মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ১৭ জুলাই ২০১০, ২ শ্রাবণ ১৪১৭
তানোরে দারোগার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী বিপাকে
স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ রাজশাহীর তানোরের মুন্ডমালা পুলিশ তদনত্ম কেন্দ্রের ইনচার্জের অনিয়ম-দুনর্ীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে এলাকার সাধারণ মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে। ইতোমধ্যে ওই তদনত্ম কেন্দ্রের পুলিশের রোষানলের ভয়ে এলাকার অনেক পরিবার পুরম্নষশূন্য হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, মুন্ডুমালা পুলিশ তদনত্ম কেন্দ্রের ইনচার্জ আনিসুর রহমানের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। অভিযোগ উঠেছে, ওই পুলিশ কর্মকর্তার অপসারণ চেয়ে তার বিরম্নদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসীকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও গ্রেফতারের হুমকি দিয়েছেন। এমনকি গত দু'রাত ধরে মুন্ডুমালা পৌর এলাকার বিভিন্ন গ্রামে দফায় দফায় অভিযান পরিচালনা করায় গ্রামবাসীদের মাঝে গ্রেফতার আতঙ্ক বিরাজ করছে। গ্রেফতার আতঙ্কে অনেক পরিবারের পুরম্নষ সদস্যরা রাতে বাড়িতে ঘুমাতে পারছেন না। পুলিশের এহেন ভূমিকায় এলাকাবাসীর মাঝে চাপাক্ষোভ ও অসনত্মোষ বিরাজ করছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি মুন্ডুমালা পৌরসভার জুমার পাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীকে একই গ্রামের এমদাদ হোসেনের বখাটে ছেলে রয়েলের (২৪) উত্ত্যক্ত করার বিষয়ে অভিযোগ করলে তদনত্ম কেন্দ্রের পুলিশ তা আমলে নেয়নি। এমনকি পুলিশ উল্টো নির্যাতিত স্কুলছাত্রীর বাবা ও ভাইকে তদনত্ম কেন্দ্রে আটকে রাখে। পরে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে তদনত্ম কেন্দ্রের ইনচার্জ আনিসুর রহমান তাদের মামলার পরিবর্তে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে উল্টো অন্য মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন।

ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতার ॥ ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা
রাজশাহী নগরীর ক্লিনিকপাড়া খ্যাত লক্ষ্মীপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে সহযোগীসহ ভুয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এছাড়া একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা এবং অপর দুইটি থেকে ৫ হাজার টাকা করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ভুয়া ডাক্তারের নাম নুরম্নল ইসলাম। সে নগরীর রাজপাড়া থানার বহরমপুরের আব্দুস সবুরের ছেলে। গ্রেফতারকৃত সহযোগীর নাম আবু আহমেদ বাপ্পী। সে নগরীর লক্ষ্মীপুর কাঁচাবাজার এলাকার শফিউল মোসত্মফার ছেলে। জানা গেছে নুরম্নল ইসলাম নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে গত ১৮ মাস ধরে এশিয়ান ল্যাব নামের প্রতিষ্ঠানে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজ্জাকুল ইসলাম, র্যাব-৫, রাজশাহীর রেলওয়ে কলোনি ক্যামপের মেজর এইচএম আনোয়ার আলী ও সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডা. মমতাজুল করিমের নেতৃত্বে একটি অপারেশন দল বৃহস্পতিবার বিকেলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে 'রাজ প্যাথলজি'র মালিক ডা. মামুনুর রশিদকে সনদপ্রাপ্ত টেকনিশয়ান ছাড়া বিভিন্ন রোগ নির্ণয় করার মেশিন পরিচালনা ও ব্যবহৃত ইনজেকশন সিরিঞ্জ রাখার অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইভাবে 'রাজশাহী ডায়াগনস্টিক সেন্টার'রে মালিক তরিকুল ইসলামকে লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ উক্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়।