মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১১, ৪ ফাল্গুন ১৪১৭
ক্রিকেট_আমার গর্ব, আমার ভালবাসা
এই প্রথম বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আসর। এ বিষয়ে নিজের অনুভূতি কেমন, সেটা আগে বলাই শ্রেয়। এটা যে আমার কাছে কতটা আনন্দের, প্রশানত্মির ও গর্বের তা লিখে পুরোপুরি বোঝাতে পারব না। অনেকেই ভাবতে পারেন, আমরা বুঝি বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছি অন্যের দয়া-দাক্ষিণ্যে। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। এটা আমাদের একটা যোগ্যতা ও অর্জন। আমরা সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ রেখে আসছি অনেক আগে থেকেই। ১৯৯৮ সালে আমরা সফলভাবে আয়োজন করেছি 'মিনি বিশ্বকাপ' (এখন আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি), এরপর ২০০০ সালে . . .
বিশ্বকাপ রঙ্গমঞ্চ খুঁজে
তারকার দুর্ভাগ্য যে, গত বিশ্বকাপে তার নেতৃত্বে পাকিসত্মানকে হারতে হয়েছিল আয়ারল্যান্ডের মতো দুর্বল দলের কাছেও। মাসুলও গুনতে হয়েছিল প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়ে। ওই ব্যর্থতার পরই অবসরে যান 'মুলতানের সম্রাট'। ২১ মার্চ ২০০৭ সালে জিম্বাবুইয়ের বিরম্নদ্ধে খেলেছেন সর্বশেষ ওয়ানডে। ১৯৯২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যনত্ম পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলেছেন দেশের পতাকাতলে। রান ৩৫ ম্যাচে ৭১৭। ক্রিকেটকে বিদায় জানানোয় এবার এই তারকাকে দেখা যাবে না বিশ্বকাপের বর্ণিল ময়দানে। গেস্নন ম্যাকগ্রা (অস্ট্রেলিয়া) গত বিশ্বকাপে পাকিসত্মানের . . .
দেশ ভাসছে বিশ্বকাপের জোয়ারে
ক্রিকেট_ ব্যাট-বলের সুতায় বোনা এক মনোমুগ্ধকর নকশিকাঁথা
ক্রিকেটবিশ্ব এখন উত্তপ্ত বিশ্বকাপের উত্তাপে। আর এই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পেরে বাংলাদেশ ভাসছে আনন্দ আর উৎসবের জোয়ারে। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সেজেছে আজ নতুন আঙ্গিকে। চারদিকে সাজসাজ রব। মাঠে-ঘাটে-হাটে, আড্ডা-আলোচনায় সর্বত্র বিশ্বকাপ এবং বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের আয়োজক! এ তো আর ছোটখাটো কোন বিষয় নয়। এ কথা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বিশ্বকাপের মতো একটি বিশ্বসেরা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পারা একটি দেশ ও জাতির জন্য মহা গৌরবের ব্যাপার। সম্মানের ও মর্যাদার। প্রতিটি দেশই পরম আগ্রহ নিয়ে . . .
বিশ্বকাপ রঙ্গমঞ্চ খুঁজে ফিরবে যাদের...
জাহিদুল আলম জয়
উত্তেজনার পারদ ছড়াতে চার বছর পর আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে ক্রিকেটের সর্ববৃহৎ আসর আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ। দশম এ আসরকে সামনে রেখে অংশগ্রহণকারী ১৪টি দল ইতোমধ্যেই ঘোষণা করেছে ১৫ সদস্যের চূড়ানত্ম স্কোয়াড। দশম এই আসরে বিভিন্ন দেশের বেশ কিছু উঠতি ক্রিকেটার প্রথমবারের মতো গৌরবময় এ যজ্ঞে নিজেদের শামিল করবেন। তারম্নণ্যের এ জয়ধ্বনির কারণে বিগত ২০০৭ ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপের অনেক তারকা ক্রিকেটারকে এবার দেখা যাবে না উপমহাদেশের বিশ্বকাপে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, গত আসরে বিভিন্ন দেশকে নেতৃত্ব দেয়া ছয় তারকাকে দেখা যাবে . . .
বিশ্বকাপ ক্রিকেট থেকে আমাদের প্রত্যাশা
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
যতদূর মনে পড়ে ১০-১২ বছর আগে আমাদের দেশে একটি মিনি-বিশ্বকাপ ক্রিকেট হয়েছিল। নিজের দেশে আমাদের ক্রিকেটাররা তখন খেলতে পারেননি। সদাশয় সরকার ক্রিকেটপ্রেমী জনসাধারণের আকাঙ্কা মিটিয়েছিল বিশ্বমানের ক্রিকেটারদের খেলা নিজেদের মাঠে দেখিয়ে। এবার আমাদের দেশে বিশ্বকাপ ক্রিকেট হচ্ছে যেখানে আমাদের নিজেদের ক্রিকেটাররা খেলবে। উপমহাদেশের প্রেৰাপটে আমাদের ক্রিকেট এখনও ফুটবলের তুলনায় দুর্বল হলেও গণমাধ্যমের কল্যাণে মুহূর্তের মধ্যে ক্রিকেটে কোটি কোটি টাকার অর্থায়ন কোন বিষয়ই নয়। কোন এক জনসমীৰায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের মানুষ . . .
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ
দল দু'টি ছিল স্বাগতিক ভারত এবং শ্রীলঙ্কা। ১৯৯১ সালের ফেব্রম্নয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসে পশ্চিমবঙ্গ ক্রিকেট দল। ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিকে তখন তেমন করে চিনত না আনত্মর্জাতিক ক্রিকেটে। বাংলাদেশে সফররত পশ্চিমবঙ্গের ওই দলটির সঙ্গে ছিলেন তিনি। দুই ম্যাচের ওই সিরিজে একটি সেঞ্চুরি এবং একটি হাফ সেঞ্চুরি করেন গাঙ্গুলি। দুই ম্যাচেই জয় পায় পশ্চিম বঙ্গ। এমনিভাবে বছরে পর বছরে সাধনার পর অবশেষে ১৯৯৭ সালে আইসিসির পূর্ণাঙ্গ সদস্য পদ লাভ এবং আনত্মর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচ খেলার ছাড়পত্র হাতে পায় বাংলাদেশ। . . .
রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বিশ্বকাপ ভাবনা
নুরুল ইসলাম নাহিদ, শিক্ষামন্ত্রী ॥ বাংলাদেশ প্রথমবার বিশ্বকাপের মতো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসরের আয়োজন করছে। জাতি হিসেবে এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের একটি বিষয়। বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সারা দুনিয়ায় বাংলাদেশের একটি ইতিবাচক ইমেজ সৃষ্টি হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এতদিন দরিদ্র ও প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত দেশ হিসেবে আমাদের যে পরিচিতি ছিল তা কাটিয়ে আমরা নতুনভাবে আমাদের দেশকে বিশ্বে পরিচিত করতে পারব। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বিজয়ী হয়ে আসুক তা আমি আনত্মরিকভাবে কামনা করি। আমাদেরও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন . . .
বিশ্বকাপে বিশ্ব কাঁপে
কখনও ভাবতে পারিনি বাংলাদেশ একদিন খেলবে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে। কিন্তু খেলেছে বাংলাদেশ। কখনও মনে হয়নি একদিন বিশ্বকাপের আসর বসবে বাংলাদেশে। সেই আসর বসেছে শেষ পর্যনত্ম। আজ ভাবছি, ওই কাপ জিতবে বাংলাদেশ। আজ না হয় একদিন। বড় হয়েছি টাঙ্গাইল নামের এক ঘুম ঘুম মহকুমা শহরে _ সেই পঞ্চাশের দশকে। ডাংগুলি খেলতে খেলতে একদিন শুরম্নু করেছিলাম ব্যাট-বল খেলা। পরে জানলাম, এ খেলার নাম আসলে ক্রিকেট। তখন আম নয় পাইয়া কাঠের ব্যাট বানিয়ে আনতাম সুতারপাড়া থেকে, দরজি দোকান থেকে ন্যাকড়া যোগাড় করে দিতাম মুচিরামকে সে শক্ত চামড়া দিয়ে সেলাই . . .
বিশ্বকাপ-২০১১ : ফাইনালে বাংলাদেশ
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
ক্রিকেট বিশ্বকাপ-২০১১ এর 'কাউন্ট ডাউন' শুরু হয়েছে অনেক আগেই। চলছে হিসাব-নিকাশ। কিন্তু এ হিসাব-নিকাশের সঙ্গে আমার হিসাবটি মেলাতে পারছি না। দেখা দিচ্ছে প্রচ- অসঙ্গতি। আর এ সঙ্গতি পাঠকদের মনে দাগ কাটবে না জানি। কেননা আমি তো ক্রিকেট বিশেস্নষক বা ক্রিকেট জগতে এমন ব্যক্তিত্বও নই যে আমার কথাগুলো সবার কাছে ভাল লাগবে বা আগ্রহভরে পড়বে কিংবা বাহবা দিবে। তাতে দুঃখ নেই। কিন্তু দুঃখ হলো ক্রিকেটকে যে আমি ভালবাসি। বাংলাদেশের দামাল ছেলেদের প্রতি যে আমার অগাধ বিশ্বাস আর শ্রদ্ধা। শ্রদ্ধা আর বিশ্বাসের প্রতি . . .
ক্রিকেট : আমাদের গর্ব আমাদের গৌরব
আমাদের ক্রিকেটের বয়স কত? এমনতর প্রশ্ন রাখা হলে, অনেকের মনেই ভেসে উঠবে দশ-এগারো। আর যাঁরা এমন উত্তর দেবেন তাঁদের দোষ দেয়া যাবে না। কেন? এই সেদিন জমকালো আয়োজনে ঘটা করে টেস্ট ক্রিকেটে দশ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান হলো। স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আর সংবাদপত্র, মেতে উঠেছিল সে আয়োজন নিয়ে। তার প্রচার নিয়ে। অনেক আয়োজন আর বিশ্বকাপের ডামাডোলে অনেকে হয়ত খেয়াল করেননি বা তেমনভাবে ভেবে দেখেননি যে ঘটা করে যে আয়োজন নিয়ে মেতে উঠেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবি তা হলো, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলার . . .