মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ৮ জুন ২০১৩, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০
বাণিজ্যিকভাবে ঘাস চাষ
কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে ঘাস চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছে চরের চাষীরা। নামমাত্র উৎপাদন খরচ আর লাভের অঙ্ক বেশি থাকায় ঘাস চাষে আগ্রহ বাড়ছে ব্রহ্মপুত্র তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারের চরের কৃষকদের। ‘সুইট জাম্বো’ নামের উচ্চ ফলনশীল এবং দ্রুত বর্ধনশীল ঘাসের চাষ করে চরাঞ্চলবাসীরা তাদের জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। নিজেদের গবাদিপশুর খাদ্য চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উৎপাদিত ঘাস বিক্রি করে অনেকেই হয়েছেন স্বাবলম্বী। চরের অনাবাদি জমিতে গো-খাদ্য উৎপাদন ও গরু মোটা তাজাকরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক . . .
কদর বেড়েছে ট্রলারের
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের বিভাগীয় সদর খুলনা। উপকূলীয় অঞ্চলভুক্ত এ খুলনার সঙ্গে জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী। নদীমাতৃক বাংলাদেশের এই অঞ্চলটিতে এক সময় যাতায়াতের মাধ্যম ছিল নৌকা। দূরের পথে যেতে হতো লঞ্চে করে। শুধু খুলনার দক্ষিণে নয়, উত্তরেও লঞ্চ চলাচল করত। পণ্য পরিবহন ও হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম ছিল লঞ্চ। সময়ের সঙ্গে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। বহু নদনদী ভরাট হয়ে গেছে। বন্ধ হয়েছে অধিকাংশ নৌ-পথ। এ অঞ্চলের নদীতে আগের মতো লঞ্চ চলতে দেখা যায়না। ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে এক সময়ের জনপ্রিয় লঞ্চ। . . .
রেলের ইতিহাসে একমাত্র পাঠাগার
প্রতিদিনের বিরতির সময় শ্রমিকদের ভাল কাজের মধ্য দিয়ে কাটাতে দেশে এই প্রথম রেলের পূর্বাঞ্চলে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষ আল্লাহর ইবাদত করার পাশাপাশি সংসার জীবনের জন্য এমনকি ভরণপোষণের জন্য প্রয়োজন আয়ের উৎস। ফলে চাকরির তাগিতে কর্মস্থলে যেতে হয় পরিবারের কর্তাব্যক্তি বা কর্ণধারকে। আয়ের জন্য প্রযোজন কর্মস্থল আর আখেরাতের জন্য প্রয়োজন আল্লাহ ও তাঁর নবী-রাসুলকে জানা, তাদের পথ অনুসরণ ও অনুকরণ করা। এরই ফলশ্রুতিতে রেলের পূর্বাঞ্চলে শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য খোলা হয়েছে একটি ইসলামী . . .
রেলের ইতিহাসে একমাত্র পাঠাগার
প্রতিদিনের বিরতির সময় শ্রমিকদের ভাল কাজের মধ্য দিয়ে কাটাতে দেশে এই প্রথম রেলের পূর্বাঞ্চলে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষ আল্লাহর ইবাদত করার পাশাপাশি সংসার জীবনের জন্য এমনকি ভরণপোষণের জন্য প্রয়োজন আয়ের উৎস। ফলে চাকরির তাগিতে কর্মস্থলে যেতে হয় পরিবারের কর্তাব্যক্তি বা কর্ণধারকে। আয়ের জন্য প্রযোজন কর্মস্থল আর আখেরাতের জন্য প্রয়োজন আল্লাহ ও তাঁর নবী-রাসুলকে জানা, তাদের পথ অনুসরণ ও অনুকরণ করা। এরই ফলশ্রুতিতে রেলের পূর্বাঞ্চলে শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য খোলা হয়েছে একটি ইসলামী . . .
পঙ্গু দুই ভাইবোন শুয়ে শুয়ে দোকান চালায়
পঙ্গুত্বের কাছে হারমানলেও জীবন সংগ্রামে পরাজিত হতে শিখেনি রুবিয়া খাতুন (২৬) ও আতর আলী (২৪) নামের দু’ ভাইবোন। নিজেদের চেষ্টাতেই বাড়ির পাশে সোনার দীঘি গ্রামে দু’ভাই বোন মিলে মাত্র ১২ টাকা পুঁজি নিয়ে শুয়ে শুয়ে ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসা শুরু করে। এখন তাদের দোকানে পুঁজি দাঁড়িয়েছে কয়েক হাজার টাকা। ঋণ নিয়েছে পপি নামের ১টি এনজিও থেকে ৬ হাজার টাকা। ব্যবসা করতে এসে মহাজন তাদের পণ্য বাকিতে দিয়েছে ৩ হাজার টাকার। দু’ভাই বোনের ইচ্ছা এক লাখ টাকা সহায়তা পেলে দোকান বড় করতে পারবে। দোকানে বিদ্যুত সংযোগ . . .
গ্রামে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল
ন’হাটা বাজার থেকে দক্ষিণ দিকে প্রায় দেড় কিলোমিটার যাবার পর মাঠের ভেতর একটি স্কুল। ন’হাটা বাজার থেকে সরু পাকা পথে যেতে পথে পড়ে দেবদারু, কাঁঠাল, আম গাছের সারি। এরপর ফাঁকা মাঠ। ফসলী জমি। সেই মাঠের ভেতর একটি ভবন দেখা যায় দূর থেকে। সেখানেই শুরু হয়েছে ন’হাটা ইংলিশ মিডিয়াম সেকেন্ডারি হাই স্কুল। ভবনের চারপাশে বিভিন্ন ফলজ বৃক্ষের সমারোহ। ছায়া ঘেরা। বিভিন্ন পাখির আবাসস্থল। দুই ভাই মিলে গড়ে তুলেছেন এ স্কুল। তা এগিয়ে চলেছে সামনে। তাঁদের স্বপ্ন পুরণের দিকে। মাগুরা জেলার ন’হাটা একটি বর্ধিষ্ণু . . .
পুরনো ব্যাটারি থেকে সীসা
ফেলে দেয়া কোন কিছুই আর ফেলনা নয়। ‘রিসাইক্লিং’ ব্যবস্থায় পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে। শহরের বাসা বাড়িতে এক শ্রেণীর ফেরিওয়ালা হাঁক দেয়, ‘আ-ছে ভাঙ্গা চোড়া জিনিসপত্র...।’ ভাঙ্গা শিশি বোতল, প্লাসটিকের ভাঙ্গা ও পরিত্যক্ত জগ বাটি প্লেট, ওষুধ ও কোল্ড ড্রিংকসের বোতল, কসমেটিকসের কৌটা, ফিউজ বাল্ব, ছেঁড়া জুতা স্যান্ডেল পরিত্যক্ত হেন জিনিস নেই যা ওই ফেরিওয়ালারা নেয় না। এমনকি ছেঁড়া কাপড়চোপর পর্যন্ত। লোহা লক্করের ভাঙারির দোকানগুলোতে তো এইসব জিনিস কেনা হচ্ছেই, ফেরিওয়ালারা বাসা বাড়িতে গিয়েও সংগ্রহ . . .
চুল প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা
দামুড়হুদা উপজেলা কার্পাসডাঙ্গা বাজারে ও বাজারের আশপাশের গ্রামগুলোতে গড়ে উঠেছে চুল প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা। এসব কারখানায় কাজ করছে এলাকার হাজার হাজার গরিব ও দুস্থ পরিবারের মহিলা। আয় করছে মাসে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। এ পেশার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে প্রায় ৭ হাজার মানুষ। তারা এসব চুলের কাজ করে আর্থিক লাভবান হচ্ছে। কয়েক বছর ধরে মেয়েদের মাথার আচড়ানো ফেলে দেয়া চুল এলাকার মানুষ ফেরি করে কিনে বেড়াত। বিশেষ করে ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এসব চুল ফেরি করে কিনে এনে এলাকায় বিক্রি করে। সেখান . . .