মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ১ জানুয়ারী ২০১১, ১৮ পৌষ ১৪১৭
বাঁশ চাষে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালীর কৃষিবিদ মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাঁশ চাষের এক নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন, যাতে স্বল্প ব্যয়ে খুব দ্রুত বাঁশবাগান সৃজন করা সম্ভব। তাঁর নব উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে শুধু গাইবান্ধা জেলাতেই নয়, জেলার বাইরে ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, যশোর, টাঙ্গাইল এবং শরীয়তপুর জেলাতেও কৃষকরা তাঁর কাটিং পদ্ধতিতে বাঁশ চাষ করে দ্রুত উন্নতজাতের বাঁশ উৎপাদনে সক্ষম হয়েছেন। কৃষি উদ্যানতত্ত্ব বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্সে অধ্যয়ন শেষে কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন . . .
কৃষি ক্ষেত্রে অনুকরণীয় কৃষক বৃদ্ধ সাদেক আলী
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কাঠিপাড়া গ্রামে ৮৬ বছর বয়স্ক সাদেক আলী আকন এলাকার এক অনুকরণীয় মানুষ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে পারছেন। ৪০ বছর ধরে তিনি কৃষিকাজ করে ছেলে-সনত্মানদের লেখাপড়া করিয়ে বিদেশ পাঠিয়েছেন। বর্তমানে তার কৃষিকাজ করার আর্থিক কোন প্রয়োজন না থাকলেও দেশের স্বার্থেই তিনি এই বয়সেও সারাদিন কৃষিকাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তিনি তার বাড়ির চারপাশে ১২ শতাংশ জায়গায় বেগুন চাষ করে আলোড়ন তুলেছেন। এই জায়গাটুকু থেকে তিনি এ বছর সোয়া দুই লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। ইতোমধ্যে ২-৩ দিন পর পর ৰেত থেকে বেগুন তুলে বিক্রি করে . . .
সুখলালের সুখের ছোঁয়া
অভাবের সংসারে দিনমজুরের কাজ করে পরিবার-পরিজন নিয়ে কোন মতে নুন আনতে পানত্মা ফুরাত এমনি করেই চলছিল সুখলাল হালদারের সংসার। আত্মপ্রত্যয়ী সুখলাল স্বপ্ন দেখতেন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। অবশেষে তার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে নিজের একাগ্রতায়। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন দেখে দীর্ঘ ১৫ বছর পূর্বে তিনি বাড়ির পাশের একটি জমিতে শুরু করেন সবজি চাষ। স্থানীয় কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের পরামর্শে ও নিজের মনোবল দিয়ে মাত্র অল্পদিনেই সবজি চাষ করে তা অধিক মুনাফায় বিক্রি করে সুখলাল তাঁর অভাবের সংসারে সুখের ছোঁয়া লাগিয়েছেন। আজ তিনি . . .
কৃষিবিদ জাফরের 'দোতলা কৃষি' পদ্ধতি
কৃষিবিদ জাফর সাদেক। তিনি বেসরকারী কলেজে শিক্ষকতার পাশাপাশি কৃষি নিয়ে দীর্ঘদিন নিরলস গবেষণা করে চলেছেন। তাঁর গবেষণালব্ধ নিবন্ধ ইতোমধ্যে এডিবি, বিশ্বব্যাংক ও ডিএফআইডির মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। সমপ্রতি তিনি দেশের প্রচলিত কৃষি ব্যবস্থার বিপরীতে 'দোতলা কৃষি' পদ্ধতির উদ্ভাবন করেছেন। কৃষিবিদ জাফর সাদেকের দাবি, তাঁর উদ্ভাবিত দোতলা কৃষি ব্যবস্থা বাংলাদেশে চালু হলে কৃষি ক্ষেত্রে বার্ষিক ২০ হাজার কোটি টাকার ওপর অতিরিক্ত আয় হবে। একই জমিতে একই সময়ে ভিন্ন উচ্চতায় দু'ভিন্ন . . .
যশোরের মেয়ে মায়া পেলেন এসএমই পুরস্কার
অল্পদিনে স্বল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন তিনি। এখন তার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন ২ হাজার দরিদ্র মহিলা। আর ১০৭ পরুষ কর্মী। তারা কাপড়ে সুই-সুতা দিয়ে নকশি কাঁথা, নকশি চাদর, হাতের কাজের শাড়ি, থ্রি-পিস, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, টুপি ও চুড়িদার তৈরি করছে। আর এই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এবার তিনি পেলেন জাতীয় এসএমই নারী উদ্যোক্তা পুরস্কার। তিনি যশোরের তনুজা রহমান মায়া। ২০০০ সালে তিনি যশোর শহরের মুজিব সড়কে ছোট পরিসরে 'রং হ্যান্ডিক্রাফটস' নামের দোকান দেন। ১০-১২ মহিলা হস্তশিল্পকর্মী নিয়ে কাজ শুরু করলেও এখন . . .
হাওড়ে সবজি চাষ
বারো মাস অভাবের সঙ্গে বসবাস। দারিদ্র্য আর বঞ্চনা নিত্যসঙ্গী। আয়-রোজগারও অনিশ্চিত। হাওড় এলাকায় এমনিতেই ৬ মাস কাজ থাকে না। যে যেভাবে পারে কিছু একটা করে কোন রকমে বেঁচে থাকেন তারা। অনেক পরিবার আছে যাদের সম্বল কেবল এক চিলতে বসতবাড়ি। অনেকের তাও নেই। অন্যের জায়গায় বাস করে। শত হতাশার মাঝেও লড়ছেন তারা। সেখানে চলছে ভাগ্যবদলের লড়াই। জেলার হাওড় উপজেলা নিকলীর ছাতিরচর ইউনিয়নের অভাবী মানুষগুলো এখন বাড়িতে সবজি চাষ করছে। মানুষ বলতে তারা সবাই নারী। নারীরাই সামনে থেকে এ সংগ্রামে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মাত্র এক বছরেই তারা . . .
শিশু হাকিম যেন কার্টুন পুতুল!
অসম্ভব হলেও সত্য। দেখলে মনে হবে, ১০ মাস বা ১ বছর বয়সের একটি শিশু। কিন্তু তার হাঁটা-চলা বা ভেড়া চরানো দেখলে হতবাক হতে হয় বৈকি। তার উচ্চতার চেয়ে দ্বিগুণ লম্বা হাতল বিশিষ্ট বড় আকারের একটি কোদাল কাঁধে নিয়ে একজন বয়স্ক মানুষের মতো চলাফেরা আরও বিস্ময়কর। ক্ষুদে ওই শিশুটির বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের দোগাছী পুকুরপাড়ায়। ওইপাড়ার ট্রাকচালক এজাজুল ইসলামের দ্বিতীয় পুত্র আব্দুল হাকিম। ইউনিয়ন পরিষদ প্রদত্ত জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ হলো, ২০০৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর। সে হিসেবে বর্তমানে তার বয়স . . .
ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা
মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলা বালিকা বিদ্যালয় মাঠে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার চারটি উপজেলার ৪টি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। দলগুলো হলো পূর্ব শ্রীকোল গ্রামের রজব সর্দারের দল, কালিনগর গ্রামের বারিক সর্দারের দল ও সারঙ্গদিয়া গ্রামের হাবিব সর্দারের দল, শ্রীপুর উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের মসলেম সর্দারের দল। নানা বয়সের লাঠিয়ালরা লাঠিখেলার বিভিন্ন কলাকৌশল প্রদর্শন করে দর্শকদের মুগ্ধ করে। শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মশিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান . . .