মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০১১, ২৬ চৈত্র ১৪১৭
আইপিএল শিরোপার স্বপ্ন অধিনায়ক শচীনের
স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ক্রিকেটার শচীনের মহাত্মা অনেক, সেখানে অধিনায়ক শচীন যেন নস্যি। জাতীয় দলের হয়ে শচীন অধিনায়কত্ব করেছেন কয়েক বছর। নেতৃত্ব দিয়েছেন ৭৩ ম্যাচে। সেখানে জয় ২৩টি, হার ৪৩টি। দলের করম্নণ অবস্থার মধ্যে নিজের স্বাভাবিক খেলাটাও যেন হারিয়ে যেতে বসেছিল শচীন টেন্ডুলকরের। আর তাই তড়িঘড়ি করে ক্যাপ্টেন্সির জঞ্জাল সরিয়ে হাফ ছেড়ে বেঁচেছিলেন। এর পরের অধ্যায় সবারই জানা। ২০০০ সালে অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর আবারও স্বাভাবিক গতিতে শচীনের ব্যাটে রান আসা। একের পর এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মিশনে নামেন এই লিটল মাস্টার। ক্যারিয়ারের একমাত্র আরাধ্য স্বপ্ন বিশ্বকাপের শিরোপাও সম্প্রতি জিতেছেন দলের হয়ে। প্রাপ্তির খাতা সফলতায় পরিপূর্ণ। তবে এর মাঝে আরও একটি শিরোপায় চোখ এখন শচীনের। এবং তা অধিনায়ক হিসাবেই। ক্যাপ্টেন্সির জুজু কাটিয়ে তিনি শিরোপা জিততে চান আইপিএলের চতুর্থ আসরে। জাতীয় দলে অধিনাযক হিসাবে ব্যর্থ হলেও আইপিএলে তিনি সফল অধিনায়ক। প্রথম দুই আসরে তিনি চমক দেখাতে না পারলেও তৃতীয় আসরে তার দল উঠেছিল ফাইনালে। যদিও শেষ পর্যনত্ম ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হেরে রানার্স আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল শচীন বাহিনীর। এবার চতুর্থ আসরে সেই শিরোপা আৰেপ ঘোচাতে মরিয়া ভারতের এই জীবনত্ম কিংবদনত্মি তারকা ক্রিকেটার। জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গতকাল থেকে শুরম্ন হয়েছে আইপিএলের চতুর্থ আসর। শচীনের মিশন শুরম্ন হবে আগামীকাল থেকে। ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামে তাদের প্রথম প্রতিপৰ দিলস্নী ডেয়ার ডেভিলস। যে দলের অধিনায়ক বিশ্বকাপে ওপেনিং জুটিতে শচীনেরই সতীর্থ বিরেন্দর শেবাগ। প্রথম ম্যাচেই জয় দিয়ে সূচনাটা ভাল করতে চান শচীন। আর শিরোপার লৰ্য তো থাকছে সব সময়ই। 'গতবার শিরোপার খুব কাছাকাছি গিয়েও পারিনি। এবার চেষ্টা থাকবে সেই স্বপ্ন পুরনের। আগামী কাল জয় দিয়েই যাত্রাটা শুভ করতে চাই।'
নতুন করে নিলামের কারণে এবার দলেও এসেছে পরিবর্তন। তবে একটি বিষয় বেশ আলোচিত হচ্ছে। আর তা হলো একই দলে বৈরি মনোভাব সম্পন্ন দুই ক্রিকেটার, হরভজন সিং ও এন্ড্রু সাইমন্ডস। অস্ট্রেলিয়া সফরে যাকে বানর বলে বেশ হৈ চৈ ফেলে দিয়েছিলেন হরভজন। একই দলে এমন দু'জন ক্রিকেটারের অনত্মভর্ুক্তি কোন ঝামেলা পাকাবে কি না, তা নিয়ে যখন বাইরে চলছে তুমুল আলোচনা, তখন শচীন বিষয়টি দেখছেন ইতিবাচক চোখেই। তার মতে, জাতীয় দলের হয়ে পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতে পারে। তবে আইপিএলে যখন একই দলে তারা, তখন তাদের লৰ্যও থাকবে অভিন্ন। ২১ জনের দলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে রয়েছেন আট বিদেশী খেলোয়াড়। এর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হলেন, এন্ড্রু সাইমন্ডস (অস্ট্রেলিয়া), কাইরন পোলার্ড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), দিলহারা ফার্নান্ডো (শ্রীলঙ্কা), লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা) ও জেমস ফ্রাঙ্কলিন (নিউজিল্যান্ড)। এদের মধ্যে মালিঙ্গা ও কাইরন পোলার্ড রয়েছেন ফর্মে। বাকিদের সাম্প্রতিক পারফরমেন্স ততটা আলোকিত নয়।