মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১, ২৩ মাঘ ১৪১৭
ফিশ হসপিটাল
৮ রকম যন্ত্রের উদ্ভাবক যশোরের হান্টু
ফিশ হসপিটাল নির্মাণ নিয়ে কাজ করছেন তিনি। ইতোমধ্যে তিনি চিংড়ি ও মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও এবং চাষী দক্ষতা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ৮ রকমের সহায়ক যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছেন, যা মৎস্যচাষীদের ব্যাপক কাজে আসছে। তার উদ্ভাবিত যন্ত্রপাতি তিনি বাজারজাত করতে চান, কিন্তু অর্থের অভাবে তা পারছেন না। আর যিনি এত পরিশ্রম এবং নিজের চিনত্মা দিয়ে এত কিছু উদ্ভাবন করেছেন, তিনি হলেন যশোর শহরের চাঁচড়া এলাকার শেখ আশরাফ হোসেন হান্টু। পরনে লুঙ্গি, গায়ে পুরনো শার্ট, পায়ে চটি, হাতে থলে। দেখলে পাগল বলেই মনে হবে। অথচ এই পাগলের মাথায় . . .
অন্ধ ৩ ভাইবোন
পৃথিবীর রূপ খুব সুন্দর। এই ধ্রম্নব সত্য কথাটি অনেকটা মিথ্যা হিসাবে মনে হয় রানু (১৫), মেধা (৫) ও জয়ের (৮) কাছে। কারণ ওরা ৩ ভাইবোনই অন্ধ। পৃথিবীর রূপ সুন্দর একথাটি ওরা শুধু মানুষের মুখে শোনে। কিন্তু দেখার সৌভাগ্য হয়নি ওদের। আর কোনদিন হবে এমন কল্পনাও করতে পারে না অতিদরিদ্র পিতা-মাতার ঘরে জন্ম নেয়া এ ৩ সনত্মান। যাদের তিন বেলা খাবারই জোটে না তাদের আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে পৃথিবীর রূপ দেখার স্বপ্ন দেখাও মনে হয় দুঃস্বপ্নের মতো। একদিকে অন্ধত্বের হাহাকার, অন্যদিকে অভাবের যন্ত্রণা ওদের জীবনের নিত্যসঙ্গী। . . .
শীতল পাটির গ্রাম
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার হিংগানগর গ্রামের ৭শ' পরিবার শীতল পাটি বুনে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছেন। বংশ পরম্পরায় প্রায় ২শ' বছর ধরে তারা শীতল পাটি বোনার পেশায় নিয়োজিত আছেন। সরকারী কোন সহযোগিতা না পাওয়া ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের কারণে অনেকেই তাদের বাপ-দাদার এ পেশা ছেড়ে দেয়ার চিনত্মাভাবনা করছেন। টাঙ্গাইল শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলিমপুর পার হলেই হিংগানগর গ্রাম। গাছগাছালি দিয়ে ঘেরা ছায়া সুশীতল এই গ্রামের সবাই হিন্দু ধর্মালম্বী। দুয়েক ঘর মুসলমানও আছে। প্রায় ৪ হাজার লোকের বসবাস এই . . .
প্রতিভা গুণে দুঃখ জয়
জনকণ্ঠ রিপোর্ট ॥ ওদের আর পিছন ফিরে তাকাতে হবে না। নিজ প্রতিভা গুণে ওরা দুঃখকে জয় করেছে। এখন ওদের সামনে সুখের দুয়ার খোলা। এই সুখের নাগাল পেতে ওদের অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে হাঁটতে হয়েছে অনেক বন্ধুর পথ। পথ চলতে গিয়ে বহু মানুষের সহযোগিতার হাত ওদের দিকে প্রসারিত হলেও তা টিকে থাকেনি। সংসারে চরম অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা প্রতিভাবান জুয়েল রানা, রাজিব, সজিব, রকিব, মিঠুন ও জ্যোতি দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত। তাদের এই সাফল্যের পিছনে যিনি অভিভাবক হিসেবে মুখ্য ভূমিকা পালন . . .
জুলেখার কাছে হার মানল প্রতিবন্ধকতা
জেলার চকরিয়ার জালিয়াপাড়া গ্রামের জুলেখা বেগম একজন স্বাবলম্বী প্রতিবন্ধী মহিলা। কারও করম্নণা কিংবা সাহায্য তার প্রয়োজন হয় না। সম্পূর্ণ আত্মনির্ভরশীল একজন নারী প্রতিবন্ধী হিসেবে পিতার রেখে যাওয়া সংসারের হাল ধরেছেন তিনি। বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাইবোনদের সমসত্ম ব্যয়ভার শেষেও প্রতি মাসে ৩-৫ হাজার টাকা উদ্বৃত্ত থাকছে তার। চকরিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের জালিয়াপাড়ার নূর মোহাম্মদের প্রতিবন্ধী কন্যা জুলেখা বেগম জাল বুনে, প্যাকেজিংয়ের কাজ ও রিঙ্া ভাড়া দিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। অন্যের করম্নণার উপর নির্ভর করছে না মোটেও। . . .