মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ১৮ জুন ২০১১, ৪ আষাঢ় ১৪১৮
সম্পাদক সমীপে
কেমিক্যাল মিশ্রিত ফল
সম্প্রতি হাইকোর্ট রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রিত ফল বিক্রি বন্ধে একটি ভিজিলেন্স টিম গঠন করার জন্য খাদ্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে। বর্তমানে শুধু ফলই নয়, বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত ফল-ফসল ও মাছ, তরকারি ইত্যাদিতে বাজার এত বেশি সয়লাব হয়ে গেছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য যে মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ কতর্ৃপৰ এ বিষয়ে অনেকটা উদাসীন। তেমন কোন ব্যবস্থাই গৃহীত হচ্ছে না। ফলে আজকাল ঢালাওভাবে এবং বলতে গেলে কোন ধরনের আইনের ভয়ভীতির তোয়াক্কা না করে খোলামেলাভাবে ফল-ফসল ও মাছ-তরকারি ইত্যাদিতে বিষাক্ত ফরমালিনসহ নানা ধরনের কেমিক্যাল মিশানো হচ্ছে এবং খোলা বাজারেই তা বিক্রি হচ্ছে। হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড পিসের উদ্যোগে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা এবং হাইকোর্ট কর্তৃক এ নির্দেশনা প্রদান অত্যনত্ম সময়োপযোগী। এ জন্য ধন্যবাদ জানাই। তবে তা শুধু ফলের বেলায়ই নয়, ফল-ফসল, মাছ-তরকারিসহ সব খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মিশ্রণের বেলায়ও যেন এ নির্দেশ কার্যকর করা হয়। দ্বিতীয়, এই নির্দেশের কার্যক্রম শুধু দেশের রাজধানী বা বড় বড় শহরকেন্দ্রিক না হয়ে দেশের মফস্বল এলাকা পর্যনত্ম যেন বিসত্মৃত রাখা হয়। অর্থাৎ জেলা শহর, উপজেলা ও গ্রাম-গঞ্জের হাটবাজারেও ভেজালের বিরম্নদ্ধে অভিযান চালানো হয়। তৃতীয়ত, বিষাক্ত কেমিক্যাল বা ভেজাল মিশ্রণের বেলায় যারা অপরাধী হিসেবে ধরা পড়বে এবং এসব বিষাক্ত কেমিক্যাল যারা সরবরাহ করে আসছে, তাদের বেলায়ও যেন দৃষ্টানত্মমূলক কঠোর শাসত্মির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
জাহেদুর রহমান ইকবাল, তাহেরপুর, বাগমারা, রাজশাহী।

বন উজাড়
দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মতো স' মিল স্থাপন করা হয়েছে। স' মিলগুলোতে সন্ধ্যা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে কাঠ চুরি করে এনে চিড়ে বিভিন্ন স্থানে রাতের অন্ধকারে বিক্রি করে। বন বিভাগের কর্মকর্তাদের নাকের ডগায় ওপরই রয়েছে স' মিলগুলো। এভাবে যদি দিনের পর দিন বন থেকে কাঠ কাটা হয়, তবে বন উজাড় হতে বেশি দিন সময় লাগবে না। এ ব্যাপারে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপৰের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ছালামত প্রধান, মহাখালী, ঢাকা।

তালপট্টি কোথায়!
অনেক বড় একটি বিষয়ে জনকণ্ঠে ছোট আকারে একটি সংবাদ ছাপানো হয়েছে, বিষয়টি বাংলাদেশের ভূখ- নিয়ে, মানচিত্র নিয়ে। দেশের কত শতাংশ মানুষের নজরে এসেছে সংবাদটি তার অনুসন্ধান করার সংস্থার নাম আমার জানা নেই। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশটি বাংলাদেশের মানচিত্রে নেই। খবরটির সারমর্ম হচ্ছে_দৰিণ তালপট্টি যা বাংলাদেশের ভূখ- সেটি বাংলাদেশ মানচিত্রে নেই বিগত ৩১ বছর ধরে। মানচিত্রে নেই বটে, তবে সেটি ৫৬ হাজার বর্গ মাইলে আছে কি না অথবা গায়েব হয়ে গেছে কি না তাও জানা নেই কোন সংস্থার। তবে সমুদ্র অনুসন্ধান জরিপ চালাতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়েছে এটাই সানত্ম্বনা। ভারত ও পাকিসত্মান স্বাধীনতার পর দুই দেশের সীমানত্মে রোড ক্লিফ লাইন করা হয় বর্ডার কমিশনের সিদ্ধানত্মে। উভয় দেশের ঐকমত্যে কমিশনের সভাপতি নিযুক্ত হন স্যার সাইরিল র্যাড ক্লিফ। সেই র্যাড ক্লিফ লাইন অনুসারে দৰিণ তালপাট্টি বাংলাদেশের অংশে মানচিত্রে লিপিবদ্ধ হয়। লন্ডনে রোড ক্লিফ এ্যাওয়ার্ডে রৰিত বাংলাদেশের সেই মানচিত্রে দৰিণ তালপট্টি বাংলাদেশের অংশ যা ৫৬ হাজার বর্গ মাইলে অনত্মভর্ুক্ত। ১৯৮০ সালে দৰিণ তালপট্টির মালিকানা বাকযুদ্ধে বাংলাদেশ ও ভারত মুখোমুখি অবস্থানে চলে এসেছিল। দেশের মূল ভূখ- হতে একটি অংশ বা দ্বীপ নীরবে গায়েব হয়ে যাবে এবং মানচিত্রে রদবদল হয়ে যাবে তা তো মেনে নেয়া যায় না। র্যাড ক্লিফ মানচিত্রে সীমানত্মবর্তী নদী হাড়িয়া ডাঙ্গার মধ্যবর্তী স্থানটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানত্ম রেখা। কাজেই দৰিণ তালপট্টি বাংলাদেশের অংশ তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই। ৩২ বছর আগে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অথবা অজ্ঞাতে মানচিত্র থেকে স্থানটি বাদ পড়ল রোড ক্লিফের অাঁকা লন্ডনে রৰিত বাংলাদেশের সেই মানচিত্র অনুসরণ করলেই অতি সহজে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। দৰিণ তালপট্টি যে বাংলাদেশের ভূখ-ের তার যথেষ্ট দলিলপত্র সংরৰিত রয়েছে বিশ্বের দরবারে। বাংলাদেশ ১৬৬০ সালে ভ্যানডেন ব্রম্নকের অাঁকা মানচিত্র, ১৭৩০ সালে আইজ্যাক টিরিয়ানের অাঁকা মানচিত্র, ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে বঙ্গভঙ্গ পরবর্তী মানচিত্র, ১৯১২ সালে বঙ্গভঙ্গ রহিত হওয়ার পরবর্তী মানচিত্র এবং সর্বশেষ ১৯৪৭ সালে ঐকমত্যের ভিত্তিতে স্যার সাইরিল র্যাড ক্লিফ কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত চূড়ানত্ম বাংলাদেশ-ভারত মানচিত্রে দৰিণ তালপট্টি বাংলাদেশ মানচিত্রে অক্ষত রয়েছে মালিকানা হিসেবে। এখন প্রয়োজন মানচিত্র সংশোধন করার।
মোঃ মেছের আলী , কয়কীর্তন, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ।

পাসপোর্ট পেতে বিড়ম্বনা
ঢাকার যাত্রাবাড়ী-রায়েরবাগের নয়া পাসপোর্ট অফিস হতে পুরনো ঢাকা, এর আশপাশের এলাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলার জন্য মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) প্রাপ্তিতে যে দুর্ভোগ ও হয়রানি করা হচ্ছে তা সত্যিই দুঃখজনক। পাসপোর্টের জন্য আবেদনকারীকে দিনের পর দিন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদ-বৃষ্টির মধ্যে রাসত্মায় লাইন ধরতে হয়, স্থানীয় ব্যাংক ছাড়া অন্য কোন ব্যাংকে টাকা জমা দিলে তাতেও বিড়ম্বনা। সহজে রায়েরবাগ পাসপোর্ট অফিস হতে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট পাওয়া দুষ্কর। এ অফিসের লোকজন পারদশর্ী নয় বরং অনভিজ্ঞ। এ ৰেত্রে দুঃখজনক হলেও সত্য যাত্রাবাড়ী-রায়েরবাগের পাসপোর্ট অফিস হতে পাসপোর্ট পেতে মানুষের হয়রানির কোন শেষ নেই। নতুন পদ্ধতির এ পাসপোর্ট চালুতে জনগণের ভোগানত্মির কোন কমতি নেই। আর এ পাসপোর্ট অফিস ঢাকার বাইরের জেলাগুলোকে অনত্মভর্ুক্ত করাতে হাজার হাজার লোকের ভিড় লেগেই থাকে। তবে সদরঘাট পোস্ট অফিসে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট অফিসটি চালু করা হলে বিড়ম্বনা অনেক কমে আসবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এ পাসপোর্ট অফিস হতে মানুষ ভোগানত্মি ও দুর্ভোগ থেকে পারিত্রাণ পেতে চায়। কোন প্রকার সহযোগিতা পাওয়া যায় না পাসপোর্ট অফিসটিতে। যা সত্যিই দুঃখজনক ও কষ্টকর।
তাই যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট অফিসে অভিজ্ঞদের নিয়োগ এবং সেখানে আবেদনের টাকা জমা দেবার পদ্ধতি চালু এবং জনগণের ভোগানত্মি লাঘব করার জন্য বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী , ফরিদাবাদ, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা।

সমাধানে এগিয়ে আসুন
'প্রশিকা' মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় লালিত একটি উৎপাদনমুখী, পরিবেশসম্মত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের লৰ্যে ৩৪ বছর যাবৎ ড. কাজী ফারম্নক আহম্মদের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়ে আসছে। বিগত ২ বছর যাবৎ সংস্থাটির অভ্যনত্মরে ঘাপটি মেরে থাকা একটি চক্র বেতন-ভাতা বৃদ্ধির নামে অস্থিরতা তৈরি করে অফিস দখল করে সংস্থার বৈধ চেয়ারম্যান কাজী ফারম্নক আহম্মদকে অফিসে ঢুকতে বাধা দিচ্ছে এবং সংস্থার জমিজমা সম্পদ বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করছে, কিন্তু কমর্ীদের ২ বছর বেতন বকেয়া আছে। এই চক্রের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন জনৈক বিতর্কিত উপদেষ্টা, তিনি নিজের আত্মীয়স্বজনকে সংস্থার উচ্চপদে দায়িত্ব পাইয়ে দিয়েছেন। তারা লাখ লাখ টাকা বেতন নিচ্ছেন অথচ মাঠকর্মীরা অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।
এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি। দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা প্রশিকাকর্মীরা সামনের কাতারে ছিলাম, আমাদের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসুন।
বাকের আহমেদ , উন্নয়ন কর্মী, প্রশিকা, খুলনা।

অবৈধ ঘোষণা করা হোক
শ্যালো ইঞ্জিন দিয়ে তৈরি সকল প্রকার গাড়ি অবৈধ ঘোষণা করা হোক। নসিমন, করিমন, ট্রলি গাড়ি সবই শ্যালো ইঞ্জিন দিয়ে তৈরি। এগুলো মানুষের জীবনে হুমকি স্বরূপ। এসব গাড়ির চালকরা অশিৰিত, অসচেতন ও অদৰ। নিজের জীবনের সঙ্গে সঙ্গে অন্যের জীবনও যে তারা ধ্বংস করছে তাদের সেই জ্ঞানটুকু নেই। নসিমন ও নসিমনের চালক উভয়ই লাইসেন্সবিহীন। লাইসেন্সবিহীন গাড়ি ও লাইসেন্সবিহীন চালক অবাধে চলছে কারও তোয়াক্কা না করে। আমাদের দেশে সব কিছুরই আইন আছে কিন্তু প্রয়োগ নেই। তাই তো নসিমন, করিমন ও ট্রলি গাড়ি নিজস্ব গতিতেই চলছে। জনস্বার্থে এগুলো নিষিদ্ধ করা জরম্নরী।
কামাল, শাহীন, মেরাজ, দিপক ও রাজু , নবাবগঞ্জ, ঢাকা।

সিসিইউ ইউনিট চালু করা হোক
কিশোরগঞ্জের বিশাল জনগোষ্ঠীসহ হাওরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের কাছে স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসার একমাত্র ভরসারস্থল কিশোরগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে হৃদরোগীদের জন্য করোনারি কেয়ার ইউনিট বা সিসিইউ না থাকায় তাদেরকে অন্য কোন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। অনেক হৃদরোগীই চিকিৎসা নিতে আসে, কিন্তু সিসিইউ না থাকায় এসব রোগীকে ঢাকা ও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে হয়। এর মধ্যে অধিকাংশ রোগীকেই পার্শবর্তী বাজিতপুর উপজেলার জহুরম্নল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আর্থিক সঙ্কটের কারণে এবং সদর হাসপাতালসহ জেলার কোন সরকারী হাসপাতালে সিসিইউ না থাকায় চিকিৎসার অভাবে পথিমধ্যেই অনেক হৃদরোগী মারা যাচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সিসিইউ না থাকায় প্রতিমাসে জেলায় ৮-১০ রোগী মারা যাচ্ছে। সিসিইউ স্থাপনের জন্য হাসপাতালের তৃতীয় তলায় একটি বড় কৰ বরাদ্দসহ শয্যার ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বে দীর্ঘদিনেও যন্ত্রপাতিসহ প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সিসিইউ ইউনিটটি চালু হচ্ছে না।
অনতিবিলম্বে কিশোরগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে একটি সিসিইউ ইউনিট চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ উর্ধতন কর্তৃপৰের হসত্মৰেপ কামনা করছি।
সুমিত বণিক, কিশোরগঞ্জ।

আইল্যান্ডে বৃৰরোপণ
রাজধানীসহ দেশের জেলাগুলোত অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রতিবছর নিয়মিত নতুন রাসত্মা তৈরি এবং পুরনো রাসত্মা মেরামত করা হয়। আবার সৌন্র্দয বর্ধনের জন্যও রাসত্মার সংস্কার করা হয়। মাঝেমধ্যে দেখা যায়, নতুন কিংবা পুরনো রাসত্মা মেরামত-সংস্কার করার পর আইল্যান্ড শুধু শুধু পড়ে আছে। তাতে রাসত্মার চিরাচরিত সৌন্র্দয থাকে না। গাছ প্রকৃতির পরম বন্ধু। রাসত্মার আইল্যান্ডগুলোতে পরিবেশবান্ধব গাছ রোপণ করা হলে রাসত্মার চারপাশের সৌন্র্দয যেমন বাড়ে, তেমিন প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় থাকে। এছাড়া রাসত্মার চারপাশে গাছপালা থাকলে যানবাহন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে হতাহত বা ৰতির সম্ভাবনা কম থাকে। সার্বিকভাবে গাছপালা পরিবেষ্টিত এলাকার বাসিন্দারা নির্মল পরিবেশ উপভোগ করতে পারে। তাই সরকারের যথাযথ কর্তৃপৰের কাছে আবেদন, অনতিবিলম্বে সব রাসত্মার আইল্যান্ডে বৃৰরোপণ করে পরিবেশ উন্নয়নে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করম্নন।
জে আর ইকবাল, পল্টন, ঢাকা।

একটি বিশেষ আবেদন
অনেকেরই হয়ত জানা নেই যে, গল্পকার জ্যোতিপ্রকাশ দত্তের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম 'কুয়াশা'। এটি একটি কিশোর রহস্য উপন্যাস। ১৯৫৮ সালে তার কলেজে পড়াকালীন সময়ে ইস্ট বেঙ্গল পাবলিশার্স বইটি প্রকাশ করে। দুর্ভাগ্যবশত এই বইয়ের কোন কপি আমাদের কাছে আর নেই। যদি কোন সহৃদয় ব্যক্তি এই বইটির কোন কপি বা ফটোকপি যোগাড় করে দিতে পারেন, অথবা কোথায় এটি পাওয়া যেতে পারে তার সন্ধান দিতে পারেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে তার কাছে সারাজীবন ঋণী থাকব। যদি কারও সাহায্যে এই বইটির কোন কপি উদ্ধার করা আদৌ সম্ভব হয়, সেই ব্যক্তির কাছে আমাদের আনত্মরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে এবং তাঁর অবদানের স্বীকৃতি জানাতে আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর জন্যে সামান্য আর্থিক পুরস্কারের ব্যবস্থা করার অঙ্গীকার করছি।
পূরবী বসু, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।