মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১১, ১১ পৌষ ১৪১৮
উইকেট হারাতে চান না ওয়ার্নার
স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ তিন বছর আগে দৰিণ আফ্রিকার বিরম্নদ্ধে টি২০ ক্রিকেট দিয়ে আনত্মর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরম্ন করেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। মারকুটে মনোভাবের কারণেই ধুমধারাক্কা ফরমেটের ক্রিকেটে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। এরপর একটানা ২৯ টি২০ খেলেছেন তিনি। ওয়ানডে ক্রিকেটেও দুই বছর আগে জিম্বাবুইয়ের বিরুদ্ধে অভিষেক হলেও নিয়মিত হতে পারেননি। আর দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে ওয়ার্নার খেলবেন এটা কেউ ঘুণাৰরেও ভাবেনি। তবে নিজের ক্রিকেটমেধাকে ঠিকই কাজে লাগান প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে। এখন পর্যনত্ম প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ১৩ ম্যাচে ৬১.৮৩ গড়ে তিনি করেছেন ১১১৩ রান। এ কারণেই টেস্ট দলেও ঢোকার পথ তৈরি হয়েই ছিল ওয়ার্নারের। শেষ পর্যন্ত শেন ওয়াটসনের ইনজুরি তাঁকে সুযোগ করে দেয় টেস্ট ক্রিকেট খেলার। নিউজিল্যান্ডের বিরুনদ্ধে ব্রিসবেনে অভিষেক টেস্টে কিছু করতে না পারলেও হোবার্টে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে ১২৩ রানের ঝকঝকে একটি ইনিংস বেরিয়ে আসে তাঁর উইলো থেকে। আর এরপরই টেস্ট ক্রিকেট নিয়েও বেশ চিনত্মাভাবনা করছেন তিনি। এখন তাঁর উইকেট যেন অতি সহজেই কোন বোলার না পায় সেদিকেও মনোযোগী তিনি। ওয়ার্নার জানিয়েছেন এখন নিজের উইকেট নিয়ে আগের চেয়ে এক শ' ভাগ বেশিই চিনত্মাভাবনা করেন তিনি। মেলবোর্নে শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে আগামীকাল শুরু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার 'বক্সিং ডে' টেস্ট। আর ওই টেস্টে ইনিংস উদ্বোধনের জন্য পেতে যাচ্ছেন নতুন সঙ্গী হিসেবে এড কাওয়ানকে। তাঁর বিষয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসাই করলেন ওয়ার্নার। তিনি বলেন, 'এড এমন একজন খেলোয়াড় যিনি উইকেটের চারদিকেই বল মারতে সমান পারঙ্গম। বিশেষ করে অফস্ট্যাম্পের বাইরের বলগুলোকে তিনি অনায়াসে চারে পরিণত করতে পারেন। তবে সে দলের জন্য নতুন বল সবসময় দেখেশুনেই মোকাবেলা করে এবং অতঃপর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। উদ্বোধনী জুটিতে আমি তাকে চমৎকার একজন সঙ্গীই মনে করি। এছাড়া আমরা এটা প্রমাণ করতে চাই যে, এড আর আমি একটা ভাল জুটি।' ওয়ার্নারের ব্যাটিংয়ে যে উত্তাপ তার ভেতরে বেশ উলেস্নখযোগ্য পরিমাণেই খুঁজে পাওয়া যায় ভারতের ড্যাশিং ওপেনার বীরেন্দর শেবাগকে। এবার প্রতিপৰ হিসেবে মুখোমুখি হচ্ছেন তাঁরা। ওই বিষয়টি নিয়েও বেশ উত্তেজনা অনুভব করছেন ওয়ার্নার। তিনি বলেন, 'এটা একটা চমৎকার বিষয় হতে চলেছে। আমি দিলস্নীতে তাঁর সঙ্গে অনেকদিন কাটিয়েছি। সে আমাকে শুধু টি২০ নয় বরং টেস্ট ক্রিকেট নিয়েও অনেক পরামর্শ দিয়েছে। সে সবসময় আমাকে উৎসাহ জানিয়ে বলত যে, তুমি টেস্ট ক্রিকেট কীভাবে খেলতে হবে সেটা বুঝে গেছ। তাঁর সঙ্গে আমার ব্যাটিংয়ে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। সে সাধারণত অফস্ট্যাম্পের বাইরের বল তাড়া করে বড় শট খেলে বলেই কট বিহাইন্ড অথবা সিস্নপে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়। আমি চাইব ওই বিষয়গুলো এড়িয়ে খেলতে। কারণ টেস্ট ক্রিকেটে রান করার জন্য প্রচুর সময় পাওয়া যায়। আর আমি কোনভাবেই আগেভাগে নিজের উইকেট খোয়াতে চাই না।'