মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ৭ জুন ২০১৩, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০
তিমির সংস্কৃতি
এনামুল হক
তিমি যে বৃহত্তম প্রাণী তাই শুধু নয়, ওরা বুদ্ধিমান প্রাণীদেরও অন্যতম। তারপও এই প্রাণীদের সম্পর্কে আমরা খুব বেশি জানি না। গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের পৃথক সংস্কৃতি আছে। এই সংস্কৃতি তারা গড়ে তোলে সামাজিকভাবে শেখা ও যোগাযোগের মধ্য দিয়ে। এ ক্ষেত্রে তারা অত্যাধুনিক যোগাযোগ কৌশলকেও কাজে লাগিয়ে থাকে। নতুন এক গবেষণায় জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, মেইন উপসাগরে হাম্পব্যাক তিমির (মেগাপটেরা নোভাএঙ্গলিয়া) একটি দল নতুন দেখতে পাওয়া একটা খাওয়ার রীতি বা কৌশল তাদের সামাজিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে রপ্ত করে . . .
চালকবিহীন গাড়ির বাস্তব সম্ভাবনা কতটুকু?
ধরুন আপনার নতুন কেনা গাড়িটা নিজেই নিজেকে চালানোর সব দায়িত্ব নিয়েছে- অর্থাৎ স্টিয়ারিং হুইলে আপনাকে বসতে হচ্ছে না- গাড়ি চালানোর যত ঝামেলা ঝক্কি গাড়ির যন্ত্রপাতির ঘাড়ে- আপনি শুধু বসে আছেন- গাড়ি আপনাকে নিয়ে যাচ্ছে আপনার গন্তব্যে- কেমন দাঁড়াবে ব্যাপারটা? বিষয়টা কিন্তু এখন আর কোন অলীক স্বপ্ন নয়, বিজ্ঞান ও উন্নত কম্পিউটার প্রযুক্তির কল্যাণে এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় গাড়ির চলাচল এখন রীতিমতো বিজ্ঞানসম্মত একটা সম্ভাবনা। গুগুলের গাড়ি ইতোমধ্যেই এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বেশ কিছু পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছে। আমেরিকার . . .
হারিয়ে যাওয়া সন্তান খুঁজবে প্রযুক্তি
ইব্রাহিম নোমান
সন্তান হারিয়ে গেলে বাবা-মা দিশেহারা হয়ে যায়। আর তাদের জন্যই কাজ করবে এবার প্রযুক্তি। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? চীনের এক তরুণ লুয়ো গাঙ। ১৯৯০ সালে সেচুয়ান প্রদেশ থেকে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয় ফুজিয়ানে। তখন তার বয়স ছিল পাঁচ। ২৩ বছর পর গাঙ আবার ফিরে পেয়েছে তার পরিবারকে। এতে সহায়তা করেছে একটি ওয়েবসাইট। চীনা ভাষার এই ওয়েবসাইটের নামের ইংরেজি করলে দাঁড়ায় ‘বেবি কাম হোম।’ ব্যাংকের সাবেক এক কেরানি ৫১ বছরের ঝাং বাওইয়ান এই ওয়েবসাইটের প্রতিষ্ঠাতা। সঙ্গে রয়েছে তার স্বামী, যিনি কম্পিউটার বিষয়ের একজন . . .
মানুষের ক্লোন তৈরিতে সাফল্য
রাফিউল ইসলাম সরকার
বিজ্ঞানীরা এখন মানুষের ক্লোন তৈরির পরীক্ষায় সফল হয়েছেন। বহু বছরের গবেষণার পর তারা মানুষের ক্লোন বা অবিকল প্রতিরূপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন যে ক্লোন তারা স্টেম সেল তৈরির কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। ক্লোন থেকে নেয়া এই স্টেম সেল বা কোষ ব্যবহার করে চিকিৎসার কাজে তারা হৃৎপি-ের মাংসপেশী, হাড়, মস্তিষ্কের কলা বা শরীরের বিভিন্ন অংশের জন্য কোষ তৈরি করতে পারবেন, যেটাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য বিরাট একটা অগ্রগতি হিসাবে দেখা হচ্ছে। ব্রিটেনে নিউকাসল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিটিউট অফ হিউম্যান জেনেটিক্স বিভাগের লায়াল . . .
বিশ্বের এক প্রান্তে ভূমিকম্প হলে কি অন্য প্রান্তেও দেখা দিতে পারে?
বিশ্বের এক প্রান্তে একটা বড় মাপের ভূমিকম্প হয়ে গেল; তার পরিণামে কি বিশ্বের অন্য কোনো প্রান্তে ভূমিকম্প দেখা দিতে পারে? ১৯৭৯ সাল থেকে ঘটে যাওয়া বড় মাপের ভূমিকম্পগুলোর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এ প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন এক জন গবেষক। তিনি বলেছেন, অন্তত নয় শতাংশ ক্ষেত্রে এ রকম ভূমিকম্প ঘটে থাকে। ২০০৪ সালের ডিসেম্ব^রে সুমাত্রায়, ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে চিলিতে এবং ২০১১ সালে জাপানে ঘটে যাওয়া প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রশ্নটি দেখা দেয়। ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কের মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের . . .