মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১১, ১৩ পৌষ ১৪১৮
গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে কবে?
ড. হারুন রশীদ
রাজধানীতে যাঁরা বাস করেন তাঁদের কাছে দিন দিন অসহনীয় দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠছে গণপরিবহন। শুধু তাই নয়, ভোগান্তির তালিকা দিন দিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, এখানকার পরিবহন ব্যবস্থা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, রাস্তার সার্বিক পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে। যাচ্ছেতাইভাবে সবকিছু চলাটাই যেন অনেকটা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে।
সমস্যা যে হারে বাড়ছে সমাধান সে গতিতে এগুচ্ছে না। গণপরিবহনের অব্যবস্থাপনা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে অনেক আগেই। কোথাও যাওয়ার জন্য নাগরিকদের রাস্তায় নেমেই এক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। গনত্মব্যে যাওয়ার জন্য তাড়া আছে কিন্তু যানবাহনের তীব্র সঙ্কট। অফিসে যাওয়া, বাচ্চার স্কুল, বিয়ে-দাওয়াত পার্টিতে যাওয়া, এমনকি রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া_প্রয়োজনীয় কোন গন্তব্যেই যে সময়মতো পৌঁছা যাবে তার গ্যারান্টি নেই। বাসে উঠতে গেলে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ট্যাঙ্কি্যাব অপ্রতুল, ভাড়াও অতিরিক্ত। সিএনজিচালিত অটোরিকশা মিটারবহির্ভূত অধিক ভাড়া নিয়েও প্রয়োজনীয় গন্তব্যে যেতে নারাজ। এর বাইরে বিকল্প যানবাহনও অপ্রতুল। এ অবস্থায় মানুষজনের ভোগানত্মির সীমা-পরিসীমা নেই। যানজটের কারণে তো রাজধানী স্থবির হয়ে থাকে অধিকাংশ সময়। অথচ একটি দেশের রাজধানীর কর্মচঞ্চলতা যদি এভাবে রাসত্মাতেই নষ্ট হয় তাহলে সেই দেশের ভূতভবিষ্যত যে কি তা কি আর বলার অপেৰা রাখে।
যানজটের ফলে নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা, বাড়ছে রোগ-ব্যাধি। এছাড়া যানজট একটি স্থায়ী সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়ায় পরিবহন খাতে বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোনো ছাড়া কোন উপায় নেই। যানজট সমস্যার সমাধান না হওয়ায় প্রতিদিনই অনেক কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। পিছিয়ে যাচ্ছে উন্নয়ন। বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অগ্রগতি। শুধু তাই নয়, শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণে নানা সংক্রামক ব্যাধিতেও আক্রান্ত হচ্ছে রাজধানীর বিপুলসংখ্যক মানুষ। যানজটে নগরবাসীর প্রাত্যহিক জীবনযাত্রাও মারাত্মকভাবে বিঘি্নত হচ্ছে। অর্থনৈতিক ৰতির পরিমাণও বাড়ছে দিন দিন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা যায়, যানজটের কারণে বছরে আর্থিক ৰতির পরিমাণ ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। সব রম্নটে যাত্রীদের চলাচলে কমপৰে ৩ কর্মঘণ্টা সময় অপচয় হয় প্রতিদিন। যানজটের কারণে বিপুল পরিমাণ জ্বালানিরও অপচয় হয়। কিন্তু এ থেকে পরিত্রাণের যেন কোন উপায় নেই। বিভিন্ন সময় নানামুখী কর্মসূচী-পরিকল্পনা হাতে নেয়া হলেও বাস্তবায়ন হয়েছে খুব কমই। ফলে সমস্যা যে তিমিরে ছিল সেখানেই রয়ে গেছে। অথচ দুবির্ষহ যানজটের জন্য পরিকল্পনা ও সমন্বয়হীনতার অভাবকেই দায়ী করা হয়।
রাজধানীতে দিন দিন জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে। সেই সঙ্গে পালস্না দিয়ে বাড়ছে গাড়িঘোড়া। কিন্তু সে তুলনায় রাসত্মাঘাট বাড়ছে না। ফলে যানজট এক অনিবার্য বাসত্মবতা হিসেবে দেখা দিয়েছে। এছাড়া ট্রাফিক ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ না করায় যানজট থেকে মুক্তি পাচ্ছে না রাজধানীবাসী। যানজট নিয়ন্ত্রণে কঠোর ট্রাফিক আইনের প্রয়োগ, প্রাইভেট গাড়ির ওপর নিয়ন্ত্রণ, যত্রতত্র পার্কিং নিষিদ্ধ করা, রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নদীপথ এবং ঢাকার ভেতরের খাল দখলমুক্ত করে নৌপথের উন্নয়ন করা, রিকশামুক্ত সড়কসহ নানা পরিকল্পনার কথা বলা হয়। এগুলো নিয়ে কথাবার্তা যতটা হয় কাজ ততটা যে হয় না তা যানজটের বর্তমান হালই বলে দিচ্ছে।
কিন্তু যানজট এখন এমন এক অবস্থায় পেঁৗছেছে, এ থেকে পরিত্রাণের উপায় খুঁজে বের করতে হবে। যানজট বর্তমান নগরবাসীকে স্থবির ও অচল করে রেখেছে। এই অবস্থা দীর্ঘায়িত হলে এর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক ফল হবে অত্যনত্ম ভয়াবহ। এজন্য পরিবহন খাতে একটি স্বসত্মিদায়ক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা অত্যনত্ম জরম্নরী হয়ে পড়েছে। এ জন্য অবকাঠামো, সুশাসন, অযান্ত্রিক পরিবহন, পরিবহনের পরিদর্শন ও ব্যবস্থাপনা, ড্রাইভিং লাইসেন্সের ৰেত্রে গুণগত পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে। পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য বন্ধ এবং একটি সুষ্ঠু প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন বিআরটিসিকে সচল করতে হবে।
ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় এক অরাজক অবস্থা বিরাজ করছে। জীর্ণশীর্ণ বাস সিটিংয়ের নামে 'চিটি'ং করছে যাত্রীদের সঙ্গে। ব্যসত্ম সময়ে লোকাল বাসগুলোও হয়ে যাচ্ছে সিটিং বাস। এতে একদিকে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে অন্যদিকে লোকাল বাসে সিটিংয়ের নামে স্বল্পযাত্রী বহন করায় শত শত যাত্রীর অপেৰাকে আরও দীর্ঘতর করছে তারা। মানহীন ভাঙ্গাচোরা বাস, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ নানা অনিয়মের বেড়াজালে যাত্রীদের বন্দী করছে বাস মালিকরা। সেবা নয়, মুনাফাই এদের আসল উদ্দেশ্য। এ অবস্থায় একটি গতিশীল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই। এ জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত বিআরটিসিকে সচল করতে হবে।
দেশে যদি সত্যিকার অর্থে গণপরিবহন বলে কিছু থাকত তাহলে বেসরকারী বাস মালিকরা যে এই নৈরাজ্যকর অবস্থা তৈরি করতে পারত না, সেটি বলার অপেৰা রাখে না। সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে, গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে উঠতেও এই চক্র প্রবল বিরোধিতা করে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থার (বিআরটিসি) বাস চলাচলেও চরম অসহযোগিতা করে পরিবহন খাতে একচেটিয়া প্রাধান্য বজায় রাখছে বেসরকারী পরিবহন ব্যবসায়ীরা। এর ফলে যাত্রী ভোগানত্মির কোন সীমা পরিসীমা নেই। অপরদিকে বিআরটিসি নিজেও যেন ধুঁকে ধুঁকে মরছে। রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানটি চরম অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে ক্রমাগত লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বিআরটিসি বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে জনসাধারণের ভোগানত্মি বেড়েছে। একটি সুষ্ঠু প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে না ওঠায় বেসরকারী পরিবহন মালিকরা ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছে। পরিবহন খাতকে নানাভাবে জিম্মি করে রাখছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য বিআরটিসিকে সচল করার কোন বিকল্প নেই। কিন্তু কাজটি যে অতটা সহজ নয় তা তো এর আগের ঘটনাপ্রবাহ থেকেই পরিষ্কার। বিআরটিসিকে কোণঠাসা করতে বেসরকারী পরিবহন মালিকরা এককাট্টা। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় উত্তরাঞ্চলে বিআরটিসির সার্ভিস চালু হলে ওই অঞ্চলের মানুষজনের কাছে তা ব্যাপক সমাদৃত হয়। কিন্তু বেসরকারী পরিবহন মালিকদের তা চৰুশূলের কারণ হয়। তারা জনপ্রিয় এ সার্ভিস বন্ধে নানা ধরনের তা-ব চালায়। এমনকি ধর্মঘট ডেকে অচলাবস্থা সৃষ্টি করে। অবশেষে সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয়। অথচ ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশ বলে রাষ্ট্রীয় পরিবহন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিআরটিসির বাস দেশের যে কোন স্থানে চলাচলের অধিকার রাখে। সরকার দেশে স্বল্পমূল্যে দ্রম্নত, দৰ, আরামপ্রদ, আধুনিক ও নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লৰ্য নিয়ে '৮০'র দশকে বিআরটিসি বাস সেবা চালু করে। কিন্তু এরপর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির পেছনে নানা কুচক্রী মহলের দৃষ্টি পড়ে। ২০০৪ সালে তৎকালীন জোট সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী বেসরকারী পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে এক চুক্তি করেন। পরবর্তীতে এই চুক্তির দোহাই দিয়ে পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন রম্নট থেকে বিআরটিসির বাস উঠিয়ে দেয়া হয়।
রাজধানীতেও বিআরটিসির পরিবহন সেবা ক্রমে সীমিত হয়ে আসছে। যদিও প্রতিটি সরকার এসেই নতুন করে বিআরটিসিকে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করে। বর্তমান সরকারও কয়েক দফা বিআরটিসির নতুন বাস রোডে নামায়। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই অজানা কারণে বাসগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে। দোতলা ভলভো বাসে সামান্য ত্রম্নটি দেখা দিলেই তা মেরামত না করে বন্ধ করে দেয়া হয়। বাস মেরামতের চেয়ে নতুন বাস কেনার দিকেই আগ্রহ বেশি বিআরটিসি কর্তৃপৰের। এতে টুপাইস কামানো যায়। তাছাড়া গণহারে লিজ দেয়ার ফলেও বিআরটিসিতে চলছে যাচ্ছেতাই কারবার।
আসলে মুক্তবাজারের নামে বেসরকারী পরিবহন মালিক শ্রমিকরা এখন পরিবহন খাতকে জিম্মি করে ফেলেছে। এ অবস্থা থেকে উদ্ধার পেতে হলে বিআরটিসিকে সচল করার কোন বিকল্প নেই। সারাদেশে বিআরটিসির বাস চলতে দিতে হবে প্রয়োজনীয় সংখ্যায়। বিশেষ করে রাজধানীতে বাসের সংখ্যা বাড়ানো একানত্ম অপরিহার্য। জনস্বার্থে বিআরটিসিকে সচল করা এবং একটি সুষ্ঠু প্রতিযোগিতামূলক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি।
ঢাকার রাসত্মায় একই সঙ্গে চলছে বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ধরনের বিভিন্ন যানবাহন। ফলে এক জগাখিচুড়ি অবস্থার কারণে যানজট এখানে নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ জন্য একটি সুসমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে এগুনো প্রয়োজন। সড়ক পথের উন্নয়নের পাশাপাশি ঢাকার চারপাশের নৌপথগুলো চালু করা দরকার। নৌপথে যাতায়াত অপেৰাকৃত সসত্মা এবং স্বসত্মিদায়কও বটে। এ জন্য বুড়িগঙ্গা, তুরাগসহ অন্যান্য নদীর দখল-দূষণ বন্ধ করতে হবে। ঢাকার খালগুলো পুনরম্নদ্ধার করে নৌরম্নট চালু করা যায়। এছাড়া মেট্রোরেল চালু করেও রাজধানীর গণপরিবহনের চাহিদা অনেকটাই মেটানো সম্ভব। গণপরিবহনের অব্যবস্থাপনা এবং যানজট দূর করে স্থবির ঢাকাকে বদলে না দিতে পারলে দেশের কাঙ্ৰিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কারণে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী নানামুখী পদৰেপ গ্রহণ করতে হবে।
আশার কথা হচ্ছে, বর্তমান সরকারের সময়ে কিছু কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়েছে। রাজধানীতে এই মুহূর্তে চলছে তিনটি ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ। এবং কাজ শুরম্নর অপেৰায় আছে ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ উড়াল সড়ক, ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ বাস র্যাপিড ট্রানজিট আরও চারটি আন্ডারপাস এবং সম্ভাব্যতা যাচাইপর্বে রয়েছে মেট্রোরেল। এসব প্রকল্প বাসত্মবায়ন হলে যানজটের নগরী ঢাকার চিত্র বদলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। রাজধানীর উত্তর-দৰিণ দুই প্রানত্মে একসঙ্গে চলছে তিনটি ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ। যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিসত্মান হয়ে পলাশী, কুড়িল ক্রসিং এবং মিরপুর থেকে ক্যান্টনমেন্ট হয়ে স্টাফ রোড পর্যনত্ম দ্রম্নতগতিতে ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ চলছে। ২০১৩ সালের মাঝামাঝি ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার কথা। মিরপুরের মাটিকাটা থেকে সেনানিবাসের ওপর দিয়ে এয়ারপোর্ট রোড পর্যনত্ম ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া এয়ারপোর্ট রোডের বনানী রেল ক্রসিংয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নির্মাণ হতে যাচ্ছে ওভারপাস। ফ্লাইওভার, উড়াল সড়কের পাশাপাশি মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। ঢাকা ও এর চারপাশে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা ও অবকাঠামো গড়ে তুলতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ এবং উড়াল সেতু, রেল ওভারপাস, রোড আন্ডারপাস নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ঢাকার চিত্র নিশ্চিতভাবেই পাল্টে যাবে।
যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ভেঙ্গে দু'টি মন্ত্রণালয় করা হয়েছে। এবং দু'জন প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে দু'টি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেছেন। রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত রেলের স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা তাঁদের কথায় আশ্বস্ত হতে চাই। সেই সঙ্গে চাই তাঁদের কথা ও কাজের মিল থাকুক। যে সমস্ত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হাতে নেয়া হয়েছে তাও যথাযথভাবে-যথাসময়ে বাস্তবায়ন হোক। কোন আমলাতান্ত্রিক জটিলতার বেড়াজালে এগুলো যেন আবার আটকে না যায়।

harun_press@yahoo.com