মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১, ১৫ আশ্বিন ১৪১৮
পৃথিবীতে ৮৭ লাখ প্রজাতি ॥ ৮৬ ভাগই অজানা
এনামুল হক
আমাদের এই পৃথিবীতে ৮৭ লাখ প্রজাতির প্রাণীর বাস। শত শত বছর ধরে চেষ্টা চালানোর পরও এর প্রায় ৮৬ শতাংশ প্রজাতির পরিপূর্ণ বর্ণনা দেয়া এখনও পর্যন্ত সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তার অর্থ বর্তমানে জীবিত প্রজাতিগুলোর মধ্যে বিজ্ঞানীরা ১৫ শতাংশেরও কম প্রজাতির তালিকাভুক্ত করতে পেরেছেন। তবে প্রাণীজগতের বিলুপ্তির বর্তমান হার অব্যাহত থাকলে তালিকাভুক্ত হবার আগে নাম না জানা বহু প্রাণীর অসত্মিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। কানাডার গবেষক বরিস ওয়ার্ম পরিচালিত এক সমীৰায় এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, সব প্রজাতিকে খুঁজে বের করতে . . .
ব্যাঙের গলায় বিড়ালের ডাক
অ জা না ত থ্য
আমাদের চারপাশে কত যে বিচিত্র রকমের প্রাণী আছে তার ঠিক নেই। ব্যাঙের ডাকের সঙ্গে আমরা পরিচিত। কিন্তু কোন ব্যাঙের গলা থেকে যদি বিড়ালের মতো মিঁউ মিঁউ আওয়াজ বের হয় তাহলে কেমন হয়? সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে তামিলনাড়ু ও কেরালা রাজ্যে নতুন ১২ জাতের ব্যাঙের সন্ধান পাওয়া গেছে। তার মধ্যে এক জাতের ব্যাঙ বিড়ালের মতো ডাকে। সেজন্যই এমন ব্যাঙের নাম দেয়া হয়েছে মিউয়িং নাইট ফ্রগ বা বিড়ালের ডাক দেয়া নিশাচর ব্যাঙ। নাইকটিবাট্রাচাস পুচা গোত্রের এই ব্যাঙ লম্বায় মাত্র ১ দশমিক ৪ ইঞ্চি। স্থানীয় ভাষায় 'পুচা' শব্দের . . .
শুধু কার্বন নির্গমন নয়, নাইট্রোজেনও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ
বুকভরে নির্মল বাতাস টানতে কার না ভাল লাগে? কিন্তু সেই বাতাসই দূষিত হলে দম বন্ধ হয়ে আসে। এর এক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের একটি করে পরমাণু নিয়ে তৈরি যে পদার্থ, তার নাম হাইড্রোঙ্লি র্যাডিক্যাল যার সংক্ষিপ্ত পরিচয় ওএইচ। অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই পদার্থ। সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গেই আশপাশের পদার্থের কারণে প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে। ফলে নিমেষের মধ্যেই তা ধ্বংস হয়ে যায় বিশেষ করে ক্ষতিকারক পদার্থের সংস্পর্শে এলে। ওএইচ আছে বলেই আমরা নির্মল বাতাস টানতে পারি। জার্মানির মাইনৎস শহরে মাস্ক পস্নাঙ্ক . . .
আইনস্টাইনের 'থিওরি অব স্পেশাল রিলেটিভিটি' কি ভুল?
ইব্রাহিম নোমান
সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত সমীকরণ ঊ=গঈক্ষ্ম। আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের জনক জার্মানির আলবার্ট আইনস্টাইনের 'থিওরি অব স্পেশাল রিলেটিভিটি' বা বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের ফল এই সমীকরণ। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা যায় আইনস্টাইনের এই তত নিউট্রিনো আলোর চেয়ে দ্রুতগতির! গবেষকরা জানিয়েছেন এমন এক বস্তুর কথা, যা আলোর চেয়েও বেশি গতিসম্পন্ন (সুপারলু্যমিনাল)। তবে এ আবিষ্কারে শঙ্কিত খোদ বিজ্ঞানীরাই; তাঁরা বলছেন, এ আবিষ্কার সত্যি হলে পদার্থবিদ্যা শুধু নয়, জ্ঞান-বিজ্ঞানের বহু শাস্ত্রেই বিপর্যয় সৃষ্টি . . .