনিয়র আইনজীবীরা প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে গিয়ে এ বিষয়ে তাঁকে অবহিত করেন। ১৩ এপ্রিল খালেদা জিয়া ঐ বেঞ্চের প্রতি অনাস্থা আনেন। এর দুদিন আগে ঐ বেঞ্চের মূল রিট আবেদনের সময় ব্যাপক হট্টগোল হয়। সরকার খালেদা জিয়ার সেনা নিবাসের বাড়ির বরাদ্দ বাতিল করে গত বছরের মে মাসে তাঁকে বাড়ি ছাড়ার নোটিস দেয়। ঐ নোটিসের বৈধতা চ্যাল্ঞ্জে করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।
এদিকে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীর রিমান্ড চ্যালেঞ্জ করে যে রিট দায়ের করা হয়েছিল তার আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি সৈয়দ দসত্মগীর হোসেন এবং বিচারপতি এ কে এম জহিরম্নল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বৃহস্পতিবার কতিপয় দিকনির্দেশনা দিয়ে আদেশ প্রদান করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে কোন মামলায় একটানা তিন দিন রিমান্ড নেয়া যাবে না। রিমান্ডের সময় নিজামীসহ অন্য দুই জনকে বালিস দিতে হবে। তাদেরকে ফিজিও থেরাপির দেয়ার ব্যবস্থাসহ আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শর্র্ করার সুযোগ এবং রিমান্ডের আগে ও পরে ডাক্তারী চেকআপ করতে হবে। শুনানিতে সরকার পৰে ছিলেন অতিরিক্ত এ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজ উদ্দিন ফকির। অন্যদিকে জামায়াতের তিন নেতার পৰে ছিলেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক।