মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১১, ২০ মাঘ ১৪১৭
সম্পাদক সমীপে
গৈদারটেকে ওয়াসার ওয়াটার প- নির্মাণ
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং ওয়ার্ডের মিরপুর মৌজার গৈদারটেক আবাসিক এলাকার পশ্চিম পাশে মহানগর বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভেতরের অংশের পানি নিষ্কাশনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ওয়াসা 'কল্যাণপুর ওয়াটার পন্ড' নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এলাকার কিছু জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব করেছে। প্রস্তাবিত এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ জমি ক্রয়করত ভরাট করে আবাসিক এলাকা/ভবন ও অনেক কারখানা নির্মাণ করার ফলে প্রায় ২৫ বছর পূর্বের পরিকল্পিত অবস্থার সঙ্গে আজকের বাস্তবতার কোনই মিল নেই। বর্তমান অবস্থার প্রেৰাপটে বাস্তবতার নিরিখে শুধুমাত্র বিদ্যমান গৈদারটেক বা কল্যাণপুর খালটি সংস্কার করলে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই পানি সরে যাবে। জমা করে সেচের মাধ্যমে পানি সরানোর পশ্চাদ্মুখী মান্ধাতার আমলের অবৈজ্ঞানিক ও অবাস্তব পরিকল্পনায় শুধুমাত্র সরকারী তথা জনগণের অর্থের অপচয় এবং স্বল্প আয়ের মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই হারাবে। ফলে এ সকল জমির মালিকগণ অবর্ণনীয় কষ্টই শুধু নয়, অপূরণীয় ৰতিরও সম্মুখীন হবে। এ ধরনের অপরিণামদর্শী প্রকল্পের অপমৃতু্য ও সরকারী অর্থের অপচয়ের সাম্প্রতিক বহু নজির এ ঢাকা মহানগরীতেই রয়েছে। ১৯৬০'র দশকের গোড়ার দিকে কৃষি উন্নয়নের জন্য বাস্তবায়িত ডিএনডি প্রকল্প এখন আবাসিক প্রকল্পে রূপান্তরিত। শত চেষ্টা করেও তা রোধ করা যায়নি। ডিএনডির বিশাল এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য কোন 'পন্ড বা পানি জমানোর জলাধার প্রয়োজন হয়নি। বিদ্যমান খাল সংস্কারের মাধ্যমেই পানি নিষ্কাশন সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়া সায়েদাবাদ (খালে) ব্রিজের নিচে (যার কোন অসত্মিত্বই আজ আর নেই) মাত্র কয়েক বছর পূর্বে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সস্নুইস গেট এখন মাটির নিচে পরিত্যক্ত। রামপুরা খালের পাম্প অপ্রয়োজনীয় ও পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। ধোলাইখাল আজ বিলুপ্ত। এর ওপর নির্মিত হয়েছে আধুনিক ড্রেন-কালভার্ট। বিজয়নগর হয়ে মতিঝিল লেকের অবস্থাও একই। মাত্র কয়েক বছর আগে শনির আখড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মহাসমারোহে এসকাভেটর দিয়ে খাল খননের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরদিনই দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। খালের পরিবর্তে তা আজ সুপ্রশসত্ম এ্যভিনিউ পান্থপথ ছিল গভীর খাদ ও বদ্ধ জলাশয়। এ ধরণের প্রমাণের অভাব নেই। তাই বর্তমান গৈদারটেক খাল যা কল্যাণপুর খাল নামে পরিচিত এটাকে পানি নিষ্কাশনের উপযোগী সংস্কার করে মিরপুর মৌজার জমি অধিগ্রহণ থেকে বিরত থাকা তথা একটি অবাসত্মব, অযৌক্তিক, অবৈজ্ঞানিক প্রকল্প বাসত্মবায়নের নামে একদিকে গরিব দেশের জনগণের অর্থ অপচয় অপর দিকে স্বল্প আয়ের মানুষকে তাদের অতি কষ্টে ক্রয়কৃত জমি থেকে উচ্ছেদ করা থেকে বিরত থাকার জন্য ঢাকা ওয়াসা, ঢাকা জেলা প্রশাসনসহ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এ ব্যাপারে প্রকৃত তথ্য বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে যথাযথ প্রচার এবং বিশেষজ্ঞদের মতামতের জন্য মুক্ত আলোচনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

মমিন সরকার
২ মিরপুর রোড, কলাবাগান, ঢাকা।

বিষাক্ত কলা
দ্রম্নত পাকাতে কলাতে বিষাক্ত কার্বাইড মেশানো হচ্ছে। সব সময় পাওয় যায় এবং কিছুটা সহজলভ্য হওয়ায় কলা সবার কাছে পছন্দের ফল। এ কারণে সবাই সবসময় কমবেশি ফলটি কিনে থাকে। কিন্তু কলাতে বিষাক্ত কার্বাইড মেশানোর ফলে তা স্বাস্থ্যের জন্য চরম ৰতির কারণ হয়ে দেখা দিচ্ছে। উত্তরাঞ্চলের বগুড়া ও জয়পুরহাট কলারহাটের জন্য বিখ্যাত। এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০০ ট্রাক কলা সারা দেশে যায়। কিন্তু দ্রম্নত পাকাতে এই দুই জেলার ব্যবসায়ীরা কলাতে বিষাক্ত কার্বাইড ছিটাচ্ছেন। এতে ১২ ঘণ্টার মধ্যে কলার রং সবুজ থেকে হলুদ হয়ে যায় এবং ঐ কলা ২ থেকে ৩ দিন শক্ত থাকে। হলুদ রংয়ের কারণে ক্রেতারা সহজেই আকৃষ্ট হয়। কার্বাইড মেশানো এই কলা মানবদেহের কিডনি ও যকৃতের জন্য ৰতিকর। জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ কার্বাইড মেশানো বন্ধ করতে হবে। কার্বাইড মেশানো ব্যবসায়ীদের বিরম্নদ্ধে নিতে হবে আইনানুগ ব্যবস্থা। সর্বোপরি সাধারণ মানুষের সচেতন হতে হবে। এ বিষয়ে নজরদারি জরম্নরী।

জাহেদুর রহমান ইকবাল
তাহেরপুর পৌরসভা, বাগমারা, রাজশাহী।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান
আমি মোঃ কামাল ভুইয়া, গ্রাম-দুর্গাপুর, পোঃ খালপাড়, ইউনিয়ন : চুড়াইন, ওয়ার্ড নং-৪, থানা-নবাবগঞ্জ, জেলা-ঢাকা। সপরিবারে খুলনা শহরে বসবাসরত ছিলাম। আমার বাবা নিউজপ্রিন্ট মিলে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিসত্মানীদের আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে প্রাণ দেন। ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার আমার পরিবারকে সরকারী ভাতা প্রদান করত। ১৯৭৫ সাল পর্যনত্ম আমার পরিবার সরকারী ভাতা পায়। এর পর দীর্ঘ বছর আমরা আর কোন সরকারী ভাতা বা কোন রকম সুযোগ-সুবিধা পাইনি। এ ব্যাপারে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপৰের নিকট আমার আবেদন_ আমার পরিবারকে, আমাদের হক বা অধিকার থেকে যেন বঞ্চিত না করেন।
মোঃ কামাল ভুইয়া
দুর্গাপুর, নবাবগঞ্জ, ঢাকা।