মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১১, ১৩ পৌষ ১৪১৮
মুজিব কন্যার শাসনামলে পাকিস্তানের সঙ্গে কনফেডারেশন সম্ভব নয়
আবদুল মান্নান
প্রতিবছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে চেষ্টা করি এ দু'টি দিনে পাকিস্তানের প্রধান সংবাদপত্রগুলো কিভাবে দিন দু'টির ঘটনাপ্রবাহকে মূল্যায়ন করে, তা জানতে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হয় সে দেশের প্রচার মাধ্যমে দিন দু'টি চেপে যাওয়া হয় অথবা এই দিনে হিন্দু ভারত মুসলিম পাকিস্তানকে ষড়যন্ত্র করে ভেঙ্গে ফেলেছে বলে দু'একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। মাঝে মঝে কিছু ব্যতিক্রম যে থাকে না, তা নয়। কোন কোন বিশ্লেষক এখন মনে করেন, একাত্তরের ঘটনাপঞ্জির জন্য মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দায়ী এবং তাদের ভুল পথে পরিচালিত করেছে ইয়াহিয়া খান এবং তার সামরিক জান্তা। কারো কারো মতে, পুরো ঘটনার জন্য আইউব, ইয়াহিয়া, ভুট্টো ও শেখ মুজিব প্রত্যেকে সমানভাবে দায়ী। সবাই নিজের মতো করে একাত্তরকে ব্যাখ্যা- বিশেস্নষণ করার চেষ্টা করেন। প্রতিবছর দু'একজন মনে করেন, একাত্তরের ঘটনার জন্য বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত। এবার এই বিষয়ে আবারও নতুন করে বলেছেন পাকিস্তানের এককালের তারকা ক্রিকেটার ও বর্তমানে পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফের প্রধান ইমারন খান। তবে সে দেশের স্কুল-কলেজে বর্তমান প্রজন্মের পাকিস্তানীদের ভুলেও একাত্তরের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে সঠিক-সত্য তথ্য জানতে দেয়া হয় না। বছর কয়েক আগে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পাঞ্জাবের রাজধানী লাহোরে গিয়েছিলাম। সেখান হতে আমন্ত্রিত হয়ে গুজরানওয়ালার এক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিৰার্থীদের উদ্দেশে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতি নিয়ে সেমিনারে যোগ দিতে যাই। প্রায় শ'পাঁচেক শিক্ষার্থী আমার দীর্ঘ একঘণ্টার বক্তৃতা পিনপতন নিরবতার মধ্য দিয়ে শুনেছিল। সেমিনার শেষে তাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা গেল, তারা প্রায় কেউই জানে না বাংলাদেশ এক সময় পাকিস্তানের অংশ ছিল এবং বাঙালীরা তা যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছে। তাদের পৰে এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল, পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বাঙালী দূরে থাক কারো কাছে পরাজিত হতে পারে! ওই শিক্ষার্থীদের অবস্থা দেখে তাদের প্রতি করুণা করা ছাড়া আমার করার আর কিছুই ছিল না।
এবার ১৬ ডিসেম্বর লাহোর হতে প্রকাশিত পাকিসত্মানের প্রভাবশালী দৈনিক 'দি নেশন' পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মাজিদ নিজামীর একাত্তরের ঘটনাপঞ্জির ওপর একটি দীর্ঘ সাৰাতকার ছাপা হয়েছে। নিজামীর বর্তমান বয়স ৮৩ বছর। নওয়াজ শরিফ যখন পাকিসত্মানের প্রধানমন্ত্রী তখন তিনি নিজামীকে পাকিসত্মানের প্রেসিডেন্ট করার প্রসত্মাব করেছিলেন। তিনি রাজি হননি। ব্যক্তিগতভাবে এই ভদ্রলোক সাংঘাতিকভাবে ভারতবিদ্বেষী এবং মনে করেন পাকিসত্মানের উচিত আণবিক বোমা ব্যবহার করে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করা। এতে হয়ত পাকিসত্মানের দু'একটি শহর ধ্বংস হবে তবে শেষতক জয় হবে পাকিসত্মানের।
সাৰাতকারে নিজামী বলেছেন, তাঁর সঙ্গে শেখ মুজিবের ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল এবং তিনি যখনই পশ্চিম পাকিসত্মানে সফরে যেতেন তাঁর সঙ্গে নিজামী দেখা করতেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হতে মুক্ত হয়ে মুজিব আইউব খানের গোলটেবিলে বৈঠকে গেলে পাকিসত্মানের রাজনীতি নিয়ে তাঁর সঙ্গে নিজামী দীর্ঘ আলাপ করেন। নিজামী বলছেন, আলাপকালে তাঁর মনে হয়েছে শেখ মুজিব বাংলাদেশ সৃষ্টির ব্যাপারে মনস্থির করে ফেলেছেন এবং তাঁর ধারণা হয়েছিল মুজিব পাকিসত্মানের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি বলেন, মুজিব বাংলাদেশ সৃষ্টির জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলেন যা পরবর্তীকালে তাঁকে দিতে হয়েছিল। তাঁর মতে, মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা যিনি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁর পিতার মতো পাকিসত্মানকে অনত্মর থেকে গ্রহণ করেননি বরং তাঁর স্থলে খালেদা জিয়া যদি প্রধানমন্ত্রী থাকতেন তাহলে পরিস্থিতি পাকিসত্মানের অনুকূলে থাকত এবং পাকিসত্মান ও বাংলাদেশের মধ্যে কনফেডারেশন গড়ে তোলা সম্ভব হতো। মাজিদ নিজামীর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কী করলে পাকিসত্মান ও বাংলাদেশকে আরো কাছে আনা যায়? তাঁর উত্তর, বাংলাদেশ সৃষ্টি হওয়ার পর পাকিসত্মান কখনও মুজিব আর তাঁর কন্যার শাসনামলে এই কাজটি করতে চায়নি; তবে বাসত্মবে মুজিবকন্যা আজীবন ৰমতায় থাকবেন না (অভঃবৎ ধষষ গঁলরন্থং ফধঁমযঃবৎ রিষষ হড়ঃ ংঃধু রহ ঢ়ড়বিৎ ভড়ৎ মড়ড়ফ.) তিনি একাধিকবার এই কথাটির ওপর জোর দিয়েছেন যে বাংলাদেশ এবং পাকিসত্মানের মধ্যে একটি কনফেডারেশন হওয়া উচিত তবে তা মুজিবকন্যা সে দেশের রাষ্ট্রৰমতায় থাকার সময় সম্ভব নয় এবং তার জন্য বেগম জিয়াকে ৰমতায় আসতে হবে। তিনি আরো মনে করেন, বাংলাদেশ এবং পাকিসত্মানের মধ্যে একটি সামরিক চুক্তি হওয়া উচিত এবং তা প্রয়োজনে উভয়ের কমন 'শত্রম্ন' ভারতের বিরম্নদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে।
এটি পরিষ্কার যে শুরম্ন থেকেই পাকিসত্মান কখনও বাংলাদেশের জন্মকে মেনে নেয়নি এবং পাকিসত্মান সব সময় চেষ্টা করেছে বাংলাদেশে বিএনপির মতো একটি পাকিসত্মানবান্ধব সরকার ৰমতায় থাকুক। এটি অত্যনত্ম পরিষ্কার, অতীতে বাংলাদেশে পাকিসত্মানের কুখ্যাত সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই'র একটি শক্ত অবস্থান ছিল এবং কোন কোন ৰেত্রে তা এখনও আছে। অভিযোগ আছে, ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় আইএসআই'র নয় শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা বাংলাদেশে কর্মরত ছিলেন এবং তাঁদের একমাত্র কাজই ছিল আওয়ামী লীগকে পুনরায় ৰমতায় ফিরে আসার পথ রম্নদ্ধ করা। কোন কোন সূত্রের মতে (ঋৎরফধু ঞরসবং/চধশরংঃধহ), এ সময় এ কাজের জন্য আইএসআই বাংলাদেশে দশ লাখ ডলার ব্যয় করে । আওয়ামী লীগের বিরম্নদ্ধে যে এসব ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা তারা সে সময় অনুধাবন করতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়। বিএনপি যে একটি পাকিসত্মানবান্ধব দল এটি কেউ অস্বীকার করবে না। বেগম জিয়ার প্রথম শাসনামলে পাকিসত্মানের আইএসআই'র শীর্ষ কর্মকর্তা জেনারেল জানজুয়ার মৃতু্য হলে তিনি সকল রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার ভঙ্গ করে তাঁর জন্য শোকবার্তা প্রেরণ করেন। উলেস্নখ্য, জানজুয়া একাত্তর সালে বাংলাদেশে কর্মরত ছিলেন এবং বাঙালী নিধনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন ।
বাংলাদেশে পাকিসত্মানের সবচাইতে বড় সুহৃদ একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াত; তবে তাদের বিরম্নদ্ধে সরাসরি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থাকার কারণে তারা খোলাখুলি পাকিসত্মানের পৰাবলম্বন করতে পারে না বলে তারা তাদের মিত্র বিএনপিকে নানাভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করে এবং সফল হয় । আর যেহেতু বিএনপি দল হিসেবে শুরম্ন থেকেই পাকিসত্মানী ভাবধারার লোকজন নিয়ে গঠিত হয়েছিল সেহেতু তারা সহজে জামায়াতের ফাঁদে পা দেয়; যার সর্বশেষ উদাহরণ গত ১৮ ডিসেম্বর রাজধানী ও সিলেটসহ দেশের আটটি জেলায় সংঘটিত হঠাৎ করে চোরাগোপ্তা হামলায় অত্যনত্ম সুকৌশলে বিএনপিকে টেনে আনা এবং তাদের মাঠ ছেড়ে দিয়ে নির্বিঘ্নে সটকে পড়া। এটি মোটামুটি সবাই স্বীকার করবেন, বর্তমানে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াত শুধু চরম সঙ্কটের মুখোমুখিই নয় বরং তাদের অসত্মিত্বই অনেকটা বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। একাত্তরের মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে ইতোমধ্যে তাদের পাঁচ শীর্ষ নেতা বিশেষ ট্রাইবু্যনালে বিচারের মুখোমুখি হয়েছে। হয়ত আর কয়েক দিনের মধ্যে আরো দু'একজন গ্রেফতার হতে পারে। সাধারণ মানুষের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা সব সময় সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল। তাদের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ যে একাত্তরে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল তা এদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে অজানা নয় । দেশের মানুষ সব সময় এই অপরাধের সঙ্গে যারাই জড়িত ছিল তাদের বিচার চেয়েছে। সেই বিচার দেরিতে হলেও বর্তমানে শুরম্ন হয়েছে। বিচারে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের মৃতু্যদ-ও হতে পারে। তা যদি হয় তা হলে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াত অনেকটা বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে, তবে তা হবে না। কারণ, তাদের আশ্রয় দেবে বিএনপি। জামায়াতের পকেটে সর্বোচ্চ ৬-৭ % পর্যনত্ম ভোট রয়েছে, আর রয়েছে বিরাট অর্থভা-ার । অর্থ উপার্জন করার জন্য এই মুহূর্তে তাদের রয়েছে ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, কিন্ডারগার্টেন স্কুলসহ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান । বারোটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় তারা নিয়ন্ত্রণ করে। শুধু মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচার আনত্মর্জাতিক অঙ্গনে ৰতিগ্রসত্ম করার জন্য তারা তাদের বিদেশী সুহৃদদের কাছ হতে সংগ্রহ করেছে কোটি কোটি ডলার, যার মধ্যে আইএসআই'র বিরাট অনুদানও আছে বলে বিভিন্ন সূত্র হতে জানা গেছে।
বর্তমানে বিশেষ ট্রাইবুু্যনালে চলমান বিচার ব্যবস্থাকে ভ-ুল করার জন্য প্রথম বড় ধরনের বিএনপি-জামায়াতের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছিল গত ১৮ ডিসেম্বর। সেদিন বিএনপি মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার নাম করে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সমাবেশ ডেকেছিল । বিএনপির মতো একটি বড় রাজনৈতিক দলের জন্য এটি ছিল অনেকাংশে ব্যতিক্রম। কারণ বিজয় দিবস শেষ হওয়ার দু'দিন পর প্রগতিশীল গণতন্ত্রী পার্টি এমন একটি সমাবেশ ডাকতে পারে, বিএনপি নয়। সমাবেশের সময় ছিল বেলা বারোটায়। প্রশাসন তাদের সমাবেশ করার জন্য অনুমতিও দিয়েছে এবং শানত্মিপূর্ণভাবে সমাবেশও হয়েছে, যাতে দলীয়প্রধান বক্তব্য রেখেছেন। কিন্তু দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে আগত মুক্তিযোদ্ধাদের সূর্যোদয়ের আগেই ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরম্নত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্বাগতম জানানোর নাম করে যুবদল ও ছাত্রদলের একশ্রেণীর নেতাকর্মী সেদিন যে তা-ব সৃষ্টি করেছিল তা আসলে শুরম্ন করেছিল ছাত্রশিবিরের কর্মীরা। যাঁরা বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির খোঁজখবর রাখেন তাঁরা ভাল করেই জানেন ছাত্রশিবির ছাড়া সূর্যোদয়ের আগে কোন ছাত্র বা যুব সংগঠন তাদের কোন কর্মকা- শুরম্ন করে না। আর বিএনপি যদি মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাগত জানানোর ব্যবস্থা করতই তাহলে তারা তা আগে প্রকাশ-প্রচার করত; যা তারা করেনি। এটি এখন পরিষ্কার যে, তাদের দলের হাওয়া ভবনসম্পৃক্ত কিছু নেতা পুরো পরিকল্পনার সঙ্গে বিরাট অঙ্কের অর্থের সংযোগে জড়িত ছিল ।
শেষতক হলোটা কি? ১৮ তারিখ জামায়াত-শিবির ঢাকায় যখন তা-ব শুরম্ন করল সূর্যের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে যুবদল- ছাত্রদলের কর্মীরা মাঠে এসে গেল তখন তাদের আইনশৃঙ্খলা রৰাকারী বহিনীর মুখোমুখি রেখে তারা নিরাপদে সটকে পড়ল। এখন মামলা মাথায় নিয়ে অনেকে ঘরছাড়া আর পুলিশ হেফাজতে আছে কিছু বিএনপি নেতাকর্মী । বিএনপি কেন জামায়াত-শিবিরের এমন একটি আত্মঘাতী পরিকল্পনার অংশীদার হতে গেল বা তাতে ধরা দিল? তার একটাই কারণ_তারা ছলেবলে কৌশলে বর্তমান সরকারকে ৰমতাচু্যত করতে চায়। মানবতাবিরোধী আর যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচার বানচাল করতে চায় (এই মুহূর্তে দু'জন বিএনপি নেতাও বিচারের মুখোমুখি) এবং নানামুখী কর্মপরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নিজেরা ক্ষমতায় আসতে চায় এবং একটি পাকিস্তানবান্ধব সরকার গঠন করতে চায় এবং আগামী দিনে কোন এক সময় বাংলাদেশের সঙ্গে মাজিদ নিজামীর মতো ব্যক্তিদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পাকিস্তানের কনফেডারেশন গঠনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চায় এবং এ কাজে তারা জামায়াতের অর্থ আর সংঘাত সৃষ্টি করার ৰমতাকে কাজে লাগাতে চায়। এ ব্যাপারে সরকার কতটুকু ওয়াকিবহাল তা কোটি টাকার প্রশ্ন। ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় আসার স্বপ্নে বিভোর ছিল, পর্দার অনত্মরালে যে অন্য নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার অপেৰায় ছিল তা ঘুণাৰরেও টের পায়নি। এবার টের পাবে কিনা তা আগামীতে বোঝা যাবে ।
সকল পাঠককে খ্রিস্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লেখক: শিক্ষাবিদ ও বিশ্লেষক